মোঃ নুরনবী, কুড়িগ্রাম জেলা প্রতিনিধিঃ
কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলার বামনডাঙ্গা ইউনিয়নের কুটিবামনডাঙ্গা গ্রামে অসম্পূর্ণ কুটিবামনডাঙ্গা বাঁধ এখন স্থানীয়দের জন্য বড় ধরনের ঝুঁকির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। দুধকুমার নদীর তীব্র ভাঙনে প্রতিনিয়ত আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন নদীপাড়ের মানুষ। নদী প্রতিরক্ষা বাঁধ নির্মাণের কাজ শুরু হলেও তা মাঝপথে থেমে যাওয়ায় পুরো গ্রাম এখন অনিশ্চয়তার মধ্যে রয়েছে। বর্ষা মৌসুম ঘনিয়ে আসার সঙ্গে সঙ্গে ভাঙনের আশঙ্কা আরও বেড়ে যাচ্ছে এবং কুটিবামনডাঙ্গা বাঁধ নিয়ে মানুষের উদ্বেগ দিন দিন তীব্র আকার ধারণ করছে।
দুধকুমার নদীর ভাঙন এই অঞ্চলের মানুষের জন্য দীর্ঘদিনের সমস্যা। গত কয়েক বছরে নদীর তীব্র স্রোতে কুটিবামনডাঙ্গা গ্রামের বিস্তীর্ণ এলাকা নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। অনেক পরিবার ইতোমধ্যে তাদের বসতভিটা হারিয়ে অন্যত্র আশ্রয় নিতে বাধ্য হয়েছে। কৃষিজমিও ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, ফলে স্থানীয়দের জীবিকা হুমকির মুখে পড়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, পরিকল্পনাহীনভাবে কুটিবামনডাঙ্গা বাঁধ নির্মাণের কারণে নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে, যা ভাঙনের গতি আরও বাড়িয়ে দিচ্ছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, নদীর পাড় রক্ষায় ব্লক ফেলে বাঁধ নির্মাণের কাজ শুরু হলেও নির্দিষ্ট অংশে তা সম্পূর্ণ করা হয়নি। ফলে অসম্পূর্ণ কুটিবামনডাঙ্গা বাঁধ এখন উল্টো বিপদের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। নদীর প্রবল স্রোত সরাসরি সেই খোলা অংশে আঘাত করায় ভাঙনের তীব্রতা বাড়ছে। এতে পাশের দুর্বল অংশগুলোও ঝুঁকির মুখে পড়ছে। অনেকের ধারণা, পুরো বাঁধ একসঙ্গে সম্পন্ন না হওয়ায় নদীর গতিপথ পরিবর্তিত হয়ে নতুন নতুন এলাকায় ভাঙন সৃষ্টি করছে।
এলাকার মানুষের জীবনযাত্রায় এর প্রভাব স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। প্রতিদিনই তারা ভাঙনের আশঙ্কায় উদ্বিগ্ন থাকছেন। কেউ কেউ ইতোমধ্যে বাড়িঘর সরিয়ে নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। শহরে বসবাসরত অনেক পরিবারও তাদের গ্রামের বাড়ির নিরাপত্তা নিয়ে চিন্তিত। নদীর স্রোত বর্তমানে সরাসরি কুটিবামনডাঙ্গা বাঁধ এর অসম্পূর্ণ অংশে আঘাত করছে, যা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে। দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে পুরো গ্রাম নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে বলে স্থানীয়দের ধারণা।
স্থানীয়দের দাবি, বরাদ্দ সংকট এবং প্রশাসনিক জটিলতার কারণে বাঁধ নির্মাণকাজ দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ রয়েছে। এতে করে নদীপাড়ের মানুষ চরম দুর্ভোগে পড়েছেন। পূর্বে যেসব স্থানে শক্ত ব্লক বসানো হয়েছিল, সেগুলো কিছুটা সুরক্ষা দিলেও অসম্পূর্ণ কুটিবামনডাঙ্গা বাঁধ পুরো ব্যবস্থাকে দুর্বল করে ফেলেছে। ফলে নদীর স্রোত বাধাপ্রাপ্ত হয়ে পাশের দুর্বল অংশে চাপ সৃষ্টি করছে এবং ভাঙনের গতি আগের তুলনায় বেড়ে গেছে।
এলাকাবাসীর একটাই দাবি, দ্রুত সময়ের মধ্যে কুটিবামনডাঙ্গা বাঁধ সম্পূর্ণ করা হোক এবং পুরো নদীপাড়ে স্থায়ী সুরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলা হোক। তাদের মতে, শুধুমাত্র আংশিক কাজ নয়, বরং সমন্বিত পরিকল্পনার মাধ্যমে স্থায়ী বাঁধ নির্মাণ করলে এই সমস্যা অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত হস্তক্ষেপ ছাড়া পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
আরোও পড়ুন – রাজারহাটে ব্লাড ক্যান্সারে আক্রান্ত শিশু ফাহিম বাঁচতে চায়, চিকিৎসার জন্য সহায়তার আবেদন
অসম্পূর্ণ বাঁধে ঝুঁকিতে কুটিবামনডাঙ্গা, দুধকুমার নদীর ভাঙনে আতঙ্ক
মোঃ নুরনবী, কুড়িগ্রাম জেলা প্রতিনিধিঃ
কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলার বামনডাঙ্গা ইউনিয়নের কুটিবামনডাঙ্গা গ্রামে অসম্পূর্ণ কুটিবামনডাঙ্গা বাঁধ এখন স্থানীয়দের জন্য বড় ধরনের ঝুঁকির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। দুধকুমার নদীর তীব্র ভাঙনে প্রতিনিয়ত আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন নদীপাড়ের মানুষ। নদী প্রতিরক্ষা বাঁধ নির্মাণের কাজ শুরু হলেও তা মাঝপথে থেমে যাওয়ায় পুরো গ্রাম এখন অনিশ্চয়তার মধ্যে রয়েছে। বর্ষা মৌসুম ঘনিয়ে আসার সঙ্গে সঙ্গে ভাঙনের আশঙ্কা আরও বেড়ে যাচ্ছে এবং কুটিবামনডাঙ্গা বাঁধ নিয়ে মানুষের উদ্বেগ দিন দিন তীব্র আকার ধারণ করছে।
দুধকুমার নদীর ভাঙন এই অঞ্চলের মানুষের জন্য দীর্ঘদিনের সমস্যা। গত কয়েক বছরে নদীর তীব্র স্রোতে কুটিবামনডাঙ্গা গ্রামের বিস্তীর্ণ এলাকা নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। অনেক পরিবার ইতোমধ্যে তাদের বসতভিটা হারিয়ে অন্যত্র আশ্রয় নিতে বাধ্য হয়েছে। কৃষিজমিও ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, ফলে স্থানীয়দের জীবিকা হুমকির মুখে পড়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, পরিকল্পনাহীনভাবে কুটিবামনডাঙ্গা বাঁধ নির্মাণের কারণে নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে, যা ভাঙনের গতি আরও বাড়িয়ে দিচ্ছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, নদীর পাড় রক্ষায় ব্লক ফেলে বাঁধ নির্মাণের কাজ শুরু হলেও নির্দিষ্ট অংশে তা সম্পূর্ণ করা হয়নি। ফলে অসম্পূর্ণ কুটিবামনডাঙ্গা বাঁধ এখন উল্টো বিপদের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। নদীর প্রবল স্রোত সরাসরি সেই খোলা অংশে আঘাত করায় ভাঙনের তীব্রতা বাড়ছে। এতে পাশের দুর্বল অংশগুলোও ঝুঁকির মুখে পড়ছে। অনেকের ধারণা, পুরো বাঁধ একসঙ্গে সম্পন্ন না হওয়ায় নদীর গতিপথ পরিবর্তিত হয়ে নতুন নতুন এলাকায় ভাঙন সৃষ্টি করছে।
এলাকার মানুষের জীবনযাত্রায় এর প্রভাব স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। প্রতিদিনই তারা ভাঙনের আশঙ্কায় উদ্বিগ্ন থাকছেন। কেউ কেউ ইতোমধ্যে বাড়িঘর সরিয়ে নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। শহরে বসবাসরত অনেক পরিবারও তাদের গ্রামের বাড়ির নিরাপত্তা নিয়ে চিন্তিত। নদীর স্রোত বর্তমানে সরাসরি কুটিবামনডাঙ্গা বাঁধ এর অসম্পূর্ণ অংশে আঘাত করছে, যা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে। দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে পুরো গ্রাম নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে বলে স্থানীয়দের ধারণা।
স্থানীয়দের দাবি, বরাদ্দ সংকট এবং প্রশাসনিক জটিলতার কারণে বাঁধ নির্মাণকাজ দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ রয়েছে। এতে করে নদীপাড়ের মানুষ চরম দুর্ভোগে পড়েছেন। পূর্বে যেসব স্থানে শক্ত ব্লক বসানো হয়েছিল, সেগুলো কিছুটা সুরক্ষা দিলেও অসম্পূর্ণ কুটিবামনডাঙ্গা বাঁধ পুরো ব্যবস্থাকে দুর্বল করে ফেলেছে। ফলে নদীর স্রোত বাধাপ্রাপ্ত হয়ে পাশের দুর্বল অংশে চাপ সৃষ্টি করছে এবং ভাঙনের গতি আগের তুলনায় বেড়ে গেছে।
এলাকাবাসীর একটাই দাবি, দ্রুত সময়ের মধ্যে কুটিবামনডাঙ্গা বাঁধ সম্পূর্ণ করা হোক এবং পুরো নদীপাড়ে স্থায়ী সুরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলা হোক। তাদের মতে, শুধুমাত্র আংশিক কাজ নয়, বরং সমন্বিত পরিকল্পনার মাধ্যমে স্থায়ী বাঁধ নির্মাণ করলে এই সমস্যা অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত হস্তক্ষেপ ছাড়া পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
আরোও পড়ুন – রাজারহাটে ব্লাড ক্যান্সারে আক্রান্ত শিশু ফাহিম বাঁচতে চায়, চিকিৎসার জন্য সহায়তার আবেদন