এস কে সামিউল ইসলাম, মেহেরপুর প্রতিনিধি
আজ ১৭ এপ্রিল, ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস। ১৯৭১ সালের এই দিনে মেহেরপুরের বৈদ্যনাথতলায় স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম সরকার শপথ গ্রহণ করে, যা ইতিহাসে মুজিবনগর সরকার হিসেবে পরিচিত। সেই ঐতিহাসিক ঘটনার ধারাবাহিকতায় প্রতি বছর দিনটি যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হয়ে আসছে। তবে এ বছর মুজিবনগর দিবস উপলক্ষে সরকারিভাবে কোনো কর্মসূচি গ্রহণ না করায় স্থানীয়দের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে।
এদিকে, সরকারি উদ্যোগ না থাকলেও মুজিবনগর দিবস উপলক্ষে স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধা ও মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ড কাউন্সিলের সদস্যরা নিজ উদ্যোগে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করেন। সকালে মুজিবনগর স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা, যারা স্বাধীনতার ইতিহাসের এই গুরুত্বপূর্ণ দিনটির তাৎপর্য তুলে ধরেন।
শ্রদ্ধা নিবেদন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা অবসরপ্রাপ্ত ক্যাপ্টেন আব্দুল মালেক, মুক্তিযোদ্ধা হাজী আহসান আলী খাঁন, মুজিবনগর উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সন্তান সংসদ কমান্ডের সভাপতি মোখলেছুর রহমান ও সাধারণ সম্পাদক খাইরুল ইসলামসহ অন্যান্য সদস্যরা। তারা বলেন, মুজিবনগর দিবস শুধু একটি দিবস নয়, এটি বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের এক গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক, যা জাতির জন্য গৌরবের।
বীর মুক্তিযোদ্ধা (অব.) ক্যাপ্টেন আব্দুল মালেক বলেন, “মুজিবনগর দিবস কোনো রাজনৈতিক দিবস নয়, এটি আমাদের স্বাধীনতার ইতিহাসের অবিচ্ছেদ্য অংশ। যে সরকারই ক্ষমতায় থাকুক না কেন, এই দিনটি রাষ্ট্রীয়ভাবে যথাযোগ্য মর্যাদায় পালন করা উচিত। কিন্তু এ বছর সরকারি কর্মসূচি না থাকায় আমরা ব্যথিত ও হতাশ।” তার এই বক্তব্যে উপস্থিত অনেকেই একাত্মতা প্রকাশ করেন।
এদিকে বিকেল ৩টার দিকে ঢাকাভিত্তিক ‘নাগরিক সমাজ’ নামের একটি সংগঠনের পক্ষ থেকেও মুজিবনগর স্মৃতিসৌধে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদনের কর্মসূচি রয়েছে। আয়োজকরা জানিয়েছেন, তারা এই মুজিবনগর দিবস উপলক্ষে স্বাধীনতার চেতনা নতুন প্রজন্মের মধ্যে ছড়িয়ে দিতে বিভিন্ন সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করবেন।
আরোও পড়ুন – কুড়িগ্রামে সময় টিভি প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন
মুজিবনগর দিবস ২০২৬: সরকারি কর্মসূচি ছাড়াই পালিত ঐতিহাসিক দিন
এস কে সামিউল ইসলাম, মেহেরপুর প্রতিনিধি
আজ ১৭ এপ্রিল, ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস। ১৯৭১ সালের এই দিনে মেহেরপুরের বৈদ্যনাথতলায় স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম সরকার শপথ গ্রহণ করে, যা ইতিহাসে মুজিবনগর সরকার হিসেবে পরিচিত। সেই ঐতিহাসিক ঘটনার ধারাবাহিকতায় প্রতি বছর দিনটি যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হয়ে আসছে। তবে এ বছর মুজিবনগর দিবস উপলক্ষে সরকারিভাবে কোনো কর্মসূচি গ্রহণ না করায় স্থানীয়দের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে।
এদিকে, সরকারি উদ্যোগ না থাকলেও মুজিবনগর দিবস উপলক্ষে স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধা ও মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ড কাউন্সিলের সদস্যরা নিজ উদ্যোগে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করেন। সকালে মুজিবনগর স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা, যারা স্বাধীনতার ইতিহাসের এই গুরুত্বপূর্ণ দিনটির তাৎপর্য তুলে ধরেন।
শ্রদ্ধা নিবেদন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা অবসরপ্রাপ্ত ক্যাপ্টেন আব্দুল মালেক, মুক্তিযোদ্ধা হাজী আহসান আলী খাঁন, মুজিবনগর উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সন্তান সংসদ কমান্ডের সভাপতি মোখলেছুর রহমান ও সাধারণ সম্পাদক খাইরুল ইসলামসহ অন্যান্য সদস্যরা। তারা বলেন, মুজিবনগর দিবস শুধু একটি দিবস নয়, এটি বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের এক গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক, যা জাতির জন্য গৌরবের।
বীর মুক্তিযোদ্ধা (অব.) ক্যাপ্টেন আব্দুল মালেক বলেন, “মুজিবনগর দিবস কোনো রাজনৈতিক দিবস নয়, এটি আমাদের স্বাধীনতার ইতিহাসের অবিচ্ছেদ্য অংশ। যে সরকারই ক্ষমতায় থাকুক না কেন, এই দিনটি রাষ্ট্রীয়ভাবে যথাযোগ্য মর্যাদায় পালন করা উচিত। কিন্তু এ বছর সরকারি কর্মসূচি না থাকায় আমরা ব্যথিত ও হতাশ।” তার এই বক্তব্যে উপস্থিত অনেকেই একাত্মতা প্রকাশ করেন।
এদিকে বিকেল ৩টার দিকে ঢাকাভিত্তিক ‘নাগরিক সমাজ’ নামের একটি সংগঠনের পক্ষ থেকেও মুজিবনগর স্মৃতিসৌধে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদনের কর্মসূচি রয়েছে। আয়োজকরা জানিয়েছেন, তারা এই মুজিবনগর দিবস উপলক্ষে স্বাধীনতার চেতনা নতুন প্রজন্মের মধ্যে ছড়িয়ে দিতে বিভিন্ন সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করবেন।
আরোও পড়ুন – কুড়িগ্রামে সময় টিভি প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন