লালমনিরহাটে ভুয়া ডাক্তার আতঙ্ক: ডা. সায়েমের ডিগ্রি নিয়ে প্রশ্ন

ফয়সাল সৌরভ, লালমনিরহাট প্রতিনিধিঃ

লালমনিরহাট শহরের স্বাস্থ্যখাতে নতুন করে আতঙ্ক তৈরি করেছে এক ভুয়া ডাক্তারকে ঘিরে ওঠা চাঞ্চল্যকর অভিযোগ। বিভিন্ন বেসরকারি ক্লিনিকে নিজেকে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক পরিচয় দিয়ে চিকিৎসা দেওয়া ডা. এ.এস.এম সায়েম (আবু সাজ্জাদ মোহাম্মদ সায়েম)-এর বিরুদ্ধে ভুয়া ডিগ্রি ব্যবহার এবং প্রতারণার অভিযোগ উঠেছে। সাম্প্রতিক একটি অপারেশন ঘটনায় তার আচরণ জনমনে ব্যাপক ক্ষোভ ও উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে, যা ইতোমধ্যেই স্থানীয়ভাবে বড় ধরনের আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

ঘটনার সূত্রপাত ঘটে গত ৩ মে ২০২৬ তারিখে শহরের খাতা পাড়া মাজার এলাকায় অবস্থিত আয়েশা ক্লিনিকে। অভিযোগ রয়েছে, সেখানে এক রোগীর টিউমার অপারেশন চলাকালীন জটিলতা দেখা দিলে এই ভুয়া ডাক্তার হঠাৎ করেই অপারেশন থিয়েটার ছেড়ে চলে যান। চিকিৎসার এমন দায়িত্বহীন আচরণে রোগীর পরিবার চরম বিপাকে পড়ে এবং পরবর্তীতে বিষয়টি দ্রুত স্থানীয়দের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে। এ ঘটনার পর থেকেই তার চিকিৎসাগত যোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ডা. সায়েম নিজেকে অ্যানেস্থেসিয়া বিশেষজ্ঞ হিসেবে পরিচয় দিলেও বিভিন্ন প্রচারণায় তাকে ‘নিউরো মেডিসিন’ ও ‘সার্জারি অভিজ্ঞ’ চিকিৎসক হিসেবে তুলে ধরা হচ্ছিল। এমন বিভ্রান্তিকর পরিচয়ের কারণে সাধারণ রোগীরা সহজেই প্রতারিত হচ্ছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। অনেকেই মনে করছেন, এই ভুয়া ডাক্তার দীর্ঘদিন ধরেই বিভিন্ন ক্লিনিকে অনিয়মিতভাবে চিকিৎসা দিয়ে আসছিলেন, কিন্তু যথাযথ তদারকির অভাবে বিষয়টি নজরে আসেনি।
ঘটনার পর ভুক্তভোগী পরিবার ও স্থানীয় সংবাদকর্মীরা তার শিক্ষাগত সনদ যাচাইয়ের দাবি তুলেছেন। ইতোমধ্যে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নজরেও বিষয়টি এসেছে বলে জানা গেছে। স্বাস্থ্যখাতে এমন অনিয়ম ও প্রতারণা রোধে প্রশাসনের কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন সচেতন নাগরিকরা। তাদের মতে, একজন ভুয়া ডাক্তার এর কারণে শুধু একজন রোগী নয়, পুরো সমাজই ঝুঁকির মধ্যে পড়ে যেতে পারে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বেসরকারি ক্লিনিকগুলোর নিয়ন্ত্রণ ও তদারকি জোরদার না করলে এ ধরনের ঘটনা আরও বাড়তে পারে। রোগীদেরও সচেতন হয়ে চিকিৎসকের সনদ যাচাই করে চিকিৎসা নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে স্বাস্থ্য বিভাগের দায়িত্বশীল কর্মকর্তাদের দ্রুত তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।

আরোও পড়ুন – প্রায় অর্ধ কোটি টাকা হাতিয়ে লাপাত্তা প্রতারক আফসারা আফরোজ

লালমনিরহাটে ভুয়া ডাক্তার আতঙ্ক: ডা. সায়েমের ডিগ্রি নিয়ে প্রশ্ন

মে ৪, ২০২৬

ফয়সাল সৌরভ, লালমনিরহাট প্রতিনিধিঃ

লালমনিরহাট শহরের স্বাস্থ্যখাতে নতুন করে আতঙ্ক তৈরি করেছে এক ভুয়া ডাক্তারকে ঘিরে ওঠা চাঞ্চল্যকর অভিযোগ। বিভিন্ন বেসরকারি ক্লিনিকে নিজেকে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক পরিচয় দিয়ে চিকিৎসা দেওয়া ডা. এ.এস.এম সায়েম (আবু সাজ্জাদ মোহাম্মদ সায়েম)-এর বিরুদ্ধে ভুয়া ডিগ্রি ব্যবহার এবং প্রতারণার অভিযোগ উঠেছে। সাম্প্রতিক একটি অপারেশন ঘটনায় তার আচরণ জনমনে ব্যাপক ক্ষোভ ও উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে, যা ইতোমধ্যেই স্থানীয়ভাবে বড় ধরনের আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

ঘটনার সূত্রপাত ঘটে গত ৩ মে ২০২৬ তারিখে শহরের খাতা পাড়া মাজার এলাকায় অবস্থিত আয়েশা ক্লিনিকে। অভিযোগ রয়েছে, সেখানে এক রোগীর টিউমার অপারেশন চলাকালীন জটিলতা দেখা দিলে এই ভুয়া ডাক্তার হঠাৎ করেই অপারেশন থিয়েটার ছেড়ে চলে যান। চিকিৎসার এমন দায়িত্বহীন আচরণে রোগীর পরিবার চরম বিপাকে পড়ে এবং পরবর্তীতে বিষয়টি দ্রুত স্থানীয়দের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে। এ ঘটনার পর থেকেই তার চিকিৎসাগত যোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ডা. সায়েম নিজেকে অ্যানেস্থেসিয়া বিশেষজ্ঞ হিসেবে পরিচয় দিলেও বিভিন্ন প্রচারণায় তাকে ‘নিউরো মেডিসিন’ ও ‘সার্জারি অভিজ্ঞ’ চিকিৎসক হিসেবে তুলে ধরা হচ্ছিল। এমন বিভ্রান্তিকর পরিচয়ের কারণে সাধারণ রোগীরা সহজেই প্রতারিত হচ্ছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। অনেকেই মনে করছেন, এই ভুয়া ডাক্তার দীর্ঘদিন ধরেই বিভিন্ন ক্লিনিকে অনিয়মিতভাবে চিকিৎসা দিয়ে আসছিলেন, কিন্তু যথাযথ তদারকির অভাবে বিষয়টি নজরে আসেনি।
ঘটনার পর ভুক্তভোগী পরিবার ও স্থানীয় সংবাদকর্মীরা তার শিক্ষাগত সনদ যাচাইয়ের দাবি তুলেছেন। ইতোমধ্যে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নজরেও বিষয়টি এসেছে বলে জানা গেছে। স্বাস্থ্যখাতে এমন অনিয়ম ও প্রতারণা রোধে প্রশাসনের কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন সচেতন নাগরিকরা। তাদের মতে, একজন ভুয়া ডাক্তার এর কারণে শুধু একজন রোগী নয়, পুরো সমাজই ঝুঁকির মধ্যে পড়ে যেতে পারে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বেসরকারি ক্লিনিকগুলোর নিয়ন্ত্রণ ও তদারকি জোরদার না করলে এ ধরনের ঘটনা আরও বাড়তে পারে। রোগীদেরও সচেতন হয়ে চিকিৎসকের সনদ যাচাই করে চিকিৎসা নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে স্বাস্থ্য বিভাগের দায়িত্বশীল কর্মকর্তাদের দ্রুত তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।

আরোও পড়ুন – প্রায় অর্ধ কোটি টাকা হাতিয়ে লাপাত্তা প্রতারক আফসারা আফরোজ