বাউল সংগীতাঙ্গনে শোক: ফকির আলম শাহ আর নেই

সেলিম মাহবুবঃ

সিলেট ও সুনামগঞ্জ অঞ্চলের লোকসংগীত ও বাউল ধারার অঙ্গনে নেমে এসেছে গভীর শোক। ছাতকের দুর্বীণ টিলার ঐতিহ্যবাহী মরমী সাধক পরিবারের সদস্য, গীতিকবি ও লোকসংগীতচর্চার নিবেদিত প্রাণ ফকির আলম শাহ ইন্তেকাল করেছেন। তার মৃত্যুতে স্থানীয় সাংস্কৃতিক অঙ্গনসহ ভক্ত ও অনুসারীদের মাঝে শোকের আবহ বিরাজ করছে। দীর্ঘদিন ধরে তিনি লোকসংগীত ও আধ্যাত্মিক চেতনার ধারক হিসেবে পরিচিত ছিলেন।
রবিবার ১১ জানুয়ারি সিলেট নগরীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তার ইন্তেকালের খবরে ছাতকসহ আশপাশের এলাকায় দ্রুত শোকবার্তা ছড়িয়ে পড়ে। পরিবার, স্বজন ও সাংস্কৃতিক কর্মীরা হাসপাতালে ছুটে যান এবং মরহুমের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন।
ফকির আলম শাহ ছিলেন কিংবদন্তি মরমী কবি ও বাউল সাধক ফকির মোহাম্মদ দুর্বীণ শাহের সন্তান। বাবার আদর্শ ও দর্শন অনুসরণ করে তিনি লোকগানের চর্চায় নিজস্ব অবস্থান তৈরি করেছিলেন। গীতিকবি হিসেবে তার রচিত বহু গান স্থানীয় আসর ও মরমী সংগীতানুষ্ঠানে নিয়মিত পরিবেশিত হতো। তার লেখায় মানবিকতা, আত্মজিজ্ঞাসা ও আধ্যাত্মিক অনুরণন স্পষ্টভাবে ফুটে উঠত।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, মরহুম ফকির আলম শাহের জানাজার নামাজ সোমবার বিকেল ২টায় ছাতকে নিজ বাড়িতে অনুষ্ঠিত হবে। জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হবে। পরিবারের পক্ষ থেকে সকল শুভানুধ্যায়ী ও এলাকাবাসীর কাছে তার আত্মার শান্তির জন্য দোয়া কামনা করা হয়েছে।
লোকসংগীতপ্রেমীরা মনে করছেন, তার ইন্তেকালে দুর্বীণ টিলার বাউল ধারায় একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ের পরিসমাপ্তি ঘটল। তবে তার লেখা গান ও চিন্তাধারা ভবিষ্যত প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে।

বাউল সংগীতাঙ্গনে শোক: ফকির আলম শাহ আর নেই

জানুয়ারি ১১, ২০২৬

সেলিম মাহবুবঃ

সিলেট ও সুনামগঞ্জ অঞ্চলের লোকসংগীত ও বাউল ধারার অঙ্গনে নেমে এসেছে গভীর শোক। ছাতকের দুর্বীণ টিলার ঐতিহ্যবাহী মরমী সাধক পরিবারের সদস্য, গীতিকবি ও লোকসংগীতচর্চার নিবেদিত প্রাণ ফকির আলম শাহ ইন্তেকাল করেছেন। তার মৃত্যুতে স্থানীয় সাংস্কৃতিক অঙ্গনসহ ভক্ত ও অনুসারীদের মাঝে শোকের আবহ বিরাজ করছে। দীর্ঘদিন ধরে তিনি লোকসংগীত ও আধ্যাত্মিক চেতনার ধারক হিসেবে পরিচিত ছিলেন।
রবিবার ১১ জানুয়ারি সিলেট নগরীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তার ইন্তেকালের খবরে ছাতকসহ আশপাশের এলাকায় দ্রুত শোকবার্তা ছড়িয়ে পড়ে। পরিবার, স্বজন ও সাংস্কৃতিক কর্মীরা হাসপাতালে ছুটে যান এবং মরহুমের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন।
ফকির আলম শাহ ছিলেন কিংবদন্তি মরমী কবি ও বাউল সাধক ফকির মোহাম্মদ দুর্বীণ শাহের সন্তান। বাবার আদর্শ ও দর্শন অনুসরণ করে তিনি লোকগানের চর্চায় নিজস্ব অবস্থান তৈরি করেছিলেন। গীতিকবি হিসেবে তার রচিত বহু গান স্থানীয় আসর ও মরমী সংগীতানুষ্ঠানে নিয়মিত পরিবেশিত হতো। তার লেখায় মানবিকতা, আত্মজিজ্ঞাসা ও আধ্যাত্মিক অনুরণন স্পষ্টভাবে ফুটে উঠত।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, মরহুম ফকির আলম শাহের জানাজার নামাজ সোমবার বিকেল ২টায় ছাতকে নিজ বাড়িতে অনুষ্ঠিত হবে। জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হবে। পরিবারের পক্ষ থেকে সকল শুভানুধ্যায়ী ও এলাকাবাসীর কাছে তার আত্মার শান্তির জন্য দোয়া কামনা করা হয়েছে।
লোকসংগীতপ্রেমীরা মনে করছেন, তার ইন্তেকালে দুর্বীণ টিলার বাউল ধারায় একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ের পরিসমাপ্তি ঘটল। তবে তার লেখা গান ও চিন্তাধারা ভবিষ্যত প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে।