নিউজ ডেস্কঃ
বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে এক অভূতপূর্ব অধ্যায় রচিত হয়েছে সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার জানাজাকে কেন্দ্র করে। রাজধানীর জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় অনুষ্ঠিত এই জানাজায় লাখ লাখ মানুষের উপস্থিতিতে এটি শুধু বাংলাদেশের নয়, বরং মুসলিম বিশ্বের স্মরণকালের বৃহত্তম জানাজায় পরিণত হয়েছে।
বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে বিরল ও স্মরণীয় এক অধ্যায়ের সাক্ষী হলো রাজধানী ঢাকা। সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার জানাজায় লাখ লাখ মানুষের অংশগ্রহণে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজা ও আশপাশের এলাকা পরিণত হয় এক বিশাল জনসমুদ্রে। এই জানাজাকে মুসলিম বিশ্বের ইতিহাসে কোনো নারীর সর্ববৃহৎ জানাজা হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।
বুধবার বিকাল ৩টা ৩ মিনিটে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। শুধু রাজধানী নয়, দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে মানুষ দলে দলে এসে এই জানাজায় অংশ নেন। মানিক মিয়া অ্যাভিনিউসহ কয়েক কিলোমিটার এলাকাজুড়ে মানুষের অবস্থানে তিল ধারণের জায়গা ছিল না। জনস্রোতের কারণে পুরো এলাকা নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলার বিশেষ ব্যবস্থায় রাখা হয়।
বেগম খালেদা জিয়া ছিলেন বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী এবং মুসলিম বিশ্বের অন্যতম নারী সরকারপ্রধান। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে আন্দোলন, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও মানুষের অধিকার আদায়ের সংগ্রামের কারণে তিনি আপোষহীন নেত্রী হিসেবে পরিচিতি লাভ করেন। সাধারণ মানুষের ভালোবাসায় তিনি গণতন্ত্রের মাতা ও জাতীয় নেত্রী হিসেবে সম্মানিত হন।
জানাজায় প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস, উপদেষ্টা পরিষদের সদস্যবৃন্দ, তিন বাহিনীর প্রধান, বিএনপি ও অন্যান্য রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। পাশাপাশি বিদেশি কূটনীতিকদের অংশগ্রহণ এই জানাজাকে আন্তর্জাতিক মাত্রা দেয়।
জানাজার আগে বেগম খালেদা জিয়ার মরদেহ জাতীয় পতাকায় মোড়ানো গাড়িতে করে গুলশান থেকে সংসদ ভবন এলাকায় নেওয়া হয়। লাল-সবুজে সজ্জিত গাড়িবহরটি পথে পথে মানুষের শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায় সিক্ত হয়। সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় মরদেহ পৌঁছানোর পর সেখানে তাঁর দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের বিভিন্ন বক্তব্য প্রচার করা হয়।
জানাজা শেষে মরদেহ আবার সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজা এলাকা থেকে দাফনের উদ্দেশ্যে নেওয়া হয়। শেষ বিদায়ে উপস্থিত মানুষের চোখে ছিল অশ্রু, মুখে ছিল প্রিয় নেত্রীর প্রতি গভীর শ্রদ্ধা। এই উপস্থিতি প্রমাণ করে, একজন রাজনৈতিক নেতার প্রতি জনগণের ভালোবাসা কতটা গভীর হতে পারে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, বেগম খালেদা জিয়ার জানাজায় মানুষের এই স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতি তাঁর দীর্ঘ রাজনৈতিক সংগ্রাম ও ত্যাগেরই প্রতিফলন। ইতিহাসে তাঁর নাম কেবল একজন প্রধানমন্ত্রী হিসেবেই নয়, বরং গণতন্ত্রের সংগ্রামী নেত্রী হিসেবেও চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে।


মুসলিম বিশ্বের বৃহত্তম জানাজা—যেভাবে বিদায় নিলেন খালেদা জিয়া
নিউজ ডেস্কঃ
বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে এক অভূতপূর্ব অধ্যায় রচিত হয়েছে সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার জানাজাকে কেন্দ্র করে। রাজধানীর জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় অনুষ্ঠিত এই জানাজায় লাখ লাখ মানুষের উপস্থিতিতে এটি শুধু বাংলাদেশের নয়, বরং মুসলিম বিশ্বের স্মরণকালের বৃহত্তম জানাজায় পরিণত হয়েছে।
বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে বিরল ও স্মরণীয় এক অধ্যায়ের সাক্ষী হলো রাজধানী ঢাকা। সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার জানাজায় লাখ লাখ মানুষের অংশগ্রহণে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজা ও আশপাশের এলাকা পরিণত হয় এক বিশাল জনসমুদ্রে। এই জানাজাকে মুসলিম বিশ্বের ইতিহাসে কোনো নারীর সর্ববৃহৎ জানাজা হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।
বুধবার বিকাল ৩টা ৩ মিনিটে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। শুধু রাজধানী নয়, দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে মানুষ দলে দলে এসে এই জানাজায় অংশ নেন। মানিক মিয়া অ্যাভিনিউসহ কয়েক কিলোমিটার এলাকাজুড়ে মানুষের অবস্থানে তিল ধারণের জায়গা ছিল না। জনস্রোতের কারণে পুরো এলাকা নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলার বিশেষ ব্যবস্থায় রাখা হয়।
বেগম খালেদা জিয়া ছিলেন বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী এবং মুসলিম বিশ্বের অন্যতম নারী সরকারপ্রধান। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে আন্দোলন, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও মানুষের অধিকার আদায়ের সংগ্রামের কারণে তিনি আপোষহীন নেত্রী হিসেবে পরিচিতি লাভ করেন। সাধারণ মানুষের ভালোবাসায় তিনি গণতন্ত্রের মাতা ও জাতীয় নেত্রী হিসেবে সম্মানিত হন।
জানাজায় প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস, উপদেষ্টা পরিষদের সদস্যবৃন্দ, তিন বাহিনীর প্রধান, বিএনপি ও অন্যান্য রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। পাশাপাশি বিদেশি কূটনীতিকদের অংশগ্রহণ এই জানাজাকে আন্তর্জাতিক মাত্রা দেয়।
জানাজার আগে বেগম খালেদা জিয়ার মরদেহ জাতীয় পতাকায় মোড়ানো গাড়িতে করে গুলশান থেকে সংসদ ভবন এলাকায় নেওয়া হয়। লাল-সবুজে সজ্জিত গাড়িবহরটি পথে পথে মানুষের শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায় সিক্ত হয়। সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় মরদেহ পৌঁছানোর পর সেখানে তাঁর দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের বিভিন্ন বক্তব্য প্রচার করা হয়।
জানাজা শেষে মরদেহ আবার সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজা এলাকা থেকে দাফনের উদ্দেশ্যে নেওয়া হয়। শেষ বিদায়ে উপস্থিত মানুষের চোখে ছিল অশ্রু, মুখে ছিল প্রিয় নেত্রীর প্রতি গভীর শ্রদ্ধা। এই উপস্থিতি প্রমাণ করে, একজন রাজনৈতিক নেতার প্রতি জনগণের ভালোবাসা কতটা গভীর হতে পারে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, বেগম খালেদা জিয়ার জানাজায় মানুষের এই স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতি তাঁর দীর্ঘ রাজনৈতিক সংগ্রাম ও ত্যাগেরই প্রতিফলন। ইতিহাসে তাঁর নাম কেবল একজন প্রধানমন্ত্রী হিসেবেই নয়, বরং গণতন্ত্রের সংগ্রামী নেত্রী হিসেবেও চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে।

