ময়মনসিংহ (ভালুকা) প্রতিনিধিঃ
ময়মনসিংহের ভালুকায় বকেয়া বেতন ও ছুটির টাকা পরিশোধের দাবিতে শেফার্ড গ্রুপ-এর একটি কারখানার শ্রমিকরা ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছেন।
শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৮টা থেকে ভালুকা এলাকায় অবস্থিত শেফার্ড (গ্রুপ) জিন্স লিমিটেড কারখানার শ্রমিকরা মহাসড়কে অবস্থান নেন।
বকেয়া বেতন ও ছুটির টাকার দাবিতে শ্রমিকদের ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক অবরোধ
শ্রমিকদের অভিযোগ, এক মাসের বকেয়া বেতন ও ছুটির টাকা পরিশোধ না করেই কোনো ধরনের পূর্ব নোটিশ ছাড়াই কারখানা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। এতে তারা চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়েন। এর প্রতিবাদে তারা ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ শুরু করেন।
শ্রমিকদের অবরোধের কারণে প্রায় দেড় ঘণ্টা মহাসড়কের উভয় পাশে যান চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ থাকে। এতে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়। ভোগান্তিতে পড়েন দূরপাল্লার যাত্রী, কর্মজীবী মানুষ ও বিভিন্ন পণ্যবাহী পরিবহন।
খবর পেয়ে বাংলাদেশ পুলিশ ও ইন্ডাস্ট্রিয়াল পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে। পরে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী-এর সদস্যরাও কারখানা কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনায় অংশ নেন।
আলোচনার একপর্যায়ে শ্রমিকদের বকেয়া পরিশোধসহ দাবি মেনে নেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হলে তারা অবরোধ প্রত্যাহার করেন। এরপর মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।
আরোও পড়ুন- শরীফ ওসমান হাদি হত্যার বিচারের দাবিতে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ
ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক অবরোধ করে শেফার্ড গ্রুপের শ্রমিকদের বিক্ষোভ
ময়মনসিংহ (ভালুকা) প্রতিনিধিঃ
ময়মনসিংহের ভালুকায় বকেয়া বেতন ও ছুটির টাকা পরিশোধের দাবিতে শেফার্ড গ্রুপ-এর একটি কারখানার শ্রমিকরা ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছেন।
শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৮টা থেকে ভালুকা এলাকায় অবস্থিত শেফার্ড (গ্রুপ) জিন্স লিমিটেড কারখানার শ্রমিকরা মহাসড়কে অবস্থান নেন।
বকেয়া বেতন ও ছুটির টাকার দাবিতে শ্রমিকদের ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক অবরোধ
শ্রমিকদের অভিযোগ, এক মাসের বকেয়া বেতন ও ছুটির টাকা পরিশোধ না করেই কোনো ধরনের পূর্ব নোটিশ ছাড়াই কারখানা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। এতে তারা চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়েন। এর প্রতিবাদে তারা ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ শুরু করেন।
শ্রমিকদের অবরোধের কারণে প্রায় দেড় ঘণ্টা মহাসড়কের উভয় পাশে যান চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ থাকে। এতে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়। ভোগান্তিতে পড়েন দূরপাল্লার যাত্রী, কর্মজীবী মানুষ ও বিভিন্ন পণ্যবাহী পরিবহন।
খবর পেয়ে বাংলাদেশ পুলিশ ও ইন্ডাস্ট্রিয়াল পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে। পরে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী-এর সদস্যরাও কারখানা কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনায় অংশ নেন।
আলোচনার একপর্যায়ে শ্রমিকদের বকেয়া পরিশোধসহ দাবি মেনে নেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হলে তারা অবরোধ প্রত্যাহার করেন। এরপর মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।
আরোও পড়ুন- শরীফ ওসমান হাদি হত্যার বিচারের দাবিতে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