নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
শরীফ ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডের বিচার দ্রুত নিশ্চিত করার দাবিতে রোববার (২৮ ডিসেম্বর) বিকেলে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের নারায়ণগঞ্জের সাইনবোর্ড এলাকায় অবরোধ কর্মসূচি পালন করেছে ছাত্র-জনতা। এ কর্মসূচির ফলে মহাসড়কের উভয় লেনে যান চলাচল বন্ধ হয়ে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়। এতে সাধারণ যাত্রী, কর্মস্থলগামী মানুষ ও দূরপাল্লার যানবাহনের চালকরা চরম ভোগান্তিতে পড়েন।
রোববার (২৮ ডিসেম্বর) বিকাল আনুমানিক ৩টার দিকে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী, সামাজিক ও রাজনৈতিক সংগঠনের কর্মীরা একত্রিত হয়ে সাইনবোর্ড এলাকায় মহাসড়কের ওপর অবস্থান নেন। সরেজমিনে দেখা যায়, প্রায় ৪০ থেকে ৪৫ জন আন্দোলনকারী সড়কের গুরুত্বপূর্ণ অংশে জড়ো হয়ে শরীফ ওসমান হাদি হত্যার বিচার দাবিতে স্লোগান দেন। অবরোধ চলাকালে জরুরি সেবার বিষয়টি বিবেচনায় রেখে কেবল অ্যাম্বুলেন্স চলাচলের সুযোগ রাখা হলেও অন্যান্য যানবাহন আটকে দেওয়া হয়।
আন্দোলনকারীদের দাবি, দীর্ঘ সময় অতিবাহিত হলেও শরীফ ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডের তদন্ত ও বিচারিক প্রক্রিয়ায় দৃশ্যমান অগ্রগতি নেই। এতে জনমনে হতাশা ও ক্ষোভ তৈরি হয়েছে। তারা মনে করেন, বিচারহীনতার সংস্কৃতি অব্যাহত থাকলে এ ধরনের সহিংসতা আরও বাড়বে এবং সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা হুমকির মুখে পড়বে।
অবরোধ চলাকালে আন্দোলনকারীদের স্লোগানে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নাম উঠে আসে। আন্দোলনকারীরা বলেন, রাজনৈতিক প্রভাব ও দীর্ঘদিনের বিচারহীনতার কারণে দেশে সহিংস ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটছে। তাদের মতে, গণতান্ত্রিক অধিকার ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় রাজনৈতিক দায়বদ্ধতা নিশ্চিত করা জরুরি।
আন্দোলনে উপস্থিত জাতীয় যুবশক্তির কেন্দ্রীয় সংগঠক নীরব রায়হান জানান, ইনকিলাব মঞ্চের ডাকা বিভাগীয় কর্মসূচির প্রতি সংহতি জানিয়ে নারায়ণগঞ্জের ছাত্র-জনতা রাজপথে নেমেছে। তিনি বলেন, শরীফ ওসমান হাদি হত্যার বিচার নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত শান্তিপূর্ণ আন্দোলন অব্যাহত থাকবে।
স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, অবরোধের কারণে সাইনবোর্ড থেকে কাঁচপুর ও আশপাশের এলাকায় যানবাহনের দীর্ঘ সারি তৈরি হয়। বাস, ট্রাক ও ব্যক্তিগত গাড়ি ঘণ্টার পর ঘণ্টা আটকে থাকতে দেখা যায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে সতর্ক অবস্থানে ছিলেন।
উল্লেখ্য, গত ১২ ডিসেম্বর রাজধানীর বিজয়নগর এলাকায় সন্ত্রাসী হামলায় গুলিবিদ্ধ হন ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরীফ ওসমান হাদি। গুরুতর আহত অবস্থায় চিকিৎসাধীন থাকার পর ১৮ ডিসেম্বর তিনি মৃত্যুবরণ করেন। এ ঘটনার পর থেকেই বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠন হত্যার বিচার দাবিতে ধারাবাহিক কর্মসূচি পালন করে আসছে।
শরীফ ওসমান হাদি হত্যার বিচারের দাবিতে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ
নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
শরীফ ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডের বিচার দ্রুত নিশ্চিত করার দাবিতে রোববার (২৮ ডিসেম্বর) বিকেলে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের নারায়ণগঞ্জের সাইনবোর্ড এলাকায় অবরোধ কর্মসূচি পালন করেছে ছাত্র-জনতা। এ কর্মসূচির ফলে মহাসড়কের উভয় লেনে যান চলাচল বন্ধ হয়ে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়। এতে সাধারণ যাত্রী, কর্মস্থলগামী মানুষ ও দূরপাল্লার যানবাহনের চালকরা চরম ভোগান্তিতে পড়েন।
রোববার (২৮ ডিসেম্বর) বিকাল আনুমানিক ৩টার দিকে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী, সামাজিক ও রাজনৈতিক সংগঠনের কর্মীরা একত্রিত হয়ে সাইনবোর্ড এলাকায় মহাসড়কের ওপর অবস্থান নেন। সরেজমিনে দেখা যায়, প্রায় ৪০ থেকে ৪৫ জন আন্দোলনকারী সড়কের গুরুত্বপূর্ণ অংশে জড়ো হয়ে শরীফ ওসমান হাদি হত্যার বিচার দাবিতে স্লোগান দেন। অবরোধ চলাকালে জরুরি সেবার বিষয়টি বিবেচনায় রেখে কেবল অ্যাম্বুলেন্স চলাচলের সুযোগ রাখা হলেও অন্যান্য যানবাহন আটকে দেওয়া হয়।
আন্দোলনকারীদের দাবি, দীর্ঘ সময় অতিবাহিত হলেও শরীফ ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডের তদন্ত ও বিচারিক প্রক্রিয়ায় দৃশ্যমান অগ্রগতি নেই। এতে জনমনে হতাশা ও ক্ষোভ তৈরি হয়েছে। তারা মনে করেন, বিচারহীনতার সংস্কৃতি অব্যাহত থাকলে এ ধরনের সহিংসতা আরও বাড়বে এবং সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা হুমকির মুখে পড়বে।
অবরোধ চলাকালে আন্দোলনকারীদের স্লোগানে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নাম উঠে আসে। আন্দোলনকারীরা বলেন, রাজনৈতিক প্রভাব ও দীর্ঘদিনের বিচারহীনতার কারণে দেশে সহিংস ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটছে। তাদের মতে, গণতান্ত্রিক অধিকার ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় রাজনৈতিক দায়বদ্ধতা নিশ্চিত করা জরুরি।
আন্দোলনে উপস্থিত জাতীয় যুবশক্তির কেন্দ্রীয় সংগঠক নীরব রায়হান জানান, ইনকিলাব মঞ্চের ডাকা বিভাগীয় কর্মসূচির প্রতি সংহতি জানিয়ে নারায়ণগঞ্জের ছাত্র-জনতা রাজপথে নেমেছে। তিনি বলেন, শরীফ ওসমান হাদি হত্যার বিচার নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত শান্তিপূর্ণ আন্দোলন অব্যাহত থাকবে।
স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, অবরোধের কারণে সাইনবোর্ড থেকে কাঁচপুর ও আশপাশের এলাকায় যানবাহনের দীর্ঘ সারি তৈরি হয়। বাস, ট্রাক ও ব্যক্তিগত গাড়ি ঘণ্টার পর ঘণ্টা আটকে থাকতে দেখা যায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে সতর্ক অবস্থানে ছিলেন।
উল্লেখ্য, গত ১২ ডিসেম্বর রাজধানীর বিজয়নগর এলাকায় সন্ত্রাসী হামলায় গুলিবিদ্ধ হন ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরীফ ওসমান হাদি। গুরুতর আহত অবস্থায় চিকিৎসাধীন থাকার পর ১৮ ডিসেম্বর তিনি মৃত্যুবরণ করেন। এ ঘটনার পর থেকেই বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠন হত্যার বিচার দাবিতে ধারাবাহিক কর্মসূচি পালন করে আসছে।