হারুনুর রশিদ, সাপাহার (নওগাঁ) প্রতিনিধি:
বিএনপি চেয়ারপার্সন ও তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে নওগাঁর সাপাহার উপজেলাজুড়ে নেমে এসেছে গভীর শোকের ছায়া। তাঁর ইন্তেকালে রাজনৈতিক অঙ্গনের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের মাঝেও বিরাজ করছে বিষাদ ও শ্রদ্ধাবোধ।
বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) সকাল থেকেই সাপাহার উপজেলা সদরের বিভিন্ন মার্কেট ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান স্বতঃস্ফূর্তভাবে বন্ধ রাখা হয়। শোক প্রকাশে অংশ নেন স্থানীয় ব্যবসায়ী, শ্রমজীবী মানুষ, সামাজিক সংগঠনের কর্মীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ। দিনভর উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় ছিল নীরব ও গম্ভীর পরিবেশ।
বিকেল সাড়ে ৪টায় সাপাহার উপজেলার ঐতিহ্যবাহী বিদ্যাপীঠ পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার গায়েবানা জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজায় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের পাশাপাশি দলমত নির্বিশেষে সর্বস্তরের মুসল্লিরা অংশগ্রহণ করেন। বিপুলসংখ্যক মানুষের উপস্থিতিতে মাঠ ও আশপাশের এলাকা পরিপূর্ণ হয়ে ওঠে।
এছাড়াও সাপাহার উপজেলার সকল ইউনিয়নে পৃথক পৃথকভাবে গায়েবানা জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। এসব জানাজায় স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, সামাজিক ও রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গসহ সাধারণ মানুষ অংশ নেন। জানাজা চলাকালে অনেককে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়তে দেখা যায়।
নামাজ শেষে মুসল্লিরা মরহুমার আত্মার মাগফেরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া করেন। একই সঙ্গে দেশের শান্তি, গণতন্ত্র ও স্থিতিশীলতা কামনা করা হয়। অনেকেই বেগম খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক জীবনের নানা দিক স্মরণ করে তাঁর অবদানের কথা তুলে ধরেন।
সাপাহার উপজেলাজুড়ে আয়োজিত এসব কর্মসূচির মাধ্যমে স্পষ্ট হয়ে উঠেছে, রাজনৈতিক মতভেদ থাকলেও একজন সাবেক প্রধানমন্ত্রীর মৃত্যুতে মানুষ কীভাবে সম্মান ও মানবিকতার পরিচয় দেয়। শোক ও শ্রদ্ধার এই আবহ সাপাহারের জনজীবনে গভীর ছাপ ফেলেছে।
সাপাহারে গায়েবানা জানাজায় খালেদা জিয়ার প্রতি সর্বস্তরের মানুষের শ্রদ্ধা
হারুনুর রশিদ, সাপাহার (নওগাঁ) প্রতিনিধি:
বিএনপি চেয়ারপার্সন ও তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে নওগাঁর সাপাহার উপজেলাজুড়ে নেমে এসেছে গভীর শোকের ছায়া। তাঁর ইন্তেকালে রাজনৈতিক অঙ্গনের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের মাঝেও বিরাজ করছে বিষাদ ও শ্রদ্ধাবোধ।
বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) সকাল থেকেই সাপাহার উপজেলা সদরের বিভিন্ন মার্কেট ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান স্বতঃস্ফূর্তভাবে বন্ধ রাখা হয়। শোক প্রকাশে অংশ নেন স্থানীয় ব্যবসায়ী, শ্রমজীবী মানুষ, সামাজিক সংগঠনের কর্মীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ। দিনভর উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় ছিল নীরব ও গম্ভীর পরিবেশ।
বিকেল সাড়ে ৪টায় সাপাহার উপজেলার ঐতিহ্যবাহী বিদ্যাপীঠ পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার গায়েবানা জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজায় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের পাশাপাশি দলমত নির্বিশেষে সর্বস্তরের মুসল্লিরা অংশগ্রহণ করেন। বিপুলসংখ্যক মানুষের উপস্থিতিতে মাঠ ও আশপাশের এলাকা পরিপূর্ণ হয়ে ওঠে।
এছাড়াও সাপাহার উপজেলার সকল ইউনিয়নে পৃথক পৃথকভাবে গায়েবানা জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। এসব জানাজায় স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, সামাজিক ও রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গসহ সাধারণ মানুষ অংশ নেন। জানাজা চলাকালে অনেককে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়তে দেখা যায়।
নামাজ শেষে মুসল্লিরা মরহুমার আত্মার মাগফেরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া করেন। একই সঙ্গে দেশের শান্তি, গণতন্ত্র ও স্থিতিশীলতা কামনা করা হয়। অনেকেই বেগম খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক জীবনের নানা দিক স্মরণ করে তাঁর অবদানের কথা তুলে ধরেন।
সাপাহার উপজেলাজুড়ে আয়োজিত এসব কর্মসূচির মাধ্যমে স্পষ্ট হয়ে উঠেছে, রাজনৈতিক মতভেদ থাকলেও একজন সাবেক প্রধানমন্ত্রীর মৃত্যুতে মানুষ কীভাবে সম্মান ও মানবিকতার পরিচয় দেয়। শোক ও শ্রদ্ধার এই আবহ সাপাহারের জনজীবনে গভীর ছাপ ফেলেছে।