মো: জিসান রহমান, মাভাবিপ্রবি প্রতিনিধিঃ
মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (মাভাবিপ্রবি) ফজিলতুন্নেছা জোহা হলে সাম্প্রতিক মাভাবিপ্রবি হলে অভিযান নিয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন আবাসিক শিক্ষার্থীরা। দীর্ঘদিন ধরে গ্যাস সংযোগ, ওয়াইফাই সেবা ও মিলের খাবারের মান নিয়ে নানা ভোগান্তির মধ্যে থাকা শিক্ষার্থীরা বলছেন, মৌলিক সমস্যাগুলোর সমাধান না করেই হঠাৎ করে এমন অভিযান চালানো হয়েছে, যা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে।
শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, হলটিতে দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও এখনো গ্যাস সংযোগ চালু করা হয়নি। ফলে বাধ্য হয়ে অনেকেই বিকল্প উপায়ে রান্না করছেন, যার মধ্যে ইলেকট্রিক কুকার অন্যতম। কিন্তু সম্প্রতি মাভাবিপ্রবি হলে অভিযান পরিচালনা করে প্রশাসনের পক্ষ থেকে এসব কুকার জব্দ করা হলে শিক্ষার্থীদের মধ্যে অসন্তোষ তীব্র আকার ধারণ করে। তারা মনে করেন, প্রয়োজনীয় সুবিধা নিশ্চিত না করেই এমন পদক্ষেপ নেওয়া অযৌক্তিক।
একাধিক শিক্ষার্থী জানান, তারা বহুবার প্রশাসনের কাছে গ্যাস সংযোগ চালুর দাবি জানিয়েছেন। কিন্তু কোনো কার্যকর উদ্যোগ না নেওয়ায় তারা বাধ্য হয়ে নিজ উদ্যোগে রান্না করছেন। এমন অবস্থায় মাভাবিপ্রবি হলে অভিযান চালিয়ে রান্নার সরঞ্জাম জব্দ করাকে তারা শিক্ষার্থীবান্ধব সিদ্ধান্ত হিসেবে দেখছেন না। বরং এটি তাদের দৈনন্দিন জীবনযাত্রাকে আরও কঠিন করে তুলেছে।
অন্যদিকে, হলের ওয়াইফাই সেবার মান নিয়েও রয়েছে ব্যাপক অভিযোগ। শিক্ষার্থীরা জানান, দুর্বল ও অনিয়মিত ইন্টারনেট সংযোগের কারণে অনলাইন ক্লাস, অ্যাসাইনমেন্ট এবং গবেষণামূলক কাজ ব্যাহত হচ্ছে। অনেকেই মোবাইল ডেটার ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়েছেন, যা তাদের জন্য অতিরিক্ত অর্থনৈতিক চাপ তৈরি করছে। এমন পরিস্থিতিতে মাভাবিপ্রবি হলে অভিযান শিক্ষার্থীদের কাছে আরও হতাশাজনক বলে মনে হচ্ছে।
সবচেয়ে বেশি অভিযোগ উঠেছে হলের মিলের খাবারের মান নিয়ে। শিক্ষার্থীদের দাবি, বারবার অভিযোগ জানানোর পরও খাবারের গুণগত মানের কোনো উন্নতি হয়নি। এক শিক্ষার্থী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “যারা এই খাবারের মান নিয়ন্ত্রণ করেন, তারা যদি একদিন নিজেরা এই খাবার খেতেন, তাহলে সমস্যার গভীরতা বুঝতে পারতেন।” শিক্ষার্থীদের মতে, প্রশাসনের উচিত আগে খাবারের মান নিশ্চিত করা, এরপর অন্য বিষয়ে কঠোর হওয়া।
সামগ্রিকভাবে, শিক্ষার্থীরা বলছেন যে, দীর্ঘদিনের সমস্যাগুলো সমাধান না করে শুধুমাত্র নিয়ম প্রয়োগের চেষ্টা করলে পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে। তারা দ্রুত গ্যাস সংযোগ স্থাপন, ওয়াইফাই সেবার উন্নয়ন এবং মিলের খাবারের মান নিশ্চিত করতে প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। পাশাপাশি, ভবিষ্যতে এ ধরনের মাভাবিপ্রবি হলে অভিযান চালানোর আগে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।
আরোও পড়ুন – হাবিপ্রবি সংঘর্ষ: নারী কেলেঙ্কারির জেরে দুই হলে দফায় দফায় হামলা, আহত ৫০+
