রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের (রাসিক) প্রশাসক মো. মাহফুজুর রহমান রিটনের সঙ্গে বিভিন্ন ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান ও সংগঠনের প্রতিনিধিদের এক গুরুত্বপূর্ণ সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (৫ মে) সকালে নগর ভবনে আয়োজিত এ সৌজন্য সাক্ষাৎ নগরীর উন্নয়ন ও নাগরিক সেবার বিভিন্ন বিষয়কে সামনে এনে এক কার্যকর আলোচনা প্ল্যাটফর্ম তৈরি করে। এতে অংশ নেওয়া প্রতিনিধিরা নগর ব্যবস্থাপনা, ব্যবসা-বাণিজ্য এবং সামাজিক উন্নয়ন সংক্রান্ত নানা বিষয়ে তাদের মতামত তুলে ধরেন।
এই সৌজন্য সাক্ষাৎ-এ উপস্থিত ছিলেন নিউ মার্কেট মসজিদ কমিটির সভাপতি মো. নূর কুতুবউদ্দীন মনু এবং সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হক হারুসহ অন্যান্য সদস্যরা। এছাড়া বিসিক রাজশাহী জেলা কার্যালয়ের উপ-মহা ব্যবস্থাপক রফিকুল ইসলামসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা অংশগ্রহণ করেন। ব্যাংকিং খাত থেকেও উপস্থিত ছিলেন জনতা ব্যাংক হেতেমখাঁ শাখার ম্যানেজার মো. মিনহাজ উদ্দীন, কর্মকর্তা মো. আসাদুজ্জামান, জনতা ব্যাংক মহিলা শাখার জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা জেসমিন আরা এবং এনআরবি ব্যাংকের রাজশাহী শাখার হেড আইজ্যাক নিউটন।
সাক্ষাৎকালে বিভিন্ন সংগঠনের প্রতিনিধিরা প্রশাসককে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান এবং নগরীর চলমান উন্নয়ন কার্যক্রমে সন্তোষ প্রকাশ করেন। একইসঙ্গে তারা নাগরিক সেবা আরও সহজলভ্য করা, যানজট নিরসন, ফুটপাত ব্যবস্থাপনা এবং ব্যবসায়িক পরিবেশ উন্নয়নের বিষয়ে বিভিন্ন প্রস্তাব উপস্থাপন করেন। বিশেষ করে লক্ষ্মীপুর এলাকার ফুটপাত ব্যবসায়ীরা তাদের জীবিকা রক্ষায় সহনশীল নীতিমালা প্রণয়নের আহ্বান জানান, যা এ সৌজন্য সাক্ষাৎ-এর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ আলোচ্য বিষয় হয়ে ওঠে।
প্রশাসক মো. মাহফুজুর রহমান রিটন বক্তব্যে বলেন, রাজশাহীকে একটি আধুনিক, বাসযোগ্য ও ব্যবসাবান্ধব নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে সিটি কর্পোরেশন নিরলসভাবে কাজ করছে। তিনি বলেন, নাগরিকদের প্রত্যাশা পূরণে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা হবে এবং সব শ্রেণি-পেশার মানুষের মতামত গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হবে। এ ধরনের সৌজন্য সাক্ষাৎ ভবিষ্যতে নিয়মিত আয়োজন করা হবে বলেও তিনি আশ্বাস দেন।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, নগর উন্নয়নের ক্ষেত্রে সরকারি সংস্থার পাশাপাশি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, ব্যবসায়ী ও সাধারণ নাগরিকদের সম্মিলিত উদ্যোগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নগরীর সার্বিক উন্নয়নে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, পরিকল্পিত উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়নে সবার সহযোগিতা প্রয়োজন।
এই সৌজন্য সাক্ষাৎ রাজশাহীর নাগরিকদের মধ্যে ইতিবাচক প্রত্যাশা তৈরি করেছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। তারা আশা করছেন, এ ধরনের উদ্যোগ ভবিষ্যতে আরও শক্তিশালী যোগাযোগ ও সমন্বয়ের পথ তৈরি করবে, যা নগরীর টেকসই উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
আরোও পড়ুন – রাজশাহী-ঢাকা-চট্টগ্রাম অভিযান: অপহরণকারী গ্রেফতার, ভিকটিম উদ্ধার
রাসিক প্রশাসকের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ, উন্নয়ন ও নাগরিক সেবায় গুরুত্ব
রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের (রাসিক) প্রশাসক মো. মাহফুজুর রহমান রিটনের সঙ্গে বিভিন্ন ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান ও সংগঠনের প্রতিনিধিদের এক গুরুত্বপূর্ণ সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (৫ মে) সকালে নগর ভবনে আয়োজিত এ সৌজন্য সাক্ষাৎ নগরীর উন্নয়ন ও নাগরিক সেবার বিভিন্ন বিষয়কে সামনে এনে এক কার্যকর আলোচনা প্ল্যাটফর্ম তৈরি করে। এতে অংশ নেওয়া প্রতিনিধিরা নগর ব্যবস্থাপনা, ব্যবসা-বাণিজ্য এবং সামাজিক উন্নয়ন সংক্রান্ত নানা বিষয়ে তাদের মতামত তুলে ধরেন।
এই সৌজন্য সাক্ষাৎ-এ উপস্থিত ছিলেন নিউ মার্কেট মসজিদ কমিটির সভাপতি মো. নূর কুতুবউদ্দীন মনু এবং সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হক হারুসহ অন্যান্য সদস্যরা। এছাড়া বিসিক রাজশাহী জেলা কার্যালয়ের উপ-মহা ব্যবস্থাপক রফিকুল ইসলামসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা অংশগ্রহণ করেন। ব্যাংকিং খাত থেকেও উপস্থিত ছিলেন জনতা ব্যাংক হেতেমখাঁ শাখার ম্যানেজার মো. মিনহাজ উদ্দীন, কর্মকর্তা মো. আসাদুজ্জামান, জনতা ব্যাংক মহিলা শাখার জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা জেসমিন আরা এবং এনআরবি ব্যাংকের রাজশাহী শাখার হেড আইজ্যাক নিউটন।
সাক্ষাৎকালে বিভিন্ন সংগঠনের প্রতিনিধিরা প্রশাসককে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান এবং নগরীর চলমান উন্নয়ন কার্যক্রমে সন্তোষ প্রকাশ করেন। একইসঙ্গে তারা নাগরিক সেবা আরও সহজলভ্য করা, যানজট নিরসন, ফুটপাত ব্যবস্থাপনা এবং ব্যবসায়িক পরিবেশ উন্নয়নের বিষয়ে বিভিন্ন প্রস্তাব উপস্থাপন করেন। বিশেষ করে লক্ষ্মীপুর এলাকার ফুটপাত ব্যবসায়ীরা তাদের জীবিকা রক্ষায় সহনশীল নীতিমালা প্রণয়নের আহ্বান জানান, যা এ সৌজন্য সাক্ষাৎ-এর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ আলোচ্য বিষয় হয়ে ওঠে।
প্রশাসক মো. মাহফুজুর রহমান রিটন বক্তব্যে বলেন, রাজশাহীকে একটি আধুনিক, বাসযোগ্য ও ব্যবসাবান্ধব নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে সিটি কর্পোরেশন নিরলসভাবে কাজ করছে। তিনি বলেন, নাগরিকদের প্রত্যাশা পূরণে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা হবে এবং সব শ্রেণি-পেশার মানুষের মতামত গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হবে। এ ধরনের সৌজন্য সাক্ষাৎ ভবিষ্যতে নিয়মিত আয়োজন করা হবে বলেও তিনি আশ্বাস দেন।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, নগর উন্নয়নের ক্ষেত্রে সরকারি সংস্থার পাশাপাশি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, ব্যবসায়ী ও সাধারণ নাগরিকদের সম্মিলিত উদ্যোগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নগরীর সার্বিক উন্নয়নে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, পরিকল্পিত উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়নে সবার সহযোগিতা প্রয়োজন।
এই সৌজন্য সাক্ষাৎ রাজশাহীর নাগরিকদের মধ্যে ইতিবাচক প্রত্যাশা তৈরি করেছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। তারা আশা করছেন, এ ধরনের উদ্যোগ ভবিষ্যতে আরও শক্তিশালী যোগাযোগ ও সমন্বয়ের পথ তৈরি করবে, যা নগরীর টেকসই উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
আরোও পড়ুন – রাজশাহী-ঢাকা-চট্টগ্রাম অভিযান: অপহরণকারী গ্রেফতার, ভিকটিম উদ্ধার