শাহরিয়ার খান নাফিজ, হবিগঞ্জঃ
হবিগঞ্জে সাহিত্য, সংগীত ও সংস্কৃতির মিলনমেলায় পরিণত হয়েছে জেলা শিল্পকলা একাডেমি প্রাঙ্গণ। দুই প্রখ্যাত সাহিত্য-সংস্কৃতি ব্যক্তিত্বকে স্মরণ করে শুরু হয়েছে ‘পার্থ-সঞ্জীব জন্মোৎসব ২০২৫’। প্রতি বছরের মতো এবারও ২৩ ও ২৪ ডিসেম্বর দুই দিনব্যাপী এ আয়োজন অনুষ্ঠিত হচ্ছে আলোচনা সভা, বইমেলা ও মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক পরিবেশনার মধ্য দিয়ে।
জেলা শিল্পকলা একাডেমি, হবিগঞ্জে আয়োজিত এই উৎসবের উদ্যোগ নিয়েছে পার্থ-সঞ্জীব স্মৃতি পরিষদ, হবিগঞ্জ। উৎসবকে কেন্দ্র করে শহরের সাংস্কৃতিক অঙ্গনে বিরাজ করছে প্রাণচাঞ্চল্য। স্থানীয় শিল্পী, লেখক, কবি ও সংস্কৃতিপ্রেমী মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে এতে অংশগ্রহণ করছেন।
এই আয়োজনের মাধ্যমে স্মরণ করা হচ্ছে দুই গুণী ব্যক্তিত্ব—কবি, কথাসাহিত্যিক ও সাংবাদিক পার্থসারথি চৌধুরী এবং কবি, সাংবাদিক ও সংগীতশিল্পী সঞ্জীব চৌধুরীকে। তাঁদের সাহিত্য, সংগীত ও সাংবাদিকতার অবদান তুলে ধরতে আলোচনা সভায় অংশ নিচ্ছেন বিশিষ্টজনেরা।
পার্থসারথি চৌধুরী ১৯৫১ সালের ২৫ ডিসেম্বর হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলার আঘনা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি মুক্তিযুদ্ধকালে একজন সংগঠক হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। পরবর্তীকালে সাহিত্য ও সাংবাদিকতায় তিনি দীর্ঘ সময় সক্রিয় থেকে সমাজ ও মানুষের কথা তুলে ধরেছেন। তাঁর লেখনীতে গ্রামীণ জীবন, রাজনৈতিক বাস্তবতা ও মানবিক মূল্যবোধের প্রতিফলন লক্ষ্য করা যায়।
অন্যদিকে, ১৯৬৪ সালের ২৫ ডিসেম্বর বানিয়াচং উপজেলার মাকালকান্দি গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন সঞ্জীব চৌধুরী। তিনি দেশজ সংস্কৃতি ও সাধারণ মানুষের অনুভূতি গানের মাধ্যমে তুলে ধরেন। একইসঙ্গে কবিতা ও সাংবাদিকতায়ও তাঁর সরব উপস্থিতি ছিল। লোকসংগীতের ধারায় তাঁর সৃষ্টি আজও শ্রোতাদের মধ্যে সমানভাবে জনপ্রিয়।
উৎসব উপলক্ষে আয়োজিত বইমেলায় স্থান পেয়েছে সাহিত্য, ইতিহাস, সংস্কৃতি ও সংগীত বিষয়ক নানা বই। এতে পাঠক ও দর্শনার্থীদের আগ্রহ লক্ষ করা যাচ্ছে। পাশাপাশি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে পরিবেশিত হচ্ছে কবিতা আবৃত্তি, গান ও আলোচনা, যা উৎসবের আবহকে আরও প্রাণবন্ত করে তুলেছে।
আয়োজকদের মতে, এই আয়োজনের মূল লক্ষ্য শুধু স্মৃতিচারণ নয়, বরং নতুন প্রজন্মকে সাহিত্য, সংস্কৃতি ও সংগীতচর্চায় উদ্বুদ্ধ করা। তাঁরা মনে করছেন, এ ধরনের উদ্যোগ ভবিষ্যতে সংস্কৃতিচর্চার ধারাকে আরও শক্তিশালী করবে।
পার্থ-সঞ্জীব জন্মোৎসব ঘিরে হবিগঞ্জে যে উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে, তা জেলার সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে নতুন করে সামনে তুলে ধরছে। দুই দিনের এই আয়োজন সাহিত্য ও সংগীতপ্রেমীদের জন্য এক অনন্য মিলনমেলায় পরিণত হয়েছে।
পার্থসারথি ও সঞ্জীব চৌধুরীকে স্মরণে হবিগঞ্জে দুই দিনব্যাপী সাহিত্য-সংস্কৃতির আয়োজন
শাহরিয়ার খান নাফিজ, হবিগঞ্জঃ
হবিগঞ্জে সাহিত্য, সংগীত ও সংস্কৃতির মিলনমেলায় পরিণত হয়েছে জেলা শিল্পকলা একাডেমি প্রাঙ্গণ। দুই প্রখ্যাত সাহিত্য-সংস্কৃতি ব্যক্তিত্বকে স্মরণ করে শুরু হয়েছে ‘পার্থ-সঞ্জীব জন্মোৎসব ২০২৫’। প্রতি বছরের মতো এবারও ২৩ ও ২৪ ডিসেম্বর দুই দিনব্যাপী এ আয়োজন অনুষ্ঠিত হচ্ছে আলোচনা সভা, বইমেলা ও মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক পরিবেশনার মধ্য দিয়ে।
জেলা শিল্পকলা একাডেমি, হবিগঞ্জে আয়োজিত এই উৎসবের উদ্যোগ নিয়েছে পার্থ-সঞ্জীব স্মৃতি পরিষদ, হবিগঞ্জ। উৎসবকে কেন্দ্র করে শহরের সাংস্কৃতিক অঙ্গনে বিরাজ করছে প্রাণচাঞ্চল্য। স্থানীয় শিল্পী, লেখক, কবি ও সংস্কৃতিপ্রেমী মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে এতে অংশগ্রহণ করছেন।
এই আয়োজনের মাধ্যমে স্মরণ করা হচ্ছে দুই গুণী ব্যক্তিত্ব—কবি, কথাসাহিত্যিক ও সাংবাদিক পার্থসারথি চৌধুরী এবং কবি, সাংবাদিক ও সংগীতশিল্পী সঞ্জীব চৌধুরীকে। তাঁদের সাহিত্য, সংগীত ও সাংবাদিকতার অবদান তুলে ধরতে আলোচনা সভায় অংশ নিচ্ছেন বিশিষ্টজনেরা।
পার্থসারথি চৌধুরী ১৯৫১ সালের ২৫ ডিসেম্বর হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলার আঘনা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি মুক্তিযুদ্ধকালে একজন সংগঠক হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। পরবর্তীকালে সাহিত্য ও সাংবাদিকতায় তিনি দীর্ঘ সময় সক্রিয় থেকে সমাজ ও মানুষের কথা তুলে ধরেছেন। তাঁর লেখনীতে গ্রামীণ জীবন, রাজনৈতিক বাস্তবতা ও মানবিক মূল্যবোধের প্রতিফলন লক্ষ্য করা যায়।
অন্যদিকে, ১৯৬৪ সালের ২৫ ডিসেম্বর বানিয়াচং উপজেলার মাকালকান্দি গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন সঞ্জীব চৌধুরী। তিনি দেশজ সংস্কৃতি ও সাধারণ মানুষের অনুভূতি গানের মাধ্যমে তুলে ধরেন। একইসঙ্গে কবিতা ও সাংবাদিকতায়ও তাঁর সরব উপস্থিতি ছিল। লোকসংগীতের ধারায় তাঁর সৃষ্টি আজও শ্রোতাদের মধ্যে সমানভাবে জনপ্রিয়।
উৎসব উপলক্ষে আয়োজিত বইমেলায় স্থান পেয়েছে সাহিত্য, ইতিহাস, সংস্কৃতি ও সংগীত বিষয়ক নানা বই। এতে পাঠক ও দর্শনার্থীদের আগ্রহ লক্ষ করা যাচ্ছে। পাশাপাশি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে পরিবেশিত হচ্ছে কবিতা আবৃত্তি, গান ও আলোচনা, যা উৎসবের আবহকে আরও প্রাণবন্ত করে তুলেছে।
আয়োজকদের মতে, এই আয়োজনের মূল লক্ষ্য শুধু স্মৃতিচারণ নয়, বরং নতুন প্রজন্মকে সাহিত্য, সংস্কৃতি ও সংগীতচর্চায় উদ্বুদ্ধ করা। তাঁরা মনে করছেন, এ ধরনের উদ্যোগ ভবিষ্যতে সংস্কৃতিচর্চার ধারাকে আরও শক্তিশালী করবে।
পার্থ-সঞ্জীব জন্মোৎসব ঘিরে হবিগঞ্জে যে উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে, তা জেলার সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে নতুন করে সামনে তুলে ধরছে। দুই দিনের এই আয়োজন সাহিত্য ও সংগীতপ্রেমীদের জন্য এক অনন্য মিলনমেলায় পরিণত হয়েছে।