মোঃ আলমগীর হোসাইন,বিভাগীয় প্রধান (রংপুর)
সামান্য বৃষ্টিতেই কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী পৌর শহরের বিভিন্ন সড়ক ও গুরুত্বপূর্ণ এলাকা পানির নিচে তলিয়ে যাচ্ছে। বিশেষ করে শহরের প্রাণকেন্দ্র মেইন রোড, হাসপাতাল মোড়, বাসস্ট্যান্ড এবং বাজারসংলগ্ন এলাকাগুলোতে কয়েক ঘণ্টার বৃষ্টিতেই সৃষ্টি হচ্ছে তীব্র জলাবদ্ধতা। স্থানীয়দের ভাষ্য, বছরের পর বছর ধরে অব্যবস্থাপনা ও অপরিকল্পিত ড্রেনেজ ব্যবস্থার কারণে “নাগেশ্বরী জলাবদ্ধতা” এখন পৌরবাসীর নিত্যদিনের দুর্ভোগে পরিণত হয়েছে। এতে সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়ছেন ব্যবসায়ী, শিক্ষার্থী, পথচারী ও নিম্ন আয়ের মানুষজন।
সম্প্রতি কয়েক দফা স্বল্প সময়ের বৃষ্টিপাতের পর শহরের বিভিন্ন এলাকায় হাঁটুসমান পানি জমে থাকতে দেখা গেছে। পানি নিষ্কাশনের সঠিক ব্যবস্থা না থাকায় বৃষ্টির পানি দ্রুত নামতে পারছে না। এতে সড়কে যানবাহন চলাচল ব্যাহত হচ্ছে এবং কোথাও কোথাও সৃষ্টি হচ্ছে দীর্ঘ যানজট। স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, সামান্য বৃষ্টিতেই যদি এই অবস্থা হয়, তাহলে বর্ষা মৌসুমে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ রূপ নিতে পারে। “নাগেশ্বরী জলাবদ্ধতা” সমস্যা সমাধানে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে জনদুর্ভোগ আরও বাড়বে বলে আশঙ্কা করছেন তারা।
নাগেশ্বরী বাজারের কয়েকজন ব্যবসায়ী জানান, দোকানের সামনে পানি জমে থাকায় ক্রেতাদের চলাচল কমে যাচ্ছে। অনেক সময় বৃষ্টির পানি দোকানের ভেতরে ঢুকে পণ্য নষ্ট হচ্ছে। এতে আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন তারা। একজন ব্যবসায়ী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, একটু বৃষ্টি হলেই পুরো বাজার এলাকায় পানি জমে যায়। ড্রেনগুলো দীর্ঘদিন পরিষ্কার না করায় পানি বের হওয়ার পথ বন্ধ হয়ে গেছে। ফলে “নাগেশ্বরী জলাবদ্ধতা” এখন ব্যবসার জন্যও বড় ধরনের হুমকিতে পরিণত হয়েছে।
অফিসগামী মানুষ ও শিক্ষার্থীদের দুর্ভোগও কম নয়। সকালবেলায় বৃষ্টির পর সড়কে পানি জমে থাকায় অনেককে জুতা হাতে নিয়ে চলাচল করতে দেখা যায়। স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থীদের অনেকেই সময়মতো প্রতিষ্ঠানে পৌঁছাতে পারছে না। রিকশাচালকরাও বলছেন, পানির নিচে সড়কের গর্ত বোঝা না যাওয়ায় দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়ছে। বিশেষ করে সন্ধ্যার পর পরিস্থিতি আরও বিপজ্জনক হয়ে ওঠে। স্থানীয় সচেতন মহল বলছে, নাগরিক সুবিধা নিশ্চিত করতে হলে “নাগেশ্বরী জলাবদ্ধতা” নিরসনে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণ জরুরি।
স্থানীয়দের অভিযোগ, পৌর এলাকার অনেক ড্রেন ভরাট হয়ে গেছে এবং কোথাও কোথাও অবৈধ দখলের কারণেও পানি চলাচল বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। নিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে ড্রেনগুলো কার্যকারিতা হারিয়েছে। এছাড়া অপরিকল্পিতভাবে রাস্তা নির্মাণ ও পানি নিষ্কাশনের পর্যাপ্ত ব্যবস্থা না থাকায় সামান্য বৃষ্টিতেই পুরো শহর পানিতে ডুবে যাচ্ছে। পৌর কর্তৃপক্ষের নজরদারি ও দ্রুত উদ্যোগের অভাবকেই বর্তমান পরিস্থিতির জন্য দায়ী করছেন ভুক্তভোগীরা।
এদিকে বর্ষা মৌসুম ঘনিয়ে আসায় সাধারণ মানুষের উদ্বেগ আরও বেড়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, দ্রুত ড্রেন সংস্কার, পানি নিষ্কাশনের নতুন ব্যবস্থা এবং নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম চালু না করলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যেতে পারে। তারা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে দ্রুত স্থায়ী সমাধানের দাবি জানিয়েছেন। নাগরিকদের প্রত্যাশা, অচিরেই কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করে নাগেশ্বরী পৌর শহরকে জলাবদ্ধতার দুর্ভোগ থেকে মুক্ত করা হবে।
আরোও পড়ুন – চর কড়াই জনদুর্ভোগে প্রশাসনের তৎপরতা বৃদ্ধি, ইউএনও’র সরেজমিন পরিদর্শন
সামান্য বৃষ্টিতেই জলমগ্ন নাগেশ্বরী শহর, বাড়ছে জনদুর্ভোগ
মোঃ আলমগীর হোসাইন,বিভাগীয় প্রধান (রংপুর)
সামান্য বৃষ্টিতেই কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী পৌর শহরের বিভিন্ন সড়ক ও গুরুত্বপূর্ণ এলাকা পানির নিচে তলিয়ে যাচ্ছে। বিশেষ করে শহরের প্রাণকেন্দ্র মেইন রোড, হাসপাতাল মোড়, বাসস্ট্যান্ড এবং বাজারসংলগ্ন এলাকাগুলোতে কয়েক ঘণ্টার বৃষ্টিতেই সৃষ্টি হচ্ছে তীব্র জলাবদ্ধতা। স্থানীয়দের ভাষ্য, বছরের পর বছর ধরে অব্যবস্থাপনা ও অপরিকল্পিত ড্রেনেজ ব্যবস্থার কারণে “নাগেশ্বরী জলাবদ্ধতা” এখন পৌরবাসীর নিত্যদিনের দুর্ভোগে পরিণত হয়েছে। এতে সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়ছেন ব্যবসায়ী, শিক্ষার্থী, পথচারী ও নিম্ন আয়ের মানুষজন।
সম্প্রতি কয়েক দফা স্বল্প সময়ের বৃষ্টিপাতের পর শহরের বিভিন্ন এলাকায় হাঁটুসমান পানি জমে থাকতে দেখা গেছে। পানি নিষ্কাশনের সঠিক ব্যবস্থা না থাকায় বৃষ্টির পানি দ্রুত নামতে পারছে না। এতে সড়কে যানবাহন চলাচল ব্যাহত হচ্ছে এবং কোথাও কোথাও সৃষ্টি হচ্ছে দীর্ঘ যানজট। স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, সামান্য বৃষ্টিতেই যদি এই অবস্থা হয়, তাহলে বর্ষা মৌসুমে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ রূপ নিতে পারে। “নাগেশ্বরী জলাবদ্ধতা” সমস্যা সমাধানে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে জনদুর্ভোগ আরও বাড়বে বলে আশঙ্কা করছেন তারা।
নাগেশ্বরী বাজারের কয়েকজন ব্যবসায়ী জানান, দোকানের সামনে পানি জমে থাকায় ক্রেতাদের চলাচল কমে যাচ্ছে। অনেক সময় বৃষ্টির পানি দোকানের ভেতরে ঢুকে পণ্য নষ্ট হচ্ছে। এতে আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন তারা। একজন ব্যবসায়ী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, একটু বৃষ্টি হলেই পুরো বাজার এলাকায় পানি জমে যায়। ড্রেনগুলো দীর্ঘদিন পরিষ্কার না করায় পানি বের হওয়ার পথ বন্ধ হয়ে গেছে। ফলে “নাগেশ্বরী জলাবদ্ধতা” এখন ব্যবসার জন্যও বড় ধরনের হুমকিতে পরিণত হয়েছে।
অফিসগামী মানুষ ও শিক্ষার্থীদের দুর্ভোগও কম নয়। সকালবেলায় বৃষ্টির পর সড়কে পানি জমে থাকায় অনেককে জুতা হাতে নিয়ে চলাচল করতে দেখা যায়। স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থীদের অনেকেই সময়মতো প্রতিষ্ঠানে পৌঁছাতে পারছে না। রিকশাচালকরাও বলছেন, পানির নিচে সড়কের গর্ত বোঝা না যাওয়ায় দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়ছে। বিশেষ করে সন্ধ্যার পর পরিস্থিতি আরও বিপজ্জনক হয়ে ওঠে। স্থানীয় সচেতন মহল বলছে, নাগরিক সুবিধা নিশ্চিত করতে হলে “নাগেশ্বরী জলাবদ্ধতা” নিরসনে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণ জরুরি।
স্থানীয়দের অভিযোগ, পৌর এলাকার অনেক ড্রেন ভরাট হয়ে গেছে এবং কোথাও কোথাও অবৈধ দখলের কারণেও পানি চলাচল বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। নিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে ড্রেনগুলো কার্যকারিতা হারিয়েছে। এছাড়া অপরিকল্পিতভাবে রাস্তা নির্মাণ ও পানি নিষ্কাশনের পর্যাপ্ত ব্যবস্থা না থাকায় সামান্য বৃষ্টিতেই পুরো শহর পানিতে ডুবে যাচ্ছে। পৌর কর্তৃপক্ষের নজরদারি ও দ্রুত উদ্যোগের অভাবকেই বর্তমান পরিস্থিতির জন্য দায়ী করছেন ভুক্তভোগীরা।
এদিকে বর্ষা মৌসুম ঘনিয়ে আসায় সাধারণ মানুষের উদ্বেগ আরও বেড়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, দ্রুত ড্রেন সংস্কার, পানি নিষ্কাশনের নতুন ব্যবস্থা এবং নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম চালু না করলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যেতে পারে। তারা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে দ্রুত স্থায়ী সমাধানের দাবি জানিয়েছেন। নাগরিকদের প্রত্যাশা, অচিরেই কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করে নাগেশ্বরী পৌর শহরকে জলাবদ্ধতার দুর্ভোগ থেকে মুক্ত করা হবে।
আরোও পড়ুন – চর কড়াই জনদুর্ভোগে প্রশাসনের তৎপরতা বৃদ্ধি, ইউএনও’র সরেজমিন পরিদর্শন