মো মানিক হোসেন নিরব, প্রতিনিধি , আটোয়ারী উপজেলাঃ
আটোয়ারী উপজেলার সাতপাখি দক্ষিণ দুর্গাপুর এলাকার দীর্ঘদিনের অবহেলিত একটি কাঁচা রাস্তা বর্তমানে স্থানীয় জনগণের জন্য চরম ভোগান্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। বছরের পর বছর সংস্কার না হওয়ায় রাস্তাটির অবস্থা এতটাই খারাপ হয়ে গেছে যে, সামান্য বৃষ্টিতেই এটি চলাচলের সম্পূর্ণ অনুপযোগী হয়ে পড়ে। ফলে প্রতিদিন এই কাঁচা রাস্তা ব্যবহারকারী হাজারো মানুষকে পড়তে হচ্ছে চরম দুর্ভোগে, বিশেষ করে কৃষক ও শিক্ষার্থীরা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।
সরেজমিনে দেখা যায়, সাতপাখি দক্ষিণ দুর্গাপুর এলাকার এই কাঁচা রাস্তা জুড়ে বড় বড় গর্ত তৈরি হয়েছে। বর্ষা মৌসুমে এসব গর্তে পানি জমে কাদা-পানির এক ভয়াবহ পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়। ফলে ভ্যান, অটোরিকশা এমনকি বাইসাইকেল চলাচলও প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়ে। অনেক সময় সাধারণ মানুষকে পায়ে হেঁটেও চলতে গিয়ে পড়ে যেতে হয়, যা এলাকাবাসীর দৈনন্দিন জীবনে বড় ধরনের সমস্যা তৈরি করছে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, এই কাঁচা রাস্তা দিয়ে প্রতিদিন স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসার শত শত শিক্ষার্থী যাতায়াত করে। বর্ষাকালে তাদের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পৌঁছানো কঠিন হয়ে পড়ে। একই সঙ্গে কৃষিপণ্যের পরিবহনও মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। কৃষকরা তাদের উৎপাদিত ফসল বাজারে নিতে গিয়ে বাড়তি খরচ ও সময় ব্যয় করতে বাধ্য হচ্ছেন, যা তাদের আর্থিক ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
একজন স্থানীয় বাসিন্দা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “নির্বাচনের সময় সবাই এই কাঁচা রাস্তা পাকা করার প্রতিশ্রুতি দেয়, কিন্তু পরে আর কেউ খোঁজ নেয় না। বর্ষাকালে পুরো এলাকা প্রায় বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। আমরা দীর্ঘদিন ধরে এই ভোগান্তি সহ্য করছি।” তার মতে, দ্রুত এই রাস্তা সংস্কার না হলে এলাকাবাসীর দুর্ভোগ আরও বাড়বে।
এলাকাবাসীর দাবি, এই গুরুত্বপূর্ণ কাঁচা রাস্তা দ্রুত পাকা করা অথবা টেকসইভাবে সংস্কার করা প্রয়োজন। বিশেষ করে কৃষি ও শিক্ষার্থীদের যাতায়াতের সুবিধা নিশ্চিত করতে দ্রুত প্রশাসনিক উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তারা। স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও প্রশাসনের হস্তক্ষেপ ছাড়া এই সমস্যা সমাধান সম্ভব নয় বলেও মনে করছেন এলাকাবাসী।
আরোও পড়ুন – নাগেশ্বরীতে ধান কাটতে গিয়ে বজ্রপাতে কৃষকের মর্মান্তিক মৃত্যু
আটোয়ারীতে কাঁচা রাস্তার বেহাল দশা: দুর্ভোগে কয়েক হাজার মানুষ
মো মানিক হোসেন নিরব, প্রতিনিধি , আটোয়ারী উপজেলাঃ
আটোয়ারী উপজেলার সাতপাখি দক্ষিণ দুর্গাপুর এলাকার দীর্ঘদিনের অবহেলিত একটি কাঁচা রাস্তা বর্তমানে স্থানীয় জনগণের জন্য চরম ভোগান্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। বছরের পর বছর সংস্কার না হওয়ায় রাস্তাটির অবস্থা এতটাই খারাপ হয়ে গেছে যে, সামান্য বৃষ্টিতেই এটি চলাচলের সম্পূর্ণ অনুপযোগী হয়ে পড়ে। ফলে প্রতিদিন এই কাঁচা রাস্তা ব্যবহারকারী হাজারো মানুষকে পড়তে হচ্ছে চরম দুর্ভোগে, বিশেষ করে কৃষক ও শিক্ষার্থীরা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।
সরেজমিনে দেখা যায়, সাতপাখি দক্ষিণ দুর্গাপুর এলাকার এই কাঁচা রাস্তা জুড়ে বড় বড় গর্ত তৈরি হয়েছে। বর্ষা মৌসুমে এসব গর্তে পানি জমে কাদা-পানির এক ভয়াবহ পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়। ফলে ভ্যান, অটোরিকশা এমনকি বাইসাইকেল চলাচলও প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়ে। অনেক সময় সাধারণ মানুষকে পায়ে হেঁটেও চলতে গিয়ে পড়ে যেতে হয়, যা এলাকাবাসীর দৈনন্দিন জীবনে বড় ধরনের সমস্যা তৈরি করছে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, এই কাঁচা রাস্তা দিয়ে প্রতিদিন স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসার শত শত শিক্ষার্থী যাতায়াত করে। বর্ষাকালে তাদের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পৌঁছানো কঠিন হয়ে পড়ে। একই সঙ্গে কৃষিপণ্যের পরিবহনও মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। কৃষকরা তাদের উৎপাদিত ফসল বাজারে নিতে গিয়ে বাড়তি খরচ ও সময় ব্যয় করতে বাধ্য হচ্ছেন, যা তাদের আর্থিক ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
একজন স্থানীয় বাসিন্দা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “নির্বাচনের সময় সবাই এই কাঁচা রাস্তা পাকা করার প্রতিশ্রুতি দেয়, কিন্তু পরে আর কেউ খোঁজ নেয় না। বর্ষাকালে পুরো এলাকা প্রায় বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। আমরা দীর্ঘদিন ধরে এই ভোগান্তি সহ্য করছি।” তার মতে, দ্রুত এই রাস্তা সংস্কার না হলে এলাকাবাসীর দুর্ভোগ আরও বাড়বে।
এলাকাবাসীর দাবি, এই গুরুত্বপূর্ণ কাঁচা রাস্তা দ্রুত পাকা করা অথবা টেকসইভাবে সংস্কার করা প্রয়োজন। বিশেষ করে কৃষি ও শিক্ষার্থীদের যাতায়াতের সুবিধা নিশ্চিত করতে দ্রুত প্রশাসনিক উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তারা। স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও প্রশাসনের হস্তক্ষেপ ছাড়া এই সমস্যা সমাধান সম্ভব নয় বলেও মনে করছেন এলাকাবাসী।
আরোও পড়ুন – নাগেশ্বরীতে ধান কাটতে গিয়ে বজ্রপাতে কৃষকের মর্মান্তিক মৃত্যু