বরিশাল জেলা প্রতিনিধি | সবুজ হাওলাদার
বরিশালের Uzirpur Upazila উপজেলার শোলক ইউনিয়নের পূর্ব ধামুরা গ্রামে মাদক বিক্রিতে বাধা দেওয়াকে কেন্দ্র করে এক ছাত্রদল নেতার ওপর হামলা, মারধর ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় এলাকায় চরম উত্তেজনা ও নিরাপত্তাহীনতা দেখা দিয়েছে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন। আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে এবং তিনি বর্তমানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী ছোলাইমান ইসলাম হৃদয় (২৮), যিনি ঢাকার হাতিরঝিল থানা ছাত্রদলের প্রতিষ্ঠাতা সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে পরিচিত, সম্প্রতি নিজ গ্রামের বাড়িতে আসেন। তিনি লক্ষ্য করেন, তার বাড়ির পাশেই একটি চক্র দীর্ঘদিন ধরে মাদক বিক্রি করে আসছে। এতে বাধা দেওয়ায় অভিযুক্তদের সঙ্গে তার বিরোধ সৃষ্টি হয় এবং পরে তাকে টার্গেট করে হামলা চালানো হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
ঘটনাটি ঘটে গত ৮ এপ্রিল সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে। অভিযোগ অনুযায়ী, বাড়ি থেকে খালার বাড়ির দিকে যাওয়ার পথে ধামুরা–রত্নপুর সংযোগ কালভার্টের কাছে পৌঁছালে তাকে আটক করে মারধর করা হয়। পরে তাকে একটি নির্জন স্থানে নিয়ে গিয়ে আবারও মারধর এবং ধারালো অস্ত্র দিয়ে হত্যার চেষ্টা করা হয় বলে দাবি করা হয়। এ সময় তার কাছ থেকে দুটি আইফোন ও নগদ অর্থ লুট করা হয়েছে বলেও অভিযোগ রয়েছে।
স্থানীয়দের চিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এলে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়। পরে আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে উজিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। এ ঘটনায় উজিরপুর মডেল থানায় আটজনের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
আরোও পড়ুন – আওয়ামী লীগের সাবেক এমপি সফুরা বেগম রুমি গ্রেপ্তার: একাধিক মামলায় আটