মনির হোসেন, নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
খাগড়াছড়িতে মোটর পার্টস ব্যবসায়ী ও কে.পি মোটরসের স্বত্বাধিকারী টোটেন দে নামের এক ব্যক্তি আত্মহত্যা করেছেন। বুধবার (১১ মার্চ) এই রহস্যজনক ঘটনাটি ঘটেছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, টোটেন দে দীর্ঘদিন ধরে খাগড়াছড়িতে মোটর পার্টসের ব্যবসা পরিচালনা করতেন। তিনি স্থানীয়ভাবে পরিচিত একজন ব্যবসায়ী ছিলেন। হঠাৎ করে তার আত্মহত্যার খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয়দের মধ্যে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।
ঋণের চাপে হতাশা ঋণের চাপে হতাশা থেকে আত্মহত্যার ধারণা
খাগড়াছড়ি সদর থানার এসআই সেন্টু চন্দ্র দাস জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে ঋণের চাপে হতাশা থেকেই টোটেন দে আত্মহত্যার পথ বেছে নিতে পারেন। তিনি ব্যাংক থেকে প্রায় ৪৩ লাখ টাকার সিসি (ক্যাশ ক্রেডিট) ঋণ নিয়েছিলেন বলে জানা গেছে।
পুলিশের মতে, দীর্ঘদিন ধরে ঋণের চাপ ও আর্থিক সংকটের কারণে তিনি মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছিলেন। তবে আত্মহত্যার সঠিক কারণ নিশ্চিত হতে তদন্ত চলছে।
ময়নাতদন্তের জন্য লাশ মর্গে প্রেরণ
ঘটনার পর পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য খাগড়াছড়ি সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যাবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
এদিকে এই ঘটনায় এখনো পর্যন্ত থানায় কোনো অভিযোগ দায়ের করা হয়নি। পুলিশ বিষয়টি তদন্ত করে দেখছে।
স্থানীয়রা জানান, টোটেন দে একজন পরিশ্রমী ব্যবসায়ী ছিলেন। তার হঠাৎ মৃত্যুতে পরিবার ও এলাকাবাসীর মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
আরোও পড়ুন – স্ত্রীর সাথে অভিমান করে প্রান দিলেন জিয়াউল
খাগড়াছড়িতে মোটর পার্টস ব্যবসায়ীর আত্মহত্যা | ঋণের চাপে টোটেন দের মৃত্যু
মনির হোসেন, নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
খাগড়াছড়িতে মোটর পার্টস ব্যবসায়ী ও কে.পি মোটরসের স্বত্বাধিকারী টোটেন দে নামের এক ব্যক্তি আত্মহত্যা করেছেন। বুধবার (১১ মার্চ) এই রহস্যজনক ঘটনাটি ঘটেছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, টোটেন দে দীর্ঘদিন ধরে খাগড়াছড়িতে মোটর পার্টসের ব্যবসা পরিচালনা করতেন। তিনি স্থানীয়ভাবে পরিচিত একজন ব্যবসায়ী ছিলেন। হঠাৎ করে তার আত্মহত্যার খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয়দের মধ্যে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।
ঋণের চাপে হতাশা ঋণের চাপে হতাশা থেকে আত্মহত্যার ধারণা
খাগড়াছড়ি সদর থানার এসআই সেন্টু চন্দ্র দাস জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে ঋণের চাপে হতাশা থেকেই টোটেন দে আত্মহত্যার পথ বেছে নিতে পারেন। তিনি ব্যাংক থেকে প্রায় ৪৩ লাখ টাকার সিসি (ক্যাশ ক্রেডিট) ঋণ নিয়েছিলেন বলে জানা গেছে।
পুলিশের মতে, দীর্ঘদিন ধরে ঋণের চাপ ও আর্থিক সংকটের কারণে তিনি মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছিলেন। তবে আত্মহত্যার সঠিক কারণ নিশ্চিত হতে তদন্ত চলছে।
ময়নাতদন্তের জন্য লাশ মর্গে প্রেরণ
ঘটনার পর পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য খাগড়াছড়ি সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যাবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
এদিকে এই ঘটনায় এখনো পর্যন্ত থানায় কোনো অভিযোগ দায়ের করা হয়নি। পুলিশ বিষয়টি তদন্ত করে দেখছে।
স্থানীয়রা জানান, টোটেন দে একজন পরিশ্রমী ব্যবসায়ী ছিলেন। তার হঠাৎ মৃত্যুতে পরিবার ও এলাকাবাসীর মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
আরোও পড়ুন – স্ত্রীর সাথে অভিমান করে প্রান দিলেন জিয়াউল