রাজশাহী ব্যুরোঃ
ভোক্তা সাধারণের জ্বালানি তেল প্রাপ্তি নিশ্চিত করতে এবং পরিমাপের সঠিকতা যাচাইয়ে বগুড়ায় পরিচালিত হয়েছে ফিলিং স্টেশন অভিযান।
রোববার (২৯ মার্চ) বগুড়া সদর উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় পৃথক দুটি মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে এই ফিলিং স্টেশন অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে বিভিন্ন পাম্পের জ্বালানি তেলের মান ও পরিমাণ পরীক্ষা করা হয়।
অভিযানকালে একটি ফিলিং স্টেশনসহ দুই ব্যক্তিকে আর্থিক দণ্ড প্রদান করেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো. শাহজালাল এবং মোছা. সাবিনা ইয়াসমিন-এর নেতৃত্বে প্রথম মোবাইল কোর্ট পরিচালিত হয়।
অভিযানে স্টেশন রোডের মেসার্স মিতালী ফিলিং স্টেশনকে ‘ওজন ও পরিমাপ মানদণ্ড আইন, ২০১৮’ অনুযায়ী ৫,০০০ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়।
এছাড়া চারমাথা এলাকার মেসার্স মেহেরা সার্ভিস স্টেশনের জ্বালানি তেলের পরিমাপ ও স্টোরেজ ট্যাংকের মজুদ যাচাই করা হয়।
এই ফিলিং স্টেশন অভিযান চলাকালে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে পর্যাপ্ত মজুদ থাকা পর্যন্ত সঠিকভাবে তেল বিক্রির নির্দেশ দেওয়া হয়।
একই অভিযানে লাইসেন্সবিহীন মোটরসাইকেল চালানোর দায়ে এক ব্যক্তিকে ‘সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮’ অনুযায়ী ৫০০ টাকা জরিমানা করা হয়।
এই আদালতে প্রসিকিউটর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন বিএসটিআই আঞ্চলিক কার্যালয়ের পরিদর্শক (মেট্রোলজি) প্রকৌশলী প্রান্তজিত সরকার এবং ফিল্ড অফিসার প্রকৌশলী তুষার সাহা।
একই দিনে এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মেহরাব হোসেন-এর নেতৃত্বে দ্বিতীয় মোবাইল কোর্ট পরিচালিত হয়।
এই টিম মাটিডালীর করোতোয়া ফিলিং স্টেশন, বাঘোপাড়ার নিউ চলাচল ফিলিং স্টেশন, এম এইচ খান এন্ড পার্টনার, বগুড়া সিএনজি ফিলিং স্টেশন এবং মেসার্স বানু ফিলিং স্টেশনে তদারকি চালায়।
দ্বিতীয় দফার ফিলিং স্টেশন অভিযান-এ প্রতিটি প্রতিষ্ঠানের জ্বালানি তেলের পরিমাপ ও স্টোরেজ ট্যাংকের মজুদ পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই করা হয়।
এসময় মজুদ থাকা সাপেক্ষে তেল বিক্রিতে কোনো অনিয়ম না করার জন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেওয়া হয়।
এছাড়া লাইসেন্স ও হেলমেটবিহীন মোটরসাইকেল চালানোর অপরাধে অন্য এক ব্যক্তিকে সড়ক পরিবহন আইনে ২০০ টাকা জরিমানা করা হয়।
এই পর্বেও প্রসিকিউটর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন প্রকৌশলী প্রান্তজিত সরকার ও প্রকৌশলী তুষার সাহা।
বিএসটিআই আঞ্চলিক কার্যালয়, বগুড়া জানিয়েছে, জনস্বার্থে জ্বালানি তেলের সঠিক পরিমাপ ও সরবরাহ নিশ্চিত করতে নিয়মিত ফিলিং স্টেশন অভিযান অব্যাহত থাকবে।
আরোও পড়ুন – খাগড়াছড়ির দিঘীনালায় জ্বালানি তেলের কৃত্রিম সংকট, বিপাকে পর্যটক ও স্থানীয়রা
বগুড়ায় ফিলিং স্টেশন অভিযান: ৭ পাম্পে তদারকি, জরিমানা | ফিলিং স্টেশন অভিযান
রাজশাহী ব্যুরোঃ
ভোক্তা সাধারণের জ্বালানি তেল প্রাপ্তি নিশ্চিত করতে এবং পরিমাপের সঠিকতা যাচাইয়ে বগুড়ায় পরিচালিত হয়েছে ফিলিং স্টেশন অভিযান।
রোববার (২৯ মার্চ) বগুড়া সদর উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় পৃথক দুটি মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে এই ফিলিং স্টেশন অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে বিভিন্ন পাম্পের জ্বালানি তেলের মান ও পরিমাণ পরীক্ষা করা হয়।
অভিযানকালে একটি ফিলিং স্টেশনসহ দুই ব্যক্তিকে আর্থিক দণ্ড প্রদান করেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো. শাহজালাল এবং মোছা. সাবিনা ইয়াসমিন-এর নেতৃত্বে প্রথম মোবাইল কোর্ট পরিচালিত হয়।
অভিযানে স্টেশন রোডের মেসার্স মিতালী ফিলিং স্টেশনকে ‘ওজন ও পরিমাপ মানদণ্ড আইন, ২০১৮’ অনুযায়ী ৫,০০০ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়।
এছাড়া চারমাথা এলাকার মেসার্স মেহেরা সার্ভিস স্টেশনের জ্বালানি তেলের পরিমাপ ও স্টোরেজ ট্যাংকের মজুদ যাচাই করা হয়।
এই ফিলিং স্টেশন অভিযান চলাকালে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে পর্যাপ্ত মজুদ থাকা পর্যন্ত সঠিকভাবে তেল বিক্রির নির্দেশ দেওয়া হয়।
একই অভিযানে লাইসেন্সবিহীন মোটরসাইকেল চালানোর দায়ে এক ব্যক্তিকে ‘সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮’ অনুযায়ী ৫০০ টাকা জরিমানা করা হয়।
এই আদালতে প্রসিকিউটর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন বিএসটিআই আঞ্চলিক কার্যালয়ের পরিদর্শক (মেট্রোলজি) প্রকৌশলী প্রান্তজিত সরকার এবং ফিল্ড অফিসার প্রকৌশলী তুষার সাহা।
একই দিনে এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মেহরাব হোসেন-এর নেতৃত্বে দ্বিতীয় মোবাইল কোর্ট পরিচালিত হয়।
এই টিম মাটিডালীর করোতোয়া ফিলিং স্টেশন, বাঘোপাড়ার নিউ চলাচল ফিলিং স্টেশন, এম এইচ খান এন্ড পার্টনার, বগুড়া সিএনজি ফিলিং স্টেশন এবং মেসার্স বানু ফিলিং স্টেশনে তদারকি চালায়।
দ্বিতীয় দফার ফিলিং স্টেশন অভিযান-এ প্রতিটি প্রতিষ্ঠানের জ্বালানি তেলের পরিমাপ ও স্টোরেজ ট্যাংকের মজুদ পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই করা হয়।
এসময় মজুদ থাকা সাপেক্ষে তেল বিক্রিতে কোনো অনিয়ম না করার জন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেওয়া হয়।
এছাড়া লাইসেন্স ও হেলমেটবিহীন মোটরসাইকেল চালানোর অপরাধে অন্য এক ব্যক্তিকে সড়ক পরিবহন আইনে ২০০ টাকা জরিমানা করা হয়।
এই পর্বেও প্রসিকিউটর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন প্রকৌশলী প্রান্তজিত সরকার ও প্রকৌশলী তুষার সাহা।
বিএসটিআই আঞ্চলিক কার্যালয়, বগুড়া জানিয়েছে, জনস্বার্থে জ্বালানি তেলের সঠিক পরিমাপ ও সরবরাহ নিশ্চিত করতে নিয়মিত ফিলিং স্টেশন অভিযান অব্যাহত থাকবে।
আরোও পড়ুন – খাগড়াছড়ির দিঘীনালায় জ্বালানি তেলের কৃত্রিম সংকট, বিপাকে পর্যটক ও স্থানীয়রা