নবাবগঞ্জে সোনালী ধান ঘরে তুলতে ব্যস্ত কৃষক, ঝড়-তুফান ও ফসল তলিয়ে যাওয়ার আতঙ্ক

মো ইয়াকুব আলী তালুকদার, স্টাফ রিপোর্টারঃ

নবাবগঞ্জে ধান কাটা মৌসুমে কৃষকেরা এখন এক ব্যস্ত ও উদ্বেগপূর্ণ সময় পার করছেন। মাঠজুড়ে সোনালী ধান পাকলেও তা ঘরে তোলার আগে ঝড়-বৃষ্টি ও নদীর পানির আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন তারা। কৃষকের দীর্ঘ পরিশ্রমে ফলানো এই সোনালী ধানই তাদের বছরের প্রধান আয়ের উৎস, কিন্তু প্রাকৃতিক দুর্যোগের শঙ্কা তাদের মনে গভীর দুশ্চিন্তা তৈরি করেছে।

নবাবগঞ্জে ধান কাটা মৌসুমে কৃষকের অক্লান্ত পরিশ্রম এখন চূড়ান্ত পর্যায়ে। মাঠে মাঠে দেখা যাচ্ছে কৃষকেরা সকাল থেকে রাত পর্যন্ত ধান কেটে ঘরে তোলার কাজে ব্যস্ত। তবে হঠাৎ ঝড়ো হাওয়া, মেঘের গর্জন এবং অনিয়মিত বৃষ্টিপাত তাদের কাজকে আরও কঠিন করে তুলেছে। অনেক কৃষক ভয় পাচ্ছেন, যে কোনো মুহূর্তে তাদের সোনালী ধান ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।

স্থানীয় কৃষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, নবাবগঞ্জে ধান কাটা মৌসুমে ইছামতী নদীর পানির জোয়ার বড় একটি সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। নদীর পানি উপচে অনেক নিচু জমিতে ঢুকে পড়ছে, যার ফলে কিছু জমিতে ইতোমধ্যেই হাঁটুপানি জমে গেছে। এতে অনেক কৃষকের ধান ক্ষেতে পড়ে গিয়ে আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবুও তারা থেমে নেই, জীবনের ঝুঁকি নিয়ে দ্রুত ধান কেটে ঘরে তুলছেন।

নবাবগঞ্জে ধান কাটা মৌসুমে সবচেয়ে বড় উদ্বেগের কারণ হলো আবহাওয়ার অনিশ্চয়তা। প্রতিদিনই আকাশে কালো মেঘ, হঠাৎ ঝড় এবং ভারী বৃষ্টিপাত কৃষকদের আতঙ্কিত করে তুলছে। অনেক কৃষক জানান, কয়েক দিনের দেরি হলেই পুরো ফসল পানিতে তলিয়ে যেতে পারে। তাই তারা পরিবার নিয়ে একযোগে মাঠে নেমে পড়েছেন ধান কাটার কাজে।

এই অঞ্চলের প্রধান অর্থনৈতিক ভিত্তি কৃষি, বিশেষ করে ধান চাষ। নবাবগঞ্জে ধান কাটা মৌসুমে কৃষকেরা সারা বছর ধরে যে পরিশ্রম করেন, তার ফলই এই সময় ঘরে তোলেন। কিন্তু এবার প্রকৃতির বিরূপ আচরণ তাদের স্বাভাবিক জীবনযাত্রায় বড় চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে। অনেক কৃষক ইতোমধ্যেই ক্ষতির মুখে পড়েছেন, তবে আশা ছাড়েননি তারা।

কৃষকেরা আল্লাহর কাছে দোয়া করছেন যেন তারা নিরাপদে ও ভালোভাবে নবাবগঞ্জে ধান কাটা সম্পন্ন করতে পারেন। মাঠে এখন শুধু পরিশ্রম আর আতঙ্কের মিশ্র দৃশ্য একদিকে সোনালী স্বপ্ন, অন্যদিকে ঝড়-তুফানের ভয়।

আরোও পড়ুন – তেল সংকটে থমকে গেছে কৃষি! দোহার-নবাবগঞ্জে সেচ বন্ধ, ধান উৎপাদন বিপর্যয়ের মুখে

নবাবগঞ্জে সোনালী ধান ঘরে তুলতে ব্যস্ত কৃষক, ঝড়-তুফান ও ফসল তলিয়ে যাওয়ার আতঙ্ক

মে ৫, ২০২৬

মো ইয়াকুব আলী তালুকদার, স্টাফ রিপোর্টারঃ

নবাবগঞ্জে ধান কাটা মৌসুমে কৃষকেরা এখন এক ব্যস্ত ও উদ্বেগপূর্ণ সময় পার করছেন। মাঠজুড়ে সোনালী ধান পাকলেও তা ঘরে তোলার আগে ঝড়-বৃষ্টি ও নদীর পানির আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন তারা। কৃষকের দীর্ঘ পরিশ্রমে ফলানো এই সোনালী ধানই তাদের বছরের প্রধান আয়ের উৎস, কিন্তু প্রাকৃতিক দুর্যোগের শঙ্কা তাদের মনে গভীর দুশ্চিন্তা তৈরি করেছে।

নবাবগঞ্জে ধান কাটা মৌসুমে কৃষকের অক্লান্ত পরিশ্রম এখন চূড়ান্ত পর্যায়ে। মাঠে মাঠে দেখা যাচ্ছে কৃষকেরা সকাল থেকে রাত পর্যন্ত ধান কেটে ঘরে তোলার কাজে ব্যস্ত। তবে হঠাৎ ঝড়ো হাওয়া, মেঘের গর্জন এবং অনিয়মিত বৃষ্টিপাত তাদের কাজকে আরও কঠিন করে তুলেছে। অনেক কৃষক ভয় পাচ্ছেন, যে কোনো মুহূর্তে তাদের সোনালী ধান ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।

স্থানীয় কৃষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, নবাবগঞ্জে ধান কাটা মৌসুমে ইছামতী নদীর পানির জোয়ার বড় একটি সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। নদীর পানি উপচে অনেক নিচু জমিতে ঢুকে পড়ছে, যার ফলে কিছু জমিতে ইতোমধ্যেই হাঁটুপানি জমে গেছে। এতে অনেক কৃষকের ধান ক্ষেতে পড়ে গিয়ে আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবুও তারা থেমে নেই, জীবনের ঝুঁকি নিয়ে দ্রুত ধান কেটে ঘরে তুলছেন।

নবাবগঞ্জে ধান কাটা মৌসুমে সবচেয়ে বড় উদ্বেগের কারণ হলো আবহাওয়ার অনিশ্চয়তা। প্রতিদিনই আকাশে কালো মেঘ, হঠাৎ ঝড় এবং ভারী বৃষ্টিপাত কৃষকদের আতঙ্কিত করে তুলছে। অনেক কৃষক জানান, কয়েক দিনের দেরি হলেই পুরো ফসল পানিতে তলিয়ে যেতে পারে। তাই তারা পরিবার নিয়ে একযোগে মাঠে নেমে পড়েছেন ধান কাটার কাজে।

এই অঞ্চলের প্রধান অর্থনৈতিক ভিত্তি কৃষি, বিশেষ করে ধান চাষ। নবাবগঞ্জে ধান কাটা মৌসুমে কৃষকেরা সারা বছর ধরে যে পরিশ্রম করেন, তার ফলই এই সময় ঘরে তোলেন। কিন্তু এবার প্রকৃতির বিরূপ আচরণ তাদের স্বাভাবিক জীবনযাত্রায় বড় চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে। অনেক কৃষক ইতোমধ্যেই ক্ষতির মুখে পড়েছেন, তবে আশা ছাড়েননি তারা।

কৃষকেরা আল্লাহর কাছে দোয়া করছেন যেন তারা নিরাপদে ও ভালোভাবে নবাবগঞ্জে ধান কাটা সম্পন্ন করতে পারেন। মাঠে এখন শুধু পরিশ্রম আর আতঙ্কের মিশ্র দৃশ্য একদিকে সোনালী স্বপ্ন, অন্যদিকে ঝড়-তুফানের ভয়।

আরোও পড়ুন – তেল সংকটে থমকে গেছে কৃষি! দোহার-নবাবগঞ্জে সেচ বন্ধ, ধান উৎপাদন বিপর্যয়ের মুখে