প্রতিবেদক: এনায়েত করিম রাজিব, নারায়ণগঞ্জ
প্রকাশের তারিখ: ১৩ অক্টোবর ২০২৫
নারায়ণগঞ্জে আশা চৌধুরী (২৬) নামের এক নারীর বিরুদ্ধে প্রেমের সম্পর্কের ফাঁদে ফেলে প্রতারণার অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ রয়েছে, তিনি ও তার সহযোগী সুমাইয়া রহমান (২৫) ও সুমাইয়া আক্তার জাইতুন (টুম্পা, ২৫) বিভিন্ন ব্যক্তিকে লক্ষ্য করে প্রতারণার মাধ্যমে অর্থ আদায় করে আসছিলেন।
স্থানীয় সূত্র ও এক ভুক্তভোগীর অভিযোগে জানা যায়, তিনজনই বিভিন্ন জেলা থেকে এসে নারায়ণগঞ্জে বসবাস করলেও নিজেদের স্থানীয় বাসিন্দা হিসেবে পরিচয় দিয়ে মানুষের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক তৈরি করতেন। পরবর্তীতে বিশ্বাস অর্জন করে তারা আর্থিক লেনদেনে জড়িয়ে পড়তেন, যার ফলস্বরূপ একাধিক ব্যক্তি প্রতারণার শিকার হয়েছেন বলে জানা গেছে।
ভুক্তভোগী ব্যক্তি জানান, আশা চৌধুরী নিজেকে নেত্রকোনা জেলার খালিয়াজুড়ি মেন্দিপুর এলাকার তথাকথিত “চৌধুরী পরিবার”-এর সদস্য হিসেবে পরিচয় দিলেও, অনুসন্ধানে জানা যায় তার বাবা আলমগীর চৌধুরী নারায়ণগঞ্জের একটি ডাইং ফ্যাক্টরিতে নিরাপত্তাকর্মী (সিকিউরিটি গার্ড) হিসেবে কর্মরত।
এছাড়া, অভিযোগে বলা হয়, আশা চৌধুরী বিবাহিত — তার স্বামী চৌধুরী আশিক আহাম্মেদ রনি এবং ৪ বছর বয়সী এক ছেলে সন্তান আরাফ রয়েছে। কিন্তু এসব বিষয় গোপন রেখে তিনি বিভিন্ন পুরুষের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলেন এবং অর্থ হাতিয়ে নেন।
ভুক্তভোগীর সরবরাহ করা তথ্যে জানা যায়, আশা চৌধুরীর নামে নিবন্ধিত একটি বিকাশ নম্বর থেকে একাধিকবার অর্থ লেনদেনের প্রমাণ পাওয়া গেছে। অভিযোগ রয়েছে, একই ধরণের কৌশলে অন্য ব্যক্তিকেও ফাঁদে ফেলে “বিয়ে করার প্রতিশ্রুতি” দিয়ে প্রতারণা করেছেন তিনি।
এ বিষয়ে ভুক্তভোগী ব্যক্তি জানান, তিনি ইতোমধ্যে সব প্রমাণ সংগ্রহ করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রস্তুতি নিচ্ছেন। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় প্রশাসনকেও অবহিত করা হয়েছে।
প্রতারণা ও সামাজিক মর্যাদা ব্যবহার করে এ ধরনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড বেড়ে যাওয়ায় ভুক্তভোগীরা প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
নারায়ণগঞ্জে প্রেমের ফাঁদে ফেলে প্রতারণা: আলোচনায় আশা চৌধুরী ও তার সহযোগীরা
প্রতিবেদক: এনায়েত করিম রাজিব, নারায়ণগঞ্জ
প্রকাশের তারিখ: ১৩ অক্টোবর ২০২৫
নারায়ণগঞ্জে আশা চৌধুরী (২৬) নামের এক নারীর বিরুদ্ধে প্রেমের সম্পর্কের ফাঁদে ফেলে প্রতারণার অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ রয়েছে, তিনি ও তার সহযোগী সুমাইয়া রহমান (২৫) ও সুমাইয়া আক্তার জাইতুন (টুম্পা, ২৫) বিভিন্ন ব্যক্তিকে লক্ষ্য করে প্রতারণার মাধ্যমে অর্থ আদায় করে আসছিলেন।
স্থানীয় সূত্র ও এক ভুক্তভোগীর অভিযোগে জানা যায়, তিনজনই বিভিন্ন জেলা থেকে এসে নারায়ণগঞ্জে বসবাস করলেও নিজেদের স্থানীয় বাসিন্দা হিসেবে পরিচয় দিয়ে মানুষের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক তৈরি করতেন। পরবর্তীতে বিশ্বাস অর্জন করে তারা আর্থিক লেনদেনে জড়িয়ে পড়তেন, যার ফলস্বরূপ একাধিক ব্যক্তি প্রতারণার শিকার হয়েছেন বলে জানা গেছে।
ভুক্তভোগী ব্যক্তি জানান, আশা চৌধুরী নিজেকে নেত্রকোনা জেলার খালিয়াজুড়ি মেন্দিপুর এলাকার তথাকথিত “চৌধুরী পরিবার”-এর সদস্য হিসেবে পরিচয় দিলেও, অনুসন্ধানে জানা যায় তার বাবা আলমগীর চৌধুরী নারায়ণগঞ্জের একটি ডাইং ফ্যাক্টরিতে নিরাপত্তাকর্মী (সিকিউরিটি গার্ড) হিসেবে কর্মরত।
এছাড়া, অভিযোগে বলা হয়, আশা চৌধুরী বিবাহিত — তার স্বামী চৌধুরী আশিক আহাম্মেদ রনি এবং ৪ বছর বয়সী এক ছেলে সন্তান আরাফ রয়েছে। কিন্তু এসব বিষয় গোপন রেখে তিনি বিভিন্ন পুরুষের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলেন এবং অর্থ হাতিয়ে নেন।
ভুক্তভোগীর সরবরাহ করা তথ্যে জানা যায়, আশা চৌধুরীর নামে নিবন্ধিত একটি বিকাশ নম্বর থেকে একাধিকবার অর্থ লেনদেনের প্রমাণ পাওয়া গেছে। অভিযোগ রয়েছে, একই ধরণের কৌশলে অন্য ব্যক্তিকেও ফাঁদে ফেলে “বিয়ে করার প্রতিশ্রুতি” দিয়ে প্রতারণা করেছেন তিনি।
এ বিষয়ে ভুক্তভোগী ব্যক্তি জানান, তিনি ইতোমধ্যে সব প্রমাণ সংগ্রহ করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রস্তুতি নিচ্ছেন। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় প্রশাসনকেও অবহিত করা হয়েছে।
প্রতারণা ও সামাজিক মর্যাদা ব্যবহার করে এ ধরনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড বেড়ে যাওয়ায় ভুক্তভোগীরা প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।