নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
মিষ্টি কথাবার্তা এবং মানুষের আস্থা অর্জনের মাধ্যমে দীর্ঘদিন ধরে প্রতারণা চালিয়ে আসছিলেন এক নারী। অভিযোগ অনুসারে, প্রতারক আফসারা আফরোজ কৌশলে বিভিন্ন ব্যক্তিকে ফাঁদে ফেলে প্রায় ৫৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়ে হঠাৎ করেই গা ঢাকা দিয়েছেন। ভুক্তভোগীরা জানান, তিনি কখনো নিজেকে বিদেশি নাগরিক, আবার কখনো পুলিশ বা উচ্চপদস্থ সংস্থার কর্মকর্তা পরিচয় দিয়ে সাধারণ মানুষের আস্থা অর্জন করতেন। তার এই অভিনব কৌশলের কারণে অনেকেই সহজেই প্রতারিত হয়েছেন এবং আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন।
গত ৯ এপ্রিল (বৃহস্পতিবার) নারায়ণগঞ্জের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রতারক আফসারা আফরোজ এর প্রতারণার বিষয়টি ব্যাপক আলোচনায় আসে। সূত্র মতে, তিনি বহু মানুষকে ফাঁদে ফেলে দীর্ঘদিন ধরে অর্থ হাতিয়ে নিয়েছেন। ভুক্তভোগীদের দাবি, তার প্রতারণা শুধু আর্থিক নয়, বরং মানসিকভাবেও মানুষকে দুর্বল করে ফেলার কৌশল। সামাজিক গ্রুপে সুসম্পর্ক গড়ে আস্থা অর্জন করা তার প্রধান কৌশল ছিল।
স্থানীয় সূত্র জানায়, নারায়ণগঞ্জের গোদনাইল চৌধুরী বাড়ি এলাকায় ‘আফসারা অডিটোরিয়াম’ নামে একটি লেডিস শোরুমের আড়ালে তার প্রতারণার কার্যক্রম চলতো। অভিযোগ রয়েছে, এখানে তিনি পণ্য বিক্রির আড়ালে বিভিন্ন ধরনের প্রলোভন দেখিয়ে অর্থ গ্রহণ করতেন। কখনো কাউকে বিদেশ পাঠানোর কথা বলতেন, কখনো সরকারি চাকরি দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিতেন, আবার কখনো ধর্মীয় রীতিতে রোকাইয়া বা চিকিৎসার নামে টাকা নিতেন।

অভিযোগ অনুযায়ী, তার ব্যক্তিগত জীবনও রহস্যময়। প্রতারণার পাশাপাশি তিনি প্রথম সংসারের স্বামীকে রেখে তার দেবরের বন্ধু সহ বিবাহবহির্ভূত সম্পর্ক চালিয়েছিলেন। পরবর্তীতে নারায়ণগঞ্জে এসে এক ব্যবসায়ীর সাথেও প্রতারণা করে বৈধ বিবাহে আবদ্ধ হন। এই বিষয়টি ভুক্তভোগীরা প্রকাশ করেছেন, যা তার নৈতিক ও সামাজিক অনৈতিকতার একটি অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
ভুক্তভোগীদের ভাষ্যমতে, তিনি প্রথমে সামাজিক গ্রুপ বা পরিচিতদের সঙ্গে সুসম্পর্ক তৈরি করতেন, এরপর আস্থা অর্জন করে বিভিন্নভাবে অর্থ আদায় করতেন। ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে পণ্য নিয়ে আর্থিক লেনদেনের পরে টাকা ফেরত না দিয়ে বহু মানুষকে মানসিকভাবে হতাশ করতেন। এই পুরো প্রক্রিয়া ছিল সুপরিকল্পিত, যা প্রতারক আফসারা আফরোজ এর প্রতারণাকে আরও ভয়াবহ করে তুলেছে।
তথ্য অনুযায়ী, তিনি কখনো নিজেকে অস্ট্রেলিয়ার নাগরিক, আবার কখনো বাংলাদেশ পুলিশের ডিবি সদস্য পরিচয় দিতেন। এই ভুয়া পরিচয় দিয়ে সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত করা তার প্রতারণার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ ছিল। বর্তমানে অভিযুক্ত প্রতারক আফসারা আফরোজ পলাতক রয়েছেন। ভুক্তভোগীরা দ্রুত তার গ্রেফতার এবং প্রতারিত অর্থ ফেরত দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
সামাজিক সচেতনরা সতর্ক করেছেন, অপরিচিত ব্যক্তির প্রলোভনে যেন কেউ না পড়ে। প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ ছাড়া এই ধরনের প্রতারণা চলতে থাকবে বলে মনে করছেন অনেকেই। এই ঘটনা প্রকাশ্যে আসার পর ভুক্তভোগীরা বিভিন্ন সামাজিক প্ল্যাটফর্মে অভিজ্ঞতা শেয়ার করছেন, যাতে আরও মানুষ সতর্ক থাকে।
আরোও পড়ুন – নারায়ণগঞ্জে সাংবাদিকদের প্রাণনাশের হুমকি: আদালতে মামলা, অভিযুক্ত ৮ জনের মধ্যে কলেজ ও মাদ্রাসা শিক্ষার্থীও
প্রায় অর্ধ কোটি টাকা হাতিয়ে লাপাত্তা প্রতারক আফসারা আফরোজ
নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
মিষ্টি কথাবার্তা এবং মানুষের আস্থা অর্জনের মাধ্যমে দীর্ঘদিন ধরে প্রতারণা চালিয়ে আসছিলেন এক নারী। অভিযোগ অনুসারে, প্রতারক আফসারা আফরোজ কৌশলে বিভিন্ন ব্যক্তিকে ফাঁদে ফেলে প্রায় ৫৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়ে হঠাৎ করেই গা ঢাকা দিয়েছেন। ভুক্তভোগীরা জানান, তিনি কখনো নিজেকে বিদেশি নাগরিক, আবার কখনো পুলিশ বা উচ্চপদস্থ সংস্থার কর্মকর্তা পরিচয় দিয়ে সাধারণ মানুষের আস্থা অর্জন করতেন। তার এই অভিনব কৌশলের কারণে অনেকেই সহজেই প্রতারিত হয়েছেন এবং আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন।
গত ৯ এপ্রিল (বৃহস্পতিবার) নারায়ণগঞ্জের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রতারক আফসারা আফরোজ এর প্রতারণার বিষয়টি ব্যাপক আলোচনায় আসে। সূত্র মতে, তিনি বহু মানুষকে ফাঁদে ফেলে দীর্ঘদিন ধরে অর্থ হাতিয়ে নিয়েছেন। ভুক্তভোগীদের দাবি, তার প্রতারণা শুধু আর্থিক নয়, বরং মানসিকভাবেও মানুষকে দুর্বল করে ফেলার কৌশল। সামাজিক গ্রুপে সুসম্পর্ক গড়ে আস্থা অর্জন করা তার প্রধান কৌশল ছিল।
স্থানীয় সূত্র জানায়, নারায়ণগঞ্জের গোদনাইল চৌধুরী বাড়ি এলাকায় ‘আফসারা অডিটোরিয়াম’ নামে একটি লেডিস শোরুমের আড়ালে তার প্রতারণার কার্যক্রম চলতো। অভিযোগ রয়েছে, এখানে তিনি পণ্য বিক্রির আড়ালে বিভিন্ন ধরনের প্রলোভন দেখিয়ে অর্থ গ্রহণ করতেন। কখনো কাউকে বিদেশ পাঠানোর কথা বলতেন, কখনো সরকারি চাকরি দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিতেন, আবার কখনো ধর্মীয় রীতিতে রোকাইয়া বা চিকিৎসার নামে টাকা নিতেন।

অভিযোগ অনুযায়ী, তার ব্যক্তিগত জীবনও রহস্যময়। প্রতারণার পাশাপাশি তিনি প্রথম সংসারের স্বামীকে রেখে তার দেবরের বন্ধু সহ বিবাহবহির্ভূত সম্পর্ক চালিয়েছিলেন। পরবর্তীতে নারায়ণগঞ্জে এসে এক ব্যবসায়ীর সাথেও প্রতারণা করে বৈধ বিবাহে আবদ্ধ হন। এই বিষয়টি ভুক্তভোগীরা প্রকাশ করেছেন, যা তার নৈতিক ও সামাজিক অনৈতিকতার একটি অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
ভুক্তভোগীদের ভাষ্যমতে, তিনি প্রথমে সামাজিক গ্রুপ বা পরিচিতদের সঙ্গে সুসম্পর্ক তৈরি করতেন, এরপর আস্থা অর্জন করে বিভিন্নভাবে অর্থ আদায় করতেন। ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে পণ্য নিয়ে আর্থিক লেনদেনের পরে টাকা ফেরত না দিয়ে বহু মানুষকে মানসিকভাবে হতাশ করতেন। এই পুরো প্রক্রিয়া ছিল সুপরিকল্পিত, যা প্রতারক আফসারা আফরোজ এর প্রতারণাকে আরও ভয়াবহ করে তুলেছে।
তথ্য অনুযায়ী, তিনি কখনো নিজেকে অস্ট্রেলিয়ার নাগরিক, আবার কখনো বাংলাদেশ পুলিশের ডিবি সদস্য পরিচয় দিতেন। এই ভুয়া পরিচয় দিয়ে সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত করা তার প্রতারণার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ ছিল। বর্তমানে অভিযুক্ত প্রতারক আফসারা আফরোজ পলাতক রয়েছেন। ভুক্তভোগীরা দ্রুত তার গ্রেফতার এবং প্রতারিত অর্থ ফেরত দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
সামাজিক সচেতনরা সতর্ক করেছেন, অপরিচিত ব্যক্তির প্রলোভনে যেন কেউ না পড়ে। প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ ছাড়া এই ধরনের প্রতারণা চলতে থাকবে বলে মনে করছেন অনেকেই। এই ঘটনা প্রকাশ্যে আসার পর ভুক্তভোগীরা বিভিন্ন সামাজিক প্ল্যাটফর্মে অভিজ্ঞতা শেয়ার করছেন, যাতে আরও মানুষ সতর্ক থাকে।
আরোও পড়ুন – নারায়ণগঞ্জে সাংবাদিকদের প্রাণনাশের হুমকি: আদালতে মামলা, অভিযুক্ত ৮ জনের মধ্যে কলেজ ও মাদ্রাসা শিক্ষার্থীও