মাভাবিপ্রবি হলে অভিযান ঘিরে ক্ষোভ, গ্যাস-ওয়াইফাই সংকটে শিক্ষার্থীরা
মো: জিসান রহমান, মাভাবিপ্রবি প্রতিনিধিঃ
মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (মাভাবিপ্রবি) ফজিলতুন্নেছা জোহা হলে সাম্প্রতিক মাভাবিপ্রবি হলে অভিযান নিয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন আবাসিক শিক্ষার্থীরা। দীর্ঘদিন ধরে গ্যাস সংযোগ, ওয়াইফাই সেবা ও মিলের খাবারের মান নিয়ে নানা ভোগান্তির মধ্যে থাকা শিক্ষার্থীরা বলছেন, মৌলিক সমস্যাগুলোর সমাধান না করেই হঠাৎ করে এমন অভিযান চালানো হয়েছে, যা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে।
শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, হলটিতে দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও এখনো গ্যাস সংযোগ চালু করা হয়নি। ফলে বাধ্য হয়ে অনেকেই বিকল্প উপায়ে রান্না করছেন, যার মধ্যে ইলেকট্রিক কুকার অন্যতম। কিন্তু সম্প্রতি মাভাবিপ্রবি হলে অভিযান পরিচালনা করে প্রশাসনের পক্ষ থেকে এসব কুকার জব্দ করা হলে শিক্ষার্থীদের মধ্যে অসন্তোষ তীব্র আকার ধারণ করে। তারা মনে করেন, প্রয়োজনীয় সুবিধা নিশ্চিত না করেই এমন পদক্ষেপ নেওয়া অযৌক্তিক।
একাধিক শিক্ষার্থী জানান, তারা বহুবার প্রশাসনের কাছে গ্যাস সংযোগ চালুর দাবি জানিয়েছেন। কিন্তু কোনো কার্যকর উদ্যোগ না নেওয়ায় তারা বাধ্য হয়ে নিজ উদ্যোগে রান্না করছেন। এমন অবস্থায় মাভাবিপ্রবি হলে অভিযান চালিয়ে রান্নার সরঞ্জাম জব্দ করাকে তারা শিক্ষার্থীবান্ধব সিদ্ধান্ত হিসেবে দেখছেন না। বরং এটি তাদের দৈনন্দিন জীবনযাত্রাকে আরও কঠিন করে তুলেছে।
অন্যদিকে, হলের ওয়াইফাই সেবার মান নিয়েও রয়েছে ব্যাপক অভিযোগ। শিক্ষার্থীরা জানান, দুর্বল ও অনিয়মিত ইন্টারনেট সংযোগের কারণে অনলাইন ক্লাস, অ্যাসাইনমেন্ট এবং গবেষণামূলক কাজ ব্যাহত হচ্ছে। অনেকেই মোবাইল ডেটার ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়েছেন, যা তাদের জন্য অতিরিক্ত অর্থনৈতিক চাপ তৈরি করছে। এমন পরিস্থিতিতে মাভাবিপ্রবি হলে অভিযান শিক্ষার্থীদের কাছে আরও হতাশাজনক বলে মনে হচ্ছে।
সবচেয়ে বেশি অভিযোগ উঠেছে হলের মিলের খাবারের মান নিয়ে। শিক্ষার্থীদের দাবি, বারবার অভিযোগ জানানোর পরও খাবারের গুণগত মানের কোনো উন্নতি হয়নি। এক শিক্ষার্থী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “যারা এই খাবারের মান নিয়ন্ত্রণ করেন, তারা যদি একদিন নিজেরা এই খাবার খেতেন, তাহলে সমস্যার গভীরতা বুঝতে পারতেন।” শিক্ষার্থীদের মতে, প্রশাসনের উচিত আগে খাবারের মান নিশ্চিত করা, এরপর অন্য বিষয়ে কঠোর হওয়া।
সামগ্রিকভাবে, শিক্ষার্থীরা বলছেন যে, দীর্ঘদিনের সমস্যাগুলো সমাধান না করে শুধুমাত্র নিয়ম প্রয়োগের চেষ্টা করলে পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে। তারা দ্রুত গ্যাস সংযোগ স্থাপন, ওয়াইফাই সেবার উন্নয়ন এবং মিলের খাবারের মান নিশ্চিত করতে প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। পাশাপাশি, ভবিষ্যতে এ ধরনের মাভাবিপ্রবি হলে অভিযান চালানোর আগে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।
আরোও পড়ুন – হাবিপ্রবি সংঘর্ষ: নারী কেলেঙ্কারির জেরে দুই হলে দফায় দফায় হামলা, আহত ৫০+