ডেভিল হান্ট অভিযানে সাফল্যের পর বাকেরগঞ্জে এসআইয়ের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের অভিযোগ

বাকেরগঞ্জ প্রতিনিধিঃ

বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলায় ডেভিল হান্ট অভিযান পরিচালনার মাধ্যমে অপরাধ দমনে সক্রিয় ভূমিকা রাখার পর এক পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রমূলক অপপ্রচারের অভিযোগ উঠেছে। রঙ্গশ্রী ইউনিয়ন এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ধারাবাহিক অভিযানে একাধিক প্রভাবশালী অপরাধী আটক হওয়ায় ক্ষুব্ধ একটি স্বার্থান্বেষী মহল বাকেরগঞ্জ থানার উপপরিদর্শক এসআই আবুল কালাম আজাদকে সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করার চেষ্টা করছে বলে স্থানীয়ভাবে আলোচনা চলছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, ডেভিল হান্ট অভিযানের আওতায় বোয়ালিয়া ও আশপাশের এলাকায় আইনবিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়। এতে দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় সক্রিয় কিছু অপরাধচক্রের কার্যক্রম ব্যাহত হয়। এর পরপরই একটি পরিকল্পিত অপচেষ্টার মাধ্যমে এসআই আবুল কালাম আজাদের বিরুদ্ধে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো হচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
এই প্রেক্ষাপটে একটি গরু চুরি সংক্রান্ত মামলার তদন্ত নিয়ে বিতর্ক সৃষ্টি করা হয়েছে। মামলাটি ২০২৫ সালের জুলাই মাসে দায়ের হলেও তদন্তে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য উঠে আসে। তদন্তকালে দেখা যায়, মামলার কয়েকজন আসামির অবস্থান ঘটনার সময় সংশ্লিষ্ট এলাকায় ছিল না। মোবাইল ফোনের তথ্য বিশ্লেষণে তাদের জেলার বাইরে থাকার প্রমাণ পাওয়া যায়। এছাড়া মামলার ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কোনো প্রত্যক্ষ সাক্ষ্য কিংবা চোরাই গরু উদ্ধার সম্ভব না হওয়ায় অভিযোগের সত্যতা নিশ্চিত করা যায়নি।
এসব দিক বিবেচনা করে এবং ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দিকনির্দেশনা অনুযায়ী তদন্ত কর্মকর্তা আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন। তদন্ত সংশ্লিষ্টরা জানান, মামলার বাদী ও বিবাদীদের মধ্যে দীর্ঘদিনের পারিবারিক বিরোধ রয়েছে এবং এ নিয়ে আদালতে একাধিক মামলা চলমান। সেই বিরোধের ধারাবাহিকতায় এই মামলাটি আনা হয়ে থাকতে পারে—এমন বিষয় তদন্তে উঠে এসেছে।
স্থানীয় একাধিক ব্যক্তি জানান, ডেভিল হান্ট অভিযানের ফলে এলাকায় অপরাধের তৎপরতা কমে আসে। এতে ক্ষুব্ধ একটি চক্র সামাজিক ও প্রশাসনিকভাবে চাপ সৃষ্টি করতে তদন্ত কর্মকর্তার বিরুদ্ধে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অভিযোগ ছড়াচ্ছে। তারা মনে করছেন, এটি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর মনোবল দুর্বল করার একটি কৌশল।
এদিকে মামলার বিবাদীদের পক্ষ থেকেও দাবি করা হয়েছে যে, পূর্বের বিরোধকে কেন্দ্র করে তাদের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা দায়ের করা হয়েছে, যার কিছু এখনো তদন্তাধীন রয়েছে।
বাকেরগঞ্জ থানার দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তার পক্ষ থেকে জানা যায়, এসআই আবুল কালাম আজাদ একজন দায়িত্বশীল ও চৌকস কর্মকর্তা হিসেবে পরিচিত। ডেভিল হান্ট অভিযানের মাধ্যমে প্রভাবশালী অপরাধীদের আটক করায় তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রমূলক তৎপরতা শুরু হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।
সচেতন মহলের মতে, অপরাধ দমনে যারা সাহসী ভূমিকা রাখেন, তাদের বিরুদ্ধে ভিত্তিহীন অপপ্রচার প্রশাসনিক স্থিতিশীলতার জন্য ঝুঁকিপূর্ণ। তাই পুরো বিষয়টি নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে প্রকৃত সত্য উদঘাটনের দাবি উঠেছে।

ডেভিল হান্ট অভিযানে সাফল্যের পর বাকেরগঞ্জে এসআইয়ের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের অভিযোগ

ডিসেম্বর ২১, ২০২৫

বাকেরগঞ্জ প্রতিনিধিঃ

বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলায় ডেভিল হান্ট অভিযান পরিচালনার মাধ্যমে অপরাধ দমনে সক্রিয় ভূমিকা রাখার পর এক পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রমূলক অপপ্রচারের অভিযোগ উঠেছে। রঙ্গশ্রী ইউনিয়ন এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ধারাবাহিক অভিযানে একাধিক প্রভাবশালী অপরাধী আটক হওয়ায় ক্ষুব্ধ একটি স্বার্থান্বেষী মহল বাকেরগঞ্জ থানার উপপরিদর্শক এসআই আবুল কালাম আজাদকে সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করার চেষ্টা করছে বলে স্থানীয়ভাবে আলোচনা চলছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, ডেভিল হান্ট অভিযানের আওতায় বোয়ালিয়া ও আশপাশের এলাকায় আইনবিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়। এতে দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় সক্রিয় কিছু অপরাধচক্রের কার্যক্রম ব্যাহত হয়। এর পরপরই একটি পরিকল্পিত অপচেষ্টার মাধ্যমে এসআই আবুল কালাম আজাদের বিরুদ্ধে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো হচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
এই প্রেক্ষাপটে একটি গরু চুরি সংক্রান্ত মামলার তদন্ত নিয়ে বিতর্ক সৃষ্টি করা হয়েছে। মামলাটি ২০২৫ সালের জুলাই মাসে দায়ের হলেও তদন্তে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য উঠে আসে। তদন্তকালে দেখা যায়, মামলার কয়েকজন আসামির অবস্থান ঘটনার সময় সংশ্লিষ্ট এলাকায় ছিল না। মোবাইল ফোনের তথ্য বিশ্লেষণে তাদের জেলার বাইরে থাকার প্রমাণ পাওয়া যায়। এছাড়া মামলার ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কোনো প্রত্যক্ষ সাক্ষ্য কিংবা চোরাই গরু উদ্ধার সম্ভব না হওয়ায় অভিযোগের সত্যতা নিশ্চিত করা যায়নি।
এসব দিক বিবেচনা করে এবং ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দিকনির্দেশনা অনুযায়ী তদন্ত কর্মকর্তা আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন। তদন্ত সংশ্লিষ্টরা জানান, মামলার বাদী ও বিবাদীদের মধ্যে দীর্ঘদিনের পারিবারিক বিরোধ রয়েছে এবং এ নিয়ে আদালতে একাধিক মামলা চলমান। সেই বিরোধের ধারাবাহিকতায় এই মামলাটি আনা হয়ে থাকতে পারে—এমন বিষয় তদন্তে উঠে এসেছে।
স্থানীয় একাধিক ব্যক্তি জানান, ডেভিল হান্ট অভিযানের ফলে এলাকায় অপরাধের তৎপরতা কমে আসে। এতে ক্ষুব্ধ একটি চক্র সামাজিক ও প্রশাসনিকভাবে চাপ সৃষ্টি করতে তদন্ত কর্মকর্তার বিরুদ্ধে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অভিযোগ ছড়াচ্ছে। তারা মনে করছেন, এটি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর মনোবল দুর্বল করার একটি কৌশল।
এদিকে মামলার বিবাদীদের পক্ষ থেকেও দাবি করা হয়েছে যে, পূর্বের বিরোধকে কেন্দ্র করে তাদের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা দায়ের করা হয়েছে, যার কিছু এখনো তদন্তাধীন রয়েছে।
বাকেরগঞ্জ থানার দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তার পক্ষ থেকে জানা যায়, এসআই আবুল কালাম আজাদ একজন দায়িত্বশীল ও চৌকস কর্মকর্তা হিসেবে পরিচিত। ডেভিল হান্ট অভিযানের মাধ্যমে প্রভাবশালী অপরাধীদের আটক করায় তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রমূলক তৎপরতা শুরু হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।
সচেতন মহলের মতে, অপরাধ দমনে যারা সাহসী ভূমিকা রাখেন, তাদের বিরুদ্ধে ভিত্তিহীন অপপ্রচার প্রশাসনিক স্থিতিশীলতার জন্য ঝুঁকিপূর্ণ। তাই পুরো বিষয়টি নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে প্রকৃত সত্য উদঘাটনের দাবি উঠেছে।