বাগেরহাট প্রতিনিধিঃ
মোরেলগঞ্জের লক্ষীখালীতে শ্রীধাম গোপাল চাঁদ সাধু ঠাকুরের ১০৪ তম বারুণী স্নান উৎসব ও মতুয়া মেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এটি শ্রী শ্রী হরিচাঁদ ঠাকুরের ২১৫ তম শুভ আবির্ভাব উৎসবের অংশ হিসেবে আয়োজন করা হয়েছে। উৎসবটি ৩০ মার্চ (সোমবার) সকাল ৮টা থেকে ৩১ মার্চ (মঙ্গলবার) সকাল ৮টা পর্যন্ত চলে। গোপাল চাঁদ বারুণী স্নান শীর্ষক এই মেলার প্রতি বছর মতুয়া সম্প্রদায়ের হাজারো নারী ও পুরুষ অংশগ্রহণ করে থাকেন।
রাত থেকেই সনাতন ধর্মাবলম্বী ও মতুয়া ভক্তরা মেলায় উপস্থিত হন। মূলত তারা ইহজাগতিক পাপ মোচন ও পরামার্থিক কল্যাণের জন্য পূর্ণ স্নানের মাধ্যমে অংশগ্রহণ করেন। নিশান ও ডাঙ্গা ঢোলের হরিনামে পুরো মাঠ মাতোয়ারা হয়ে ওঠে। গোপাল চাঁদ বারুণী স্নান এ বছরও আগের বছরের মতো লাখো ভক্তের পদচারণায় মুখরিত ছিল।
বাংলাদেশ মতুয়া মহাসংঘের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হাবিবুল্লাহ এবং অন্যান্য প্রশাসনিক কর্মকর্তারা উৎসবে অংশগ্রহণ করেছেন। মোরেলগঞ্জ থানার ওসি মো. মাহমুদুর রহমান জানিয়েছেন, মেলায় নিরাপত্তার জন্য সকল প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে। জেলা পুলিশ সুপার মো. হাসান চৌধুরি পরিদর্শন করেছেন এবং ১১২ জন পুলিশ অফিসারসহ সার্বক্ষণিক ফোর্স মাঠে অবস্থান করছে।
পূর্ণব্রহ্ম শ্রী শ্রী হরিগুরু চাঁদ ঠাকুরের ২১৫ তম শুভ জয়ন্তি স্মরণে ১৩২৮ সাল থেকে মোরেলগঞ্জ উপজেলার লক্ষীখালী গ্রামে এই মেলা প্রতিবছর অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে। এটি বর্তমানে ‘গোপাল সাধুর মতুয়া মেলা’ নামে পরিচিত। দেশের ৪ শতাধিক দল ও ভারত, শ্রীলংকা, নেপাল, ভুটান সহ বিভিন্ন দেশের ভক্তরা বারুণী স্নান ও মেলায় অংশগ্রহণ করেন।
মোরেলগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার হাবিবুল্লাহ জানিয়েছেন, মেলায় সার্বক্ষণিক নিরাপত্তা ও তত্ত্বাবধানে পুলিশ, স্বেচ্ছাসেবক ও আনসার রয়েছে। তিনি নিজেও দুইবার পরিদর্শন করেছেন এবং বিকেলে জেলা প্রশাসক ও অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনারসহ কর্মকর্তারা মেলায় অংশ নেবেন।
আরোও পড়ুন – রামপালে আন্তর্জাতিক বর্ণবৈষম্য বিলোপ দিবস উদযাপন | সমতা ও নাগরিক সচেতনতা
মোরেলগঞ্জে লক্ষীখালী গোপাল সাধুর ১০৪ তম বারুণী স্নান উৎসব
বাগেরহাট প্রতিনিধিঃ
মোরেলগঞ্জের লক্ষীখালীতে শ্রীধাম গোপাল চাঁদ সাধু ঠাকুরের ১০৪ তম বারুণী স্নান উৎসব ও মতুয়া মেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এটি শ্রী শ্রী হরিচাঁদ ঠাকুরের ২১৫ তম শুভ আবির্ভাব উৎসবের অংশ হিসেবে আয়োজন করা হয়েছে। উৎসবটি ৩০ মার্চ (সোমবার) সকাল ৮টা থেকে ৩১ মার্চ (মঙ্গলবার) সকাল ৮টা পর্যন্ত চলে। গোপাল চাঁদ বারুণী স্নান শীর্ষক এই মেলার প্রতি বছর মতুয়া সম্প্রদায়ের হাজারো নারী ও পুরুষ অংশগ্রহণ করে থাকেন।
রাত থেকেই সনাতন ধর্মাবলম্বী ও মতুয়া ভক্তরা মেলায় উপস্থিত হন। মূলত তারা ইহজাগতিক পাপ মোচন ও পরামার্থিক কল্যাণের জন্য পূর্ণ স্নানের মাধ্যমে অংশগ্রহণ করেন। নিশান ও ডাঙ্গা ঢোলের হরিনামে পুরো মাঠ মাতোয়ারা হয়ে ওঠে। গোপাল চাঁদ বারুণী স্নান এ বছরও আগের বছরের মতো লাখো ভক্তের পদচারণায় মুখরিত ছিল।
বাংলাদেশ মতুয়া মহাসংঘের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হাবিবুল্লাহ এবং অন্যান্য প্রশাসনিক কর্মকর্তারা উৎসবে অংশগ্রহণ করেছেন। মোরেলগঞ্জ থানার ওসি মো. মাহমুদুর রহমান জানিয়েছেন, মেলায় নিরাপত্তার জন্য সকল প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে। জেলা পুলিশ সুপার মো. হাসান চৌধুরি পরিদর্শন করেছেন এবং ১১২ জন পুলিশ অফিসারসহ সার্বক্ষণিক ফোর্স মাঠে অবস্থান করছে।
পূর্ণব্রহ্ম শ্রী শ্রী হরিগুরু চাঁদ ঠাকুরের ২১৫ তম শুভ জয়ন্তি স্মরণে ১৩২৮ সাল থেকে মোরেলগঞ্জ উপজেলার লক্ষীখালী গ্রামে এই মেলা প্রতিবছর অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে। এটি বর্তমানে ‘গোপাল সাধুর মতুয়া মেলা’ নামে পরিচিত। দেশের ৪ শতাধিক দল ও ভারত, শ্রীলংকা, নেপাল, ভুটান সহ বিভিন্ন দেশের ভক্তরা বারুণী স্নান ও মেলায় অংশগ্রহণ করেন।
মোরেলগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার হাবিবুল্লাহ জানিয়েছেন, মেলায় সার্বক্ষণিক নিরাপত্তা ও তত্ত্বাবধানে পুলিশ, স্বেচ্ছাসেবক ও আনসার রয়েছে। তিনি নিজেও দুইবার পরিদর্শন করেছেন এবং বিকেলে জেলা প্রশাসক ও অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনারসহ কর্মকর্তারা মেলায় অংশ নেবেন।
আরোও পড়ুন – রামপালে আন্তর্জাতিক বর্ণবৈষম্য বিলোপ দিবস উদযাপন | সমতা ও নাগরিক সচেতনতা