মো: ইলিয়াস চৌধুরী, কালিয়াকৈর প্রতিনিধি:
গাজীপুরের শিল্পাঞ্চল কালিয়াকৈরের বিভিন্ন হাট-বাজার ও অলিগলির দোকানে কাঁচা পেঁপে রাসায়নিক ব্যবহার করে কৃত্রিমভাবে পাকানোর অভিযোগ উঠেছে। দ্রুত ফল পাকিয়ে বাজারজাত করার মাধ্যমে অধিক মুনাফা অর্জনের চেষ্টা করছেন বলে অভিযোগ রয়েছে একশ্রেণির অসাধু ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে। এতে ফলের স্বাভাবিক গুণগত মান ও নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। পুষ্টিকর ফল কিনতে এসে ক্রেতারা যেন অজান্তেই স্বাস্থ্যঝুঁকিতে না পড়েন, সে জন্য বাজার তদারকি জোরদার করার দাবি উঠেছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিয়মিত নজরদারি ও প্রয়োজনীয় পরীক্ষা ছাড়া এসব অভিযোগের প্রকৃত ব্যাপকতা নির্ধারণ করা সম্ভব নয়।
বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) কালিয়াকৈর সদর বাজার, চন্দ্রা ত্রিমোড়, সফিপুর বাজার ও মৌচাক বাসস্ট্যান্ড এলাকার ফলের দোকান ঘুরে এ বিষয়ে উদ্বেগজনক চিত্র পাওয়া গেছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। অভিযোগ অনুযায়ী, কিছু দোকানে কাঁচা ও আধাপাকা পেঁপে স্তূপ করে রাখা হয় এবং দ্রুত পাকানোর জন্য রাসায়নিক ব্যবহারের আশঙ্কা রয়েছে। তবে কোন দোকানে কী রাসায়নিক ব্যবহার করা হচ্ছে, তা পরীক্ষার মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া জরুরি। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট দোকানিদের বক্তব্য, নমুনা পরীক্ষার ফলাফল কিংবা প্রশাসনের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া গেলে অভিযোগের সত্যতা আরও স্পষ্ট হবে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, বাজারে পেঁপের বাহ্যিক রং ও আকর্ষণীয় চেহারা দেখে অনেক ক্রেতা ফল কিনছেন। কিন্তু বাইরে থেকে হলুদ বা পাকা দেখালেই ফলটি স্বাভাবিকভাবে পেকেছে, এমন নিশ্চয়তা নেই। অনিয়ন্ত্রিতভাবে পাকানোর প্রক্রিয়ায় ফলের বাইরের রং ও ভেতরের পরিপক্বতার মধ্যে পার্থক্য থাকতে পারে। ফলে শুধু রং, আকার কিংবা বাহ্যিক সৌন্দর্য দেখে ফলের নিরাপত্তা নির্ধারণ করা কঠিন। কেমিক্যালে পেঁপে পাকানো হচ্ছে কি না, তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে নমুনা সংগ্রহ, পরীক্ষাগারে বিশ্লেষণ এবং বিক্রয়প্রক্রিয়া পরিদর্শন করা দরকার।
ফল দ্রুত পাকানোর ক্ষেত্রে ক্যালসিয়াম কার্বাইডের অননুমোদিত ব্যবহার জনস্বাস্থ্যের জন্য উদ্বেগের বিষয়। এ রাসায়নিকের বাণিজ্যিক মানের উপাদানে আর্সেনিক ও ফসফরাসজাত ক্ষতিকর অমিশ্রণ থাকতে পারে। এর সংস্পর্শে আসা বা অনিরাপদভাবে ব্যবহৃত ফলের মাধ্যমে এসব দূষকের ঝুঁকি তৈরি হতে পারে। তবে কোনো নির্দিষ্ট পেঁপেতে ক্ষতিকর রাসায়নিক রয়েছে কি না, তা কেবল চেহারা দেখে নিশ্চিত করা যায় না। নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে বৈজ্ঞানিক পরীক্ষা, স্বাস্থ্যবিধি মেনে ফল সংরক্ষণ এবং অনুমোদিত পদ্ধতিতে পাকানোর ব্যবস্থা গুরুত্বপূর্ণ।
বাজার করতে আসা বেসরকারি চাকরিজীবী মো. রফিকুল ইসলাম ও ক্রেতা ফাতেমা বেগম এ ধরনের অভিযোগে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তাঁদের ভাষ্য, সাধারণ মানুষ পরিবারের সদস্যদের জন্য পুষ্টিকর ফল কিনতে বাজারে আসেন। কিন্তু ফল পাকানোর প্রক্রিয়া সম্পর্কে পর্যাপ্ত তথ্য না থাকায় অনেক সময় তাঁরা নিশ্চিত হতে পারেন না যে কেনা ফলটি নিরাপদ কি না। তাঁদের মতে, ফল বিক্রেতাদের জবাবদিহির আওতায় আনা এবং বাজারে নিয়মিত তদারকি নিশ্চিত করা জরুরি। বিশেষ করে শিশু ও বয়স্কদের জন্য নিরাপদ খাবার নিশ্চিত করতে ফলের গুণগত মান যাচাইয়ে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. সাদিয়া তাসনিম মুনমুনের বরাত দিয়ে জানানো হয়েছে, কার্বাইডের মতো ক্ষতিকর রাসায়নিক ব্যবহার করে পাকানো ফল স্বাস্থ্যের জন্য বিপজ্জনক হতে পারে। এ ধরনের অনিরাপদ রাসায়নিকের সংস্পর্শে বিভিন্ন শারীরিক জটিলতার আশঙ্কা রয়েছে। তাই ফল পাকানোর ক্ষেত্রে নিরাপদ পদ্ধতি অনুসরণ এবং খাদ্যদূষণ প্রতিরোধে সচেতনতা জরুরি। তবে কোনো ব্যক্তির কিডনি, লিভার বা হৃদ্যন্ত্রের অসুস্থতার কারণ নির্ধারণে চিকিৎসকের মূল্যায়ন ও প্রয়োজনীয় পরীক্ষা দরকার; শুধু ফল খাওয়ার সঙ্গে সরাসরি সম্পর্ক ধরে নেওয়া ঠিক নয়।
এ পরিস্থিতিতে কেমিক্যালে পেঁপে পাকানো বন্ধে বাজারভিত্তিক তদারকি বাড়ানোর দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দা ও সচেতন মহল। তাঁদের মতে, ফলের আড়ত, পাইকারি বিক্রয়কেন্দ্র, সংরক্ষণাগার এবং খুচরা দোকান পর্যায়ে নিয়মিত পরিদর্শন করা প্রয়োজন। সন্দেহজনক ক্ষেত্রে ফলের নমুনা পরীক্ষা করে অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া গেলে প্রচলিত আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। পাশাপাশি ফল কোথা থেকে সংগ্রহ করা হচ্ছে, কীভাবে সংরক্ষণ করা হচ্ছে এবং কোন পদ্ধতিতে পাকানো হচ্ছে—এসব বিষয়েও ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে প্রয়োজনীয় তথ্য যাচাই করা যেতে পারে।
ক্রেতাদের সচেতনতার পাশাপাশি ব্যবসায়ীদের দায়িত্বশীল আচরণও নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করার গুরুত্বপূর্ণ অংশ। ফল কেনার সময় অতিরিক্ত অস্বাভাবিক রং, পচন, ক্ষত কিংবা অস্বাভাবিক গন্ধের মতো লক্ষণ খেয়াল করা যেতে পারে; তবে এসব লক্ষণ না থাকলেই ফল রাসায়নিকমুক্ত, এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া যাবে না। ফল পরিষ্কার পানিতে ভালোভাবে ধুয়ে খাওয়া উচিত। সন্দেহজনক ফল বিক্রির বিষয়ে সংশ্লিষ্ট নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ বা স্থানীয় প্রশাসনকে জানানো যেতে পারে।
কালিয়াকৈরের বাজারগুলোতে অভিযোগের সত্যতা যাচাই, নিয়মিত অভিযান এবং পরীক্ষার ফল অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ এখন গুরুত্বপূর্ণ দাবি হয়ে উঠেছে। কেমিক্যালে পেঁপে পাকানো নিয়ে জনমনে তৈরি হওয়া উদ্বেগ দূর করতে প্রশাসন, স্বাস্থ্য বিভাগ ও খাদ্যনিরাপত্তা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন। অভিযোগ প্রমাণিত হলে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি নিরাপদ পদ্ধতিতে ফল পাকানো ও বাজারজাতকরণে ব্যবসায়ীদের উৎসাহিত করতে হবে। এতে ক্রেতাদের আস্থা বাড়বে এবং জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় কার্যকর ভূমিকা রাখা সম্ভব হবে।
আরোও পড়ুন – চার দেশের রাষ্ট্রদূতের নজর কাড়ল আনসার-ভিডিপির কুটিরশিল্প
কালিয়াকৈরে কেমিক্যালে পেঁপে পাকানো, স্বাস্থ্যঝুঁকিতে ক্রেতারা
মো: ইলিয়াস চৌধুরী, কালিয়াকৈর প্রতিনিধি:
গাজীপুরের শিল্পাঞ্চল কালিয়াকৈরের বিভিন্ন হাট-বাজার ও অলিগলির দোকানে কাঁচা পেঁপে রাসায়নিক ব্যবহার করে কৃত্রিমভাবে পাকানোর অভিযোগ উঠেছে। দ্রুত ফল পাকিয়ে বাজারজাত করার মাধ্যমে অধিক মুনাফা অর্জনের চেষ্টা করছেন বলে অভিযোগ রয়েছে একশ্রেণির অসাধু ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে। এতে ফলের স্বাভাবিক গুণগত মান ও নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। পুষ্টিকর ফল কিনতে এসে ক্রেতারা যেন অজান্তেই স্বাস্থ্যঝুঁকিতে না পড়েন, সে জন্য বাজার তদারকি জোরদার করার দাবি উঠেছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিয়মিত নজরদারি ও প্রয়োজনীয় পরীক্ষা ছাড়া এসব অভিযোগের প্রকৃত ব্যাপকতা নির্ধারণ করা সম্ভব নয়।
বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) কালিয়াকৈর সদর বাজার, চন্দ্রা ত্রিমোড়, সফিপুর বাজার ও মৌচাক বাসস্ট্যান্ড এলাকার ফলের দোকান ঘুরে এ বিষয়ে উদ্বেগজনক চিত্র পাওয়া গেছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। অভিযোগ অনুযায়ী, কিছু দোকানে কাঁচা ও আধাপাকা পেঁপে স্তূপ করে রাখা হয় এবং দ্রুত পাকানোর জন্য রাসায়নিক ব্যবহারের আশঙ্কা রয়েছে। তবে কোন দোকানে কী রাসায়নিক ব্যবহার করা হচ্ছে, তা পরীক্ষার মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া জরুরি। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট দোকানিদের বক্তব্য, নমুনা পরীক্ষার ফলাফল কিংবা প্রশাসনের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া গেলে অভিযোগের সত্যতা আরও স্পষ্ট হবে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, বাজারে পেঁপের বাহ্যিক রং ও আকর্ষণীয় চেহারা দেখে অনেক ক্রেতা ফল কিনছেন। কিন্তু বাইরে থেকে হলুদ বা পাকা দেখালেই ফলটি স্বাভাবিকভাবে পেকেছে, এমন নিশ্চয়তা নেই। অনিয়ন্ত্রিতভাবে পাকানোর প্রক্রিয়ায় ফলের বাইরের রং ও ভেতরের পরিপক্বতার মধ্যে পার্থক্য থাকতে পারে। ফলে শুধু রং, আকার কিংবা বাহ্যিক সৌন্দর্য দেখে ফলের নিরাপত্তা নির্ধারণ করা কঠিন। কেমিক্যালে পেঁপে পাকানো হচ্ছে কি না, তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে নমুনা সংগ্রহ, পরীক্ষাগারে বিশ্লেষণ এবং বিক্রয়প্রক্রিয়া পরিদর্শন করা দরকার।
ফল দ্রুত পাকানোর ক্ষেত্রে ক্যালসিয়াম কার্বাইডের অননুমোদিত ব্যবহার জনস্বাস্থ্যের জন্য উদ্বেগের বিষয়। এ রাসায়নিকের বাণিজ্যিক মানের উপাদানে আর্সেনিক ও ফসফরাসজাত ক্ষতিকর অমিশ্রণ থাকতে পারে। এর সংস্পর্শে আসা বা অনিরাপদভাবে ব্যবহৃত ফলের মাধ্যমে এসব দূষকের ঝুঁকি তৈরি হতে পারে। তবে কোনো নির্দিষ্ট পেঁপেতে ক্ষতিকর রাসায়নিক রয়েছে কি না, তা কেবল চেহারা দেখে নিশ্চিত করা যায় না। নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে বৈজ্ঞানিক পরীক্ষা, স্বাস্থ্যবিধি মেনে ফল সংরক্ষণ এবং অনুমোদিত পদ্ধতিতে পাকানোর ব্যবস্থা গুরুত্বপূর্ণ।
বাজার করতে আসা বেসরকারি চাকরিজীবী মো. রফিকুল ইসলাম ও ক্রেতা ফাতেমা বেগম এ ধরনের অভিযোগে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তাঁদের ভাষ্য, সাধারণ মানুষ পরিবারের সদস্যদের জন্য পুষ্টিকর ফল কিনতে বাজারে আসেন। কিন্তু ফল পাকানোর প্রক্রিয়া সম্পর্কে পর্যাপ্ত তথ্য না থাকায় অনেক সময় তাঁরা নিশ্চিত হতে পারেন না যে কেনা ফলটি নিরাপদ কি না। তাঁদের মতে, ফল বিক্রেতাদের জবাবদিহির আওতায় আনা এবং বাজারে নিয়মিত তদারকি নিশ্চিত করা জরুরি। বিশেষ করে শিশু ও বয়স্কদের জন্য নিরাপদ খাবার নিশ্চিত করতে ফলের গুণগত মান যাচাইয়ে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. সাদিয়া তাসনিম মুনমুনের বরাত দিয়ে জানানো হয়েছে, কার্বাইডের মতো ক্ষতিকর রাসায়নিক ব্যবহার করে পাকানো ফল স্বাস্থ্যের জন্য বিপজ্জনক হতে পারে। এ ধরনের অনিরাপদ রাসায়নিকের সংস্পর্শে বিভিন্ন শারীরিক জটিলতার আশঙ্কা রয়েছে। তাই ফল পাকানোর ক্ষেত্রে নিরাপদ পদ্ধতি অনুসরণ এবং খাদ্যদূষণ প্রতিরোধে সচেতনতা জরুরি। তবে কোনো ব্যক্তির কিডনি, লিভার বা হৃদ্যন্ত্রের অসুস্থতার কারণ নির্ধারণে চিকিৎসকের মূল্যায়ন ও প্রয়োজনীয় পরীক্ষা দরকার; শুধু ফল খাওয়ার সঙ্গে সরাসরি সম্পর্ক ধরে নেওয়া ঠিক নয়।
এ পরিস্থিতিতে কেমিক্যালে পেঁপে পাকানো বন্ধে বাজারভিত্তিক তদারকি বাড়ানোর দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দা ও সচেতন মহল। তাঁদের মতে, ফলের আড়ত, পাইকারি বিক্রয়কেন্দ্র, সংরক্ষণাগার এবং খুচরা দোকান পর্যায়ে নিয়মিত পরিদর্শন করা প্রয়োজন। সন্দেহজনক ক্ষেত্রে ফলের নমুনা পরীক্ষা করে অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া গেলে প্রচলিত আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। পাশাপাশি ফল কোথা থেকে সংগ্রহ করা হচ্ছে, কীভাবে সংরক্ষণ করা হচ্ছে এবং কোন পদ্ধতিতে পাকানো হচ্ছে—এসব বিষয়েও ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে প্রয়োজনীয় তথ্য যাচাই করা যেতে পারে।
ক্রেতাদের সচেতনতার পাশাপাশি ব্যবসায়ীদের দায়িত্বশীল আচরণও নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করার গুরুত্বপূর্ণ অংশ। ফল কেনার সময় অতিরিক্ত অস্বাভাবিক রং, পচন, ক্ষত কিংবা অস্বাভাবিক গন্ধের মতো লক্ষণ খেয়াল করা যেতে পারে; তবে এসব লক্ষণ না থাকলেই ফল রাসায়নিকমুক্ত, এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া যাবে না। ফল পরিষ্কার পানিতে ভালোভাবে ধুয়ে খাওয়া উচিত। সন্দেহজনক ফল বিক্রির বিষয়ে সংশ্লিষ্ট নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ বা স্থানীয় প্রশাসনকে জানানো যেতে পারে।
কালিয়াকৈরের বাজারগুলোতে অভিযোগের সত্যতা যাচাই, নিয়মিত অভিযান এবং পরীক্ষার ফল অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ এখন গুরুত্বপূর্ণ দাবি হয়ে উঠেছে। কেমিক্যালে পেঁপে পাকানো নিয়ে জনমনে তৈরি হওয়া উদ্বেগ দূর করতে প্রশাসন, স্বাস্থ্য বিভাগ ও খাদ্যনিরাপত্তা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন। অভিযোগ প্রমাণিত হলে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি নিরাপদ পদ্ধতিতে ফল পাকানো ও বাজারজাতকরণে ব্যবসায়ীদের উৎসাহিত করতে হবে। এতে ক্রেতাদের আস্থা বাড়বে এবং জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় কার্যকর ভূমিকা রাখা সম্ভব হবে।
আরোও পড়ুন – চার দেশের রাষ্ট্রদূতের নজর কাড়ল আনসার-ভিডিপির কুটিরশিল্প