আসাদুজ্জামান, নিজস্ব প্রতিবেদক (কুড়িগ্রাম)
কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী উপজেলার বলদিয়া ইউনিয়নের দক্ষিণ বলদিয়া রাঙ্গালির কুটি গ্রামের একটি বিলের ওপর নির্মিত সেতুকে ঘিরে স্থানীয়ভাবে গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগে বলা হয়েছে, ওই সেতুর দুই পাশে পানি প্রবাহ বন্ধ করে অবৈধভাবে স্থাপনা নির্মাণ করা হচ্ছে। স্থানীয়রা এই ঘটনাকে সরাসরি সেতু দখল হিসেবে উল্লেখ করছেন এবং দ্রুত প্রশাসনিক হস্তক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, একটি প্রভাবশালী চক্র দীর্ঘদিন ধরে পরিকল্পিতভাবে ওই এলাকায় কার্যক্রম চালিয়ে আসছে। অভিযোগ অনুযায়ী, তারা আরসিসি (RCC) কাঠামো ব্যবহার করে সেতুর পানি চলাচল সম্পূর্ণভাবে বন্ধ করে দিয়েছে। এরপর সেখানে পানি আটকে মাছ চাষের জন্য অবকাঠামো নির্মাণ করা হচ্ছে। এই কাজে আক্তার হোসেন মাস্টার, সফিকুল মোল্লা, লতিফ মাস্টারসহ মোট ৯ জনের সম্পৃক্ততার অভিযোগ পাওয়া গেছে। বর্তমানে কাজ চলমান থাকায় এলাকাবাসীর মধ্যে উদ্বেগ আরও বাড়ছে।
এই ঘটনায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা করছেন স্থানীয় কৃষকেরা। তাদের মতে, সেতু দখল করে পানি প্রবাহ বন্ধ করে দেওয়ার ফলে প্রায় ৫০ থেকে ১০০ একর দো-ফসলি কৃষিজমি মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে। পানি নিষ্কাশন বাধাগ্রস্ত হলে জমিতে জলাবদ্ধতা তৈরি হয়ে ফসল উৎপাদন ব্যাহত হতে পারে। কৃষকদের দাবি, এটি শুধু অবৈধ স্থাপনা নয়, বরং তাদের জীবিকা ও কৃষি অর্থনীতির জন্য বড় হুমকি।
স্থানীয়রা আরও জানান, বর্ষা মৌসুমে এই এলাকায় নিয়মিত বন্যার ঝুঁকি থাকে। এমন পরিস্থিতিতে সেতু দিয়ে পানি চলাচল বন্ধ হয়ে গেলে অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি হয়ে ব্রীজ কাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এতে বড় ধরনের দুর্ঘটনার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। বিশেষজ্ঞদের মতে, এ ধরনের সেতু দখল কার্যক্রম স্থানীয় জলপ্রবাহের স্বাভাবিক ভারসাম্য নষ্ট করে পরিবেশগত বিপর্যয় ডেকে আনতে পারে।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, একাধিকবার প্রতিবাদ জানানো হলেও কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। পরে গত ১৩ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে স্থানীয় সংসদ সদস্যের তদন্তের সুপারিশসহ একটি অভিযোগ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে জমা দেন স্থানীয় বাসিন্দা মেহেদী হাসান। তবে অভিযোগ দেওয়ার পরও এখনো কোনো দৃশ্যমান পদক্ষেপ না নেওয়ায় জনমনে ক্ষোভ বাড়ছে।
বর্তমানে নির্মাণকাজ চলমান থাকায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠছে। স্থানীয়দের দাবি, দ্রুত প্রশাসন হস্তক্ষেপ করে এই সেতু দখল বন্ধ করতে হবে এবং সরকারি সম্পদ রক্ষা করতে হবে।
আরোও পড়ুন – চর কড়াই জনদুর্ভোগে প্রশাসনের তৎপরতা বৃদ্ধি, ইউএনও’র সরেজমিন পরিদর্শন
ভূরুঙ্গামারীতে সেতু দখল করে পানি প্রবাহ বন্ধ, কৃষিজমি ও পরিবেশ হুমকিতে
আসাদুজ্জামান, নিজস্ব প্রতিবেদক (কুড়িগ্রাম)
কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী উপজেলার বলদিয়া ইউনিয়নের দক্ষিণ বলদিয়া রাঙ্গালির কুটি গ্রামের একটি বিলের ওপর নির্মিত সেতুকে ঘিরে স্থানীয়ভাবে গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগে বলা হয়েছে, ওই সেতুর দুই পাশে পানি প্রবাহ বন্ধ করে অবৈধভাবে স্থাপনা নির্মাণ করা হচ্ছে। স্থানীয়রা এই ঘটনাকে সরাসরি সেতু দখল হিসেবে উল্লেখ করছেন এবং দ্রুত প্রশাসনিক হস্তক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, একটি প্রভাবশালী চক্র দীর্ঘদিন ধরে পরিকল্পিতভাবে ওই এলাকায় কার্যক্রম চালিয়ে আসছে। অভিযোগ অনুযায়ী, তারা আরসিসি (RCC) কাঠামো ব্যবহার করে সেতুর পানি চলাচল সম্পূর্ণভাবে বন্ধ করে দিয়েছে। এরপর সেখানে পানি আটকে মাছ চাষের জন্য অবকাঠামো নির্মাণ করা হচ্ছে। এই কাজে আক্তার হোসেন মাস্টার, সফিকুল মোল্লা, লতিফ মাস্টারসহ মোট ৯ জনের সম্পৃক্ততার অভিযোগ পাওয়া গেছে। বর্তমানে কাজ চলমান থাকায় এলাকাবাসীর মধ্যে উদ্বেগ আরও বাড়ছে।
এই ঘটনায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা করছেন স্থানীয় কৃষকেরা। তাদের মতে, সেতু দখল করে পানি প্রবাহ বন্ধ করে দেওয়ার ফলে প্রায় ৫০ থেকে ১০০ একর দো-ফসলি কৃষিজমি মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে। পানি নিষ্কাশন বাধাগ্রস্ত হলে জমিতে জলাবদ্ধতা তৈরি হয়ে ফসল উৎপাদন ব্যাহত হতে পারে। কৃষকদের দাবি, এটি শুধু অবৈধ স্থাপনা নয়, বরং তাদের জীবিকা ও কৃষি অর্থনীতির জন্য বড় হুমকি।
স্থানীয়রা আরও জানান, বর্ষা মৌসুমে এই এলাকায় নিয়মিত বন্যার ঝুঁকি থাকে। এমন পরিস্থিতিতে সেতু দিয়ে পানি চলাচল বন্ধ হয়ে গেলে অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি হয়ে ব্রীজ কাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এতে বড় ধরনের দুর্ঘটনার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। বিশেষজ্ঞদের মতে, এ ধরনের সেতু দখল কার্যক্রম স্থানীয় জলপ্রবাহের স্বাভাবিক ভারসাম্য নষ্ট করে পরিবেশগত বিপর্যয় ডেকে আনতে পারে।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, একাধিকবার প্রতিবাদ জানানো হলেও কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। পরে গত ১৩ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে স্থানীয় সংসদ সদস্যের তদন্তের সুপারিশসহ একটি অভিযোগ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে জমা দেন স্থানীয় বাসিন্দা মেহেদী হাসান। তবে অভিযোগ দেওয়ার পরও এখনো কোনো দৃশ্যমান পদক্ষেপ না নেওয়ায় জনমনে ক্ষোভ বাড়ছে।
বর্তমানে নির্মাণকাজ চলমান থাকায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠছে। স্থানীয়দের দাবি, দ্রুত প্রশাসন হস্তক্ষেপ করে এই সেতু দখল বন্ধ করতে হবে এবং সরকারি সম্পদ রক্ষা করতে হবে।
আরোও পড়ুন – চর কড়াই জনদুর্ভোগে প্রশাসনের তৎপরতা বৃদ্ধি, ইউএনও’র সরেজমিন পরিদর্শন