মোঃ নুর নবী, কুড়িগ্রাম প্রতিনিধিঃ
কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলায় রায়গঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়ে গাছ কাটা ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় তীব্র উত্তেজনা বিরাজ করছে। বিদ্যালয়ের প্রাঙ্গণে দীর্ঘদিন ধরে থাকা বিভিন্ন প্রজাতির প্রায় ৪০টি গাছ হঠাৎ করে কেটে ফেলার অভিযোগ ওঠায় স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ ও উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়েছে। পরিবেশবিদ ও সচেতন মহল বলছেন, এভাবে গাছ নিধন শুধু পরিবেশের ক্ষতিই করে না, বরং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য নেতিবাচক বার্তাও দেয়।
অভিযোগ রয়েছে, বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. নূরে আলম মজুমদারের নির্দেশে কোনো ধরনের প্রশাসনিক অনুমতি ছাড়াই এসব গাছ কাটা হয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, রায়গঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়ে গাছ কাটা প্রক্রিয়ায় সরকারি নিয়ম-নীতি মানা হয়নি এবং বিষয়টি যথাযথ কর্তৃপক্ষকে অবহিত না করেই সম্পন্ন করা হয়েছে। ফলে বিদ্যালয়ের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও পরিবেশগত ভারসাম্য মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তারা।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ১৬ এপ্রিল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দাখিল করা হয়েছে। অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, রায়গঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়ে গাছ কাটা ঘটনায় সরকারি সম্পদের অপচয় হয়েছে এবং এর সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন। এলাকাবাসীর ধারণা, কাটা গাছগুলোর আনুমানিক বাজারমূল্য ২০ লাখ টাকারও বেশি হতে পারে।
এ ঘটনায় বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী, অভিভাবক এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে তীব্র অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। অনেকেই বলছেন, একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ভেতরে এভাবে গাছ কাটা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। রায়গঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়ে গাছ কাটা ইস্যুতে তারা সুষ্ঠু তদন্ত এবং দোষীদের শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। পাশাপাশি ভবিষ্যতে এমন ঘটনা প্রতিরোধে প্রশাসনের কঠোর নজরদারি কামনা করেছেন তারা।
উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বিষয়টি গুরুত্বসহকারে তদন্ত করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে প্রাথমিক তথ্য সংগ্রহ শুরু হয়েছে এবং অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। প্রশাসনের এক কর্মকর্তা জানান, রায়গঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়ে গাছ কাটা ঘটনায় কারও গাফিলতি প্রমাণিত হলে তাকে কোনোভাবেই ছাড় দেওয়া হবে না।
আরোও পড়ুন – নাগেশ্বরীতে চাচী ভাতিজার ঘটনা ঘিরে ধর্ষণ মামলা, অভিযুক্ত পলাতক
রায়গঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়ে গাছ কাটা নিয়ে নাগেশ্বরীতে উত্তেজনা
মোঃ নুর নবী, কুড়িগ্রাম প্রতিনিধিঃ
কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলায় রায়গঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়ে গাছ কাটা ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় তীব্র উত্তেজনা বিরাজ করছে। বিদ্যালয়ের প্রাঙ্গণে দীর্ঘদিন ধরে থাকা বিভিন্ন প্রজাতির প্রায় ৪০টি গাছ হঠাৎ করে কেটে ফেলার অভিযোগ ওঠায় স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ ও উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়েছে। পরিবেশবিদ ও সচেতন মহল বলছেন, এভাবে গাছ নিধন শুধু পরিবেশের ক্ষতিই করে না, বরং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য নেতিবাচক বার্তাও দেয়।
অভিযোগ রয়েছে, বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. নূরে আলম মজুমদারের নির্দেশে কোনো ধরনের প্রশাসনিক অনুমতি ছাড়াই এসব গাছ কাটা হয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, রায়গঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়ে গাছ কাটা প্রক্রিয়ায় সরকারি নিয়ম-নীতি মানা হয়নি এবং বিষয়টি যথাযথ কর্তৃপক্ষকে অবহিত না করেই সম্পন্ন করা হয়েছে। ফলে বিদ্যালয়ের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও পরিবেশগত ভারসাম্য মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তারা।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ১৬ এপ্রিল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দাখিল করা হয়েছে। অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, রায়গঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়ে গাছ কাটা ঘটনায় সরকারি সম্পদের অপচয় হয়েছে এবং এর সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন। এলাকাবাসীর ধারণা, কাটা গাছগুলোর আনুমানিক বাজারমূল্য ২০ লাখ টাকারও বেশি হতে পারে।
এ ঘটনায় বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী, অভিভাবক এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে তীব্র অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। অনেকেই বলছেন, একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ভেতরে এভাবে গাছ কাটা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। রায়গঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়ে গাছ কাটা ইস্যুতে তারা সুষ্ঠু তদন্ত এবং দোষীদের শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। পাশাপাশি ভবিষ্যতে এমন ঘটনা প্রতিরোধে প্রশাসনের কঠোর নজরদারি কামনা করেছেন তারা।
উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বিষয়টি গুরুত্বসহকারে তদন্ত করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে প্রাথমিক তথ্য সংগ্রহ শুরু হয়েছে এবং অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। প্রশাসনের এক কর্মকর্তা জানান, রায়গঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়ে গাছ কাটা ঘটনায় কারও গাফিলতি প্রমাণিত হলে তাকে কোনোভাবেই ছাড় দেওয়া হবে না।
আরোও পড়ুন – নাগেশ্বরীতে চাচী ভাতিজার ঘটনা ঘিরে ধর্ষণ মামলা, অভিযুক্ত পলাতক