নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
পবিত্র ঈদুল ফিতরের পাঁচ দিন পার হলেও দেশের বিভিন্ন স্থানে ঈদে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় বন্ধ হয়নি। পরিবহন সংশ্লিষ্ট কিছু অসাধু ব্যক্তির কারণে যাত্রীরা প্রতিনিয়ত ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন।
নওগাঁ-নারায়ণগঞ্জ রুটে বাড়তি ভাড়া
২৫ মার্চ (বুধবার) নওগাঁর শ্যামলী পরিবহন কাউন্টারে ৭০০ টাকার টিকিট ১০০০ টাকায় বিক্রির অভিযোগ উঠেছে। শুধু তাই নয়, যাত্রীদের কাছ থেকে ‘ঈদ বকশিস’ নামেও অতিরিক্ত টাকা নেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
একইভাবে আল বারাকা ট্রাভেলসের বিরুদ্ধেও ঈদে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। নওগাঁ থেকে নারায়ণগঞ্জ রুটে ৭০০ টাকার ভাড়া ৯০০ টাকা নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন যাত্রীরা।
গোপনে সিট বিক্রি ও অতিরিক্ত টাকা আদায়
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ভুক্তভোগীর পাঠানো ভিডিওতে দেখা যায়, শ্যামলী কাউন্টার থেকে সিট না থাকার কথা বলা হলেও পাশের এক স্টাফ অতিরিক্ত ৩০০ টাকার বিনিময়ে তিনটি সিট দেওয়ার প্রস্তাব দেন।
এ সময় ওই স্টাফ ‘বকশিস’ দেওয়ারও দাবি করেন, যা ঈদে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়-এর নতুন কৌশল হিসেবে দেখা হচ্ছে।
ঈদের পর ভাড়া অস্বাভাবিক বৃদ্ধি
যেখানে ঢাকা থেকে নওগাঁ রুটে ঈদের পরের দিনের ভাড়া ৬৫০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে, সেখানে কয়েকদিনের ব্যবধানে ফেরার সময় ভাড়া অস্বাভাবিকভাবে বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।
সিন্ডিকেটের মাধ্যমে যাত্রীদের জিম্মি
অনেক যাত্রীর ধারণা, একটি শক্তিশালী সিন্ডিকেট গড়ে তুলে পরিকল্পিতভাবে ঈদে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে। এতে করে সাধারণ মানুষকে জিম্মি করে বাড়তি টাকা আদায় করা হচ্ছে।
এ অবস্থায় যাত্রীরা প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। তারা আশা করছেন, দ্রুত ব্যবস্থা নিয়ে এই অনিয়ম বন্ধ করা হবে।
আরোও পড়ুন – হাবিপ্রবিতে ঈদের মধ্যাহ্নভোজ: শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ আয়োজন
ঈদে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় ৫ম দিনেও বন্ধ হয়নি, বকশিসের নামে চাঁদাবাজীর অভিযোগ
নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
পবিত্র ঈদুল ফিতরের পাঁচ দিন পার হলেও দেশের বিভিন্ন স্থানে ঈদে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় বন্ধ হয়নি। পরিবহন সংশ্লিষ্ট কিছু অসাধু ব্যক্তির কারণে যাত্রীরা প্রতিনিয়ত ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন।
নওগাঁ-নারায়ণগঞ্জ রুটে বাড়তি ভাড়া
২৫ মার্চ (বুধবার) নওগাঁর শ্যামলী পরিবহন কাউন্টারে ৭০০ টাকার টিকিট ১০০০ টাকায় বিক্রির অভিযোগ উঠেছে। শুধু তাই নয়, যাত্রীদের কাছ থেকে ‘ঈদ বকশিস’ নামেও অতিরিক্ত টাকা নেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
একইভাবে আল বারাকা ট্রাভেলসের বিরুদ্ধেও ঈদে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। নওগাঁ থেকে নারায়ণগঞ্জ রুটে ৭০০ টাকার ভাড়া ৯০০ টাকা নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন যাত্রীরা।
গোপনে সিট বিক্রি ও অতিরিক্ত টাকা আদায়
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ভুক্তভোগীর পাঠানো ভিডিওতে দেখা যায়, শ্যামলী কাউন্টার থেকে সিট না থাকার কথা বলা হলেও পাশের এক স্টাফ অতিরিক্ত ৩০০ টাকার বিনিময়ে তিনটি সিট দেওয়ার প্রস্তাব দেন।
এ সময় ওই স্টাফ ‘বকশিস’ দেওয়ারও দাবি করেন, যা ঈদে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়-এর নতুন কৌশল হিসেবে দেখা হচ্ছে।
ঈদের পর ভাড়া অস্বাভাবিক বৃদ্ধি
যেখানে ঢাকা থেকে নওগাঁ রুটে ঈদের পরের দিনের ভাড়া ৬৫০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে, সেখানে কয়েকদিনের ব্যবধানে ফেরার সময় ভাড়া অস্বাভাবিকভাবে বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।
সিন্ডিকেটের মাধ্যমে যাত্রীদের জিম্মি
অনেক যাত্রীর ধারণা, একটি শক্তিশালী সিন্ডিকেট গড়ে তুলে পরিকল্পিতভাবে ঈদে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে। এতে করে সাধারণ মানুষকে জিম্মি করে বাড়তি টাকা আদায় করা হচ্ছে।
এ অবস্থায় যাত্রীরা প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। তারা আশা করছেন, দ্রুত ব্যবস্থা নিয়ে এই অনিয়ম বন্ধ করা হবে।
আরোও পড়ুন – হাবিপ্রবিতে ঈদের মধ্যাহ্নভোজ: শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ আয়োজন