নবীনগরে স্বতন্ত্র প্রার্থীর কাছে বিএনপির প্রার্থীর ধরাশায়ী হওয়ার শঙ্কা

মাজহারুল ইসলাম বাদলঃ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি’র মনোনীত প্রার্থী এডভোকেট মো. আব্দুল মান্নান ও স্বতন্ত্র প্রার্থী কাজী মো. নাজমুল হোসেন তাপসকে কেন্দ্র করে উত্তাপ বৃদ্ধি পাচ্ছে। স্থানীয় রাজনৈতিক পর্যালোচনায় দেখা যাচ্ছে, স্বতন্ত্র প্রার্থী তাপসের জনপ্রিয়তা ও দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক পরিশ্রমের কারণে বিএনপি প্রার্থীর জন্য গুরুতর চ্যালেঞ্জ সৃষ্টি হচ্ছে।

কাজী মো. নাজমুল হোসেন তাপস জেলা বিএনপি’র সাবেক অর্থ সম্পাদক এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়া ০৫, নবীনগরের চারবারের সাবেক এমপি মরহুম কাজী মো. আনোয়ার হোসেনের ছেলে। ২০১৮ সালের সংসদ নির্বাচনে তিনি বিএনপি’র ধানের শীষ প্রতিকের প্রার্থী ছিলেন। বর্তমানে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে তিনি ফুটবল মার্কা প্রতিক নিয়ে ভোটে অংশ নিচ্ছেন।

নবীনগরের বিভিন্ন এলাকা ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এ দুই প্রার্থীর জনপ্রিয়তা নিয়ে তুমুল আলোচনা চলছে। নির্বাচনী মাঠে তাপসের সমর্থকরা দীর্ঘদিন ধরে তাকে অনুসরণ করছেন, যা তাকে একটি শক্তিশালী প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে চিহ্নিত করছে। অন্যদিকে, ধানের শীষ প্রতিকের আওতায় এডভোকেট মো. আব্দুল মান্নানের রাজনৈতিক কেরিয়ারের ৪০ বছর ধরে সমর্থকদের মধ্যে আশাবাদ বজায় আছে।

গত ২৯ ডিসেম্বর মনোয়নপত্র দাখিলের শেষ দিনে তাপসের নেতাকর্মীদের সঙ্গে উপস্থিত হওয়ার সময় তার আবেগপ্রবণতা এবং কান্না দেখা যায়। এই দৃশ্য সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়ায় স্বতন্ত্র প্রার্থীর প্রতি সমর্থনের সম্ভাবনা আরও শক্তিশালী হয়েছে। ফলে নির্বাচনী কুশপুতুলে রাজনৈতিক উত্তাপ বৃদ্ধি পেয়েছে।

উপজেলাবাসী এবং রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, তাপসের মাঠের জনপ্রিয়তা ও বিএনপির দীর্ঘদিনের ভোট সংগ্রহের ইতিহাস নির্বাচনে সমান প্রতিযোগিতা তৈরি করেছে। কোন প্রার্থী শেষ পর্যন্ত জয়ী হবেন, তা এখনো অনিশ্চিত। নবীনগরের ভোটাররা উভয় প্রার্থীর মধ্যে কোন পক্ষে ঝুঁকবেন তা নির্ধারণের জন্য ভোটের দিন পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে।

নির্বাচনী মাঠে বিএনপি ও স্বতন্ত্র প্রার্থীর লড়াই স্থানীয় রাজনৈতিক মনোভাবকে প্রভাবিত করবে। দুই প্রার্থীর সমর্থকরা এখন নির্বাচনী প্রচার ও মাঠের কর্মসূচিতে বেশি মনোযোগ দিচ্ছেন। এই আসনে ভোটারদের দ্বিধা এবং সমর্থনের পার্থক্য নির্বাচনের ফলাফলকে উল্লেখযোগ্যভাবে প্রভাবিত করতে পারে।

নবীনগরে স্বতন্ত্র প্রার্থীর কাছে বিএনপির প্রার্থীর ধরাশায়ী হওয়ার শঙ্কা

জানুয়ারি ২, ২০২৬

মাজহারুল ইসলাম বাদলঃ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি’র মনোনীত প্রার্থী এডভোকেট মো. আব্দুল মান্নান ও স্বতন্ত্র প্রার্থী কাজী মো. নাজমুল হোসেন তাপসকে কেন্দ্র করে উত্তাপ বৃদ্ধি পাচ্ছে। স্থানীয় রাজনৈতিক পর্যালোচনায় দেখা যাচ্ছে, স্বতন্ত্র প্রার্থী তাপসের জনপ্রিয়তা ও দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক পরিশ্রমের কারণে বিএনপি প্রার্থীর জন্য গুরুতর চ্যালেঞ্জ সৃষ্টি হচ্ছে।

কাজী মো. নাজমুল হোসেন তাপস জেলা বিএনপি’র সাবেক অর্থ সম্পাদক এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়া ০৫, নবীনগরের চারবারের সাবেক এমপি মরহুম কাজী মো. আনোয়ার হোসেনের ছেলে। ২০১৮ সালের সংসদ নির্বাচনে তিনি বিএনপি’র ধানের শীষ প্রতিকের প্রার্থী ছিলেন। বর্তমানে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে তিনি ফুটবল মার্কা প্রতিক নিয়ে ভোটে অংশ নিচ্ছেন।

নবীনগরের বিভিন্ন এলাকা ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এ দুই প্রার্থীর জনপ্রিয়তা নিয়ে তুমুল আলোচনা চলছে। নির্বাচনী মাঠে তাপসের সমর্থকরা দীর্ঘদিন ধরে তাকে অনুসরণ করছেন, যা তাকে একটি শক্তিশালী প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে চিহ্নিত করছে। অন্যদিকে, ধানের শীষ প্রতিকের আওতায় এডভোকেট মো. আব্দুল মান্নানের রাজনৈতিক কেরিয়ারের ৪০ বছর ধরে সমর্থকদের মধ্যে আশাবাদ বজায় আছে।

গত ২৯ ডিসেম্বর মনোয়নপত্র দাখিলের শেষ দিনে তাপসের নেতাকর্মীদের সঙ্গে উপস্থিত হওয়ার সময় তার আবেগপ্রবণতা এবং কান্না দেখা যায়। এই দৃশ্য সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়ায় স্বতন্ত্র প্রার্থীর প্রতি সমর্থনের সম্ভাবনা আরও শক্তিশালী হয়েছে। ফলে নির্বাচনী কুশপুতুলে রাজনৈতিক উত্তাপ বৃদ্ধি পেয়েছে।

উপজেলাবাসী এবং রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, তাপসের মাঠের জনপ্রিয়তা ও বিএনপির দীর্ঘদিনের ভোট সংগ্রহের ইতিহাস নির্বাচনে সমান প্রতিযোগিতা তৈরি করেছে। কোন প্রার্থী শেষ পর্যন্ত জয়ী হবেন, তা এখনো অনিশ্চিত। নবীনগরের ভোটাররা উভয় প্রার্থীর মধ্যে কোন পক্ষে ঝুঁকবেন তা নির্ধারণের জন্য ভোটের দিন পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে।

নির্বাচনী মাঠে বিএনপি ও স্বতন্ত্র প্রার্থীর লড়াই স্থানীয় রাজনৈতিক মনোভাবকে প্রভাবিত করবে। দুই প্রার্থীর সমর্থকরা এখন নির্বাচনী প্রচার ও মাঠের কর্মসূচিতে বেশি মনোযোগ দিচ্ছেন। এই আসনে ভোটারদের দ্বিধা এবং সমর্থনের পার্থক্য নির্বাচনের ফলাফলকে উল্লেখযোগ্যভাবে প্রভাবিত করতে পারে।