আহাম্মেদ সাব্বির, বুটেক্স প্রতিনিধিঃ
বাংলাদেশ টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয় (বুটেক্স) ১৬তম বছরে পদার্পণ করলেও এবার কোনো আনুষ্ঠানিক আয়োজন ছাড়াই বিশ্ববিদ্যালয় দিবস অতিবাহিত হচ্ছে। দেশের সামগ্রিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি এবং আসন্ন প্রথম সমাবর্তন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ‘বিশ্ববিদ্যালয় দিবস ২০২৫’ উদযাপন স্থগিত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
২০১০ সালের ২২ ডিসেম্বর টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ থেকে পূর্ণাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপ নেয় বুটেক্স। সেই ধারাবাহিকতায় প্রতি বছর ২২ ডিসেম্বর নানা কর্মসূচির মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয় দিবস পালন করা হয়ে থাকে। সাধারণত এই দিনে শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারী ও প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে ক্যাম্পাসে উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি হয়। তবে এবছর পরিস্থিতি ভিন্ন।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছরের ২৭ ডিসেম্বর বুটেক্সে প্রথম কনভোকেশন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। এই গুরুত্বপূর্ণ আয়োজনকে কেন্দ্র করে প্রশাসনিক ও নিরাপত্তা প্রস্তুতি জোরদার করা হয়েছে। একইসঙ্গে দেশের বিদ্যমান নিরাপত্তা পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে বড় ধরনের সমাবেশ এড়িয়ে চলার পরামর্শ আসে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় থেকে। এসব বিষয় সামনে রেখেই বিশ্ববিদ্যালয় দিবসের সকল আনুষ্ঠানিকতা স্থগিতের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
প্রাথমিকভাবে বিশ্ববিদ্যালয় দিবস উদযাপনের জন্য কমিটি গঠন এবং প্রস্তুতি শুরু হলেও পরবর্তীতে পরিস্থিতি পুনর্মূল্যায়নের মাধ্যমে সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করা হয়। এতে করে একদিকে যেমন কনভোকেশনের প্রস্তুতিতে পূর্ণ মনোযোগ দেওয়া সম্ভব হচ্ছে, অন্যদিকে ক্যাম্পাসের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করাও সহজ হচ্ছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
তবে এই সিদ্ধান্তে শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। অনেকের মতে, বিশ্ববিদ্যালয় দিবস বুটেক্স পরিবারের জন্য একটি আবেগের জায়গা। এই দিনে শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও এলামনাইদের মিলনমেলা ঘটে। আবার অনেকে মনে করছেন, নিরাপত্তা ও কনভোকেশনের মতো গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় আয়োজনকে প্রাধান্য দেওয়া বাস্তবসম্মত সিদ্ধান্ত।
আবাসিক হলগুলোর পক্ষ থেকেও বিভিন্ন প্রস্তাবনা দেওয়া হয়েছিল। ক্যাম্পাসের বাইরে কোনো কর্মসূচি না রেখে অভ্যন্তরীণ পরিসরে সীমিত আয়োজন করার কথাও আলোচনায় আসে। তবে শেষ পর্যন্ত সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে কোনো ধরনের আনুষ্ঠানিক আয়োজন না করার সিদ্ধান্তই বহাল থাকে।
বিশ্ববিদ্যালয় দিবসের জন্য নির্ধারিত বাজেট শিক্ষার্থীদের কল্যাণমূলক কার্যক্রমে ব্যয় করার প্রস্তাবও আলোচনায় এসেছে, যা বাস্তবায়িত হলে শিক্ষার্থীদের জন্য তা ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
সব মিলিয়ে, ১৬ বছরে পদার্পণ করলেও এবছর বুটেক্সের বিশ্ববিদ্যালয় দিবস থাকছে আয়োজনহীন। প্রশাসনের প্রত্যাশা, ভবিষ্যতে নিরাপত্তা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে এবং কনভোকেশন সফলভাবে সম্পন্ন হওয়ার পর বিশ্ববিদ্যালয় দিবস আরও বড় পরিসরে, শিক্ষার্থী ও প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে উদযাপন করা যাবে।
নিরাপত্তা ও কনভোকেশন প্রস্তুতির চাপে স্থগিত বুটেক্স বিশ্ববিদ্যালয় দিবস
আহাম্মেদ সাব্বির, বুটেক্স প্রতিনিধিঃ
বাংলাদেশ টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয় (বুটেক্স) ১৬তম বছরে পদার্পণ করলেও এবার কোনো আনুষ্ঠানিক আয়োজন ছাড়াই বিশ্ববিদ্যালয় দিবস অতিবাহিত হচ্ছে। দেশের সামগ্রিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি এবং আসন্ন প্রথম সমাবর্তন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ‘বিশ্ববিদ্যালয় দিবস ২০২৫’ উদযাপন স্থগিত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
২০১০ সালের ২২ ডিসেম্বর টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ থেকে পূর্ণাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপ নেয় বুটেক্স। সেই ধারাবাহিকতায় প্রতি বছর ২২ ডিসেম্বর নানা কর্মসূচির মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয় দিবস পালন করা হয়ে থাকে। সাধারণত এই দিনে শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারী ও প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে ক্যাম্পাসে উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি হয়। তবে এবছর পরিস্থিতি ভিন্ন।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছরের ২৭ ডিসেম্বর বুটেক্সে প্রথম কনভোকেশন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। এই গুরুত্বপূর্ণ আয়োজনকে কেন্দ্র করে প্রশাসনিক ও নিরাপত্তা প্রস্তুতি জোরদার করা হয়েছে। একইসঙ্গে দেশের বিদ্যমান নিরাপত্তা পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে বড় ধরনের সমাবেশ এড়িয়ে চলার পরামর্শ আসে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় থেকে। এসব বিষয় সামনে রেখেই বিশ্ববিদ্যালয় দিবসের সকল আনুষ্ঠানিকতা স্থগিতের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
প্রাথমিকভাবে বিশ্ববিদ্যালয় দিবস উদযাপনের জন্য কমিটি গঠন এবং প্রস্তুতি শুরু হলেও পরবর্তীতে পরিস্থিতি পুনর্মূল্যায়নের মাধ্যমে সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করা হয়। এতে করে একদিকে যেমন কনভোকেশনের প্রস্তুতিতে পূর্ণ মনোযোগ দেওয়া সম্ভব হচ্ছে, অন্যদিকে ক্যাম্পাসের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করাও সহজ হচ্ছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
তবে এই সিদ্ধান্তে শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। অনেকের মতে, বিশ্ববিদ্যালয় দিবস বুটেক্স পরিবারের জন্য একটি আবেগের জায়গা। এই দিনে শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও এলামনাইদের মিলনমেলা ঘটে। আবার অনেকে মনে করছেন, নিরাপত্তা ও কনভোকেশনের মতো গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় আয়োজনকে প্রাধান্য দেওয়া বাস্তবসম্মত সিদ্ধান্ত।
আবাসিক হলগুলোর পক্ষ থেকেও বিভিন্ন প্রস্তাবনা দেওয়া হয়েছিল। ক্যাম্পাসের বাইরে কোনো কর্মসূচি না রেখে অভ্যন্তরীণ পরিসরে সীমিত আয়োজন করার কথাও আলোচনায় আসে। তবে শেষ পর্যন্ত সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে কোনো ধরনের আনুষ্ঠানিক আয়োজন না করার সিদ্ধান্তই বহাল থাকে।
বিশ্ববিদ্যালয় দিবসের জন্য নির্ধারিত বাজেট শিক্ষার্থীদের কল্যাণমূলক কার্যক্রমে ব্যয় করার প্রস্তাবও আলোচনায় এসেছে, যা বাস্তবায়িত হলে শিক্ষার্থীদের জন্য তা ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
সব মিলিয়ে, ১৬ বছরে পদার্পণ করলেও এবছর বুটেক্সের বিশ্ববিদ্যালয় দিবস থাকছে আয়োজনহীন। প্রশাসনের প্রত্যাশা, ভবিষ্যতে নিরাপত্তা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে এবং কনভোকেশন সফলভাবে সম্পন্ন হওয়ার পর বিশ্ববিদ্যালয় দিবস আরও বড় পরিসরে, শিক্ষার্থী ও প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে উদযাপন করা যাবে।