মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধিঃ
মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখান উপজেলায় একটি ধর্মীয় ওয়াজ মাহফিলে এক যুবকের ওপর অতর্কিত হামলার অভিযোগ উঠেছে। হামলায় হাতুড়িসহ বিভিন্ন দেশীয় অস্ত্র ব্যবহারের ফলে ওই যুবক গুরুতর আহত হয়েছেন। বর্তমানে তিনি ঢাকার একটি সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
ঘটনাটি ঘটে গত সোমবার (২২ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় সিরাজদিখান উপজেলার রাজানগর বাজার এলাকায় অনুষ্ঠিত বার্ষিক ওয়াজ মাহফিল চলাকালে। প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মাহফিল চলাকালে হঠাৎ করেই ওই যুবকের ওপর হামলা চালানো হয়, যা মুহূর্তেই এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করে।
আহত যুবকের নাম ফাহিম কাজী (১৯)। তিনি রাজানগর এলাকার বাসিন্দা। ঘটনার পরপরই স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে প্রথমে নিকটবর্তী স্থানে প্রাথমিক সহায়তা দেন এবং পরে গুরুতর অবস্থায় দ্রুত ঢাকার মিডফোর্ড হাসপাতালে ভর্তি করেন।
পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ঘটনার সময় ফাহিম কাজী মাহফিল শুনতে গিয়ে পাশেই থাকা এক বন্ধুর সঙ্গে কথা বলছিলেন। এ সময় নয়ানগর এলাকার এক যুবক ও তার সহযোগীরা পূর্বপরিকল্পিতভাবে তার ওপর হামলা চালায়। হামলাকারীরা হত্যার উদ্দেশ্যে হাতুড়ি দিয়ে মাথা ও শরীরের বিভিন্ন অংশে আঘাত করে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
প্রাণ বাঁচাতে ফাহিম কাজী দৌড়ে বাজারের ভেতরে একটি স্বর্ণালংকারের দোকানে আশ্রয় নেওয়ার চেষ্টা করেন। কিন্তু সেখানেও হামলাকারীরা তাকে ধাওয়া করে লাঠি ও লোহার রড দিয়ে মারধর করে। এ সময় তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোনটি ছিনিয়ে নেওয়া হয় এবং ভবিষ্যতে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ রয়েছে।
এ ঘটনায় আহতের বাবা কাজী ফারুক বাদী হয়ে শেখরনগর পুলিশ ফাঁড়িতে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযোগে নয়ানগর এলাকার রব মোল্লার ছেলে আরমান মোল্লাসহ কয়েকজন অজ্ঞাতনামা ব্যক্তির নাম উল্লেখ করা হয়েছে।
স্থানীয়দের দাবি, ধর্মীয় অনুষ্ঠানের মতো পবিত্র পরিবেশে এ ধরনের সহিংস ঘটনা অত্যন্ত দুঃখজনক এবং উদ্বেগজনক। তারা দ্রুত ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত ব্যক্তির সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।
শেখরনগর পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ (ইন্সপেক্টর) সনজিত কুমার ঘোষ জানিয়েছেন, অভিযোগটি গ্রহণ করা হয়েছে এবং ঘটনার সত্যতা যাচাই করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
সিরাজদিখান রাজানগর বাজারে ওয়াজ চলাকালে যুবকের ওপর পরিকল্পিত হামলার অভিযোগ
মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধিঃ
মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখান উপজেলায় একটি ধর্মীয় ওয়াজ মাহফিলে এক যুবকের ওপর অতর্কিত হামলার অভিযোগ উঠেছে। হামলায় হাতুড়িসহ বিভিন্ন দেশীয় অস্ত্র ব্যবহারের ফলে ওই যুবক গুরুতর আহত হয়েছেন। বর্তমানে তিনি ঢাকার একটি সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
ঘটনাটি ঘটে গত সোমবার (২২ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় সিরাজদিখান উপজেলার রাজানগর বাজার এলাকায় অনুষ্ঠিত বার্ষিক ওয়াজ মাহফিল চলাকালে। প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মাহফিল চলাকালে হঠাৎ করেই ওই যুবকের ওপর হামলা চালানো হয়, যা মুহূর্তেই এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করে।
আহত যুবকের নাম ফাহিম কাজী (১৯)। তিনি রাজানগর এলাকার বাসিন্দা। ঘটনার পরপরই স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে প্রথমে নিকটবর্তী স্থানে প্রাথমিক সহায়তা দেন এবং পরে গুরুতর অবস্থায় দ্রুত ঢাকার মিডফোর্ড হাসপাতালে ভর্তি করেন।
পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ঘটনার সময় ফাহিম কাজী মাহফিল শুনতে গিয়ে পাশেই থাকা এক বন্ধুর সঙ্গে কথা বলছিলেন। এ সময় নয়ানগর এলাকার এক যুবক ও তার সহযোগীরা পূর্বপরিকল্পিতভাবে তার ওপর হামলা চালায়। হামলাকারীরা হত্যার উদ্দেশ্যে হাতুড়ি দিয়ে মাথা ও শরীরের বিভিন্ন অংশে আঘাত করে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
প্রাণ বাঁচাতে ফাহিম কাজী দৌড়ে বাজারের ভেতরে একটি স্বর্ণালংকারের দোকানে আশ্রয় নেওয়ার চেষ্টা করেন। কিন্তু সেখানেও হামলাকারীরা তাকে ধাওয়া করে লাঠি ও লোহার রড দিয়ে মারধর করে। এ সময় তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোনটি ছিনিয়ে নেওয়া হয় এবং ভবিষ্যতে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ রয়েছে।
এ ঘটনায় আহতের বাবা কাজী ফারুক বাদী হয়ে শেখরনগর পুলিশ ফাঁড়িতে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযোগে নয়ানগর এলাকার রব মোল্লার ছেলে আরমান মোল্লাসহ কয়েকজন অজ্ঞাতনামা ব্যক্তির নাম উল্লেখ করা হয়েছে।
স্থানীয়দের দাবি, ধর্মীয় অনুষ্ঠানের মতো পবিত্র পরিবেশে এ ধরনের সহিংস ঘটনা অত্যন্ত দুঃখজনক এবং উদ্বেগজনক। তারা দ্রুত ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত ব্যক্তির সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।
শেখরনগর পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ (ইন্সপেক্টর) সনজিত কুমার ঘোষ জানিয়েছেন, অভিযোগটি গ্রহণ করা হয়েছে এবং ঘটনার সত্যতা যাচাই করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।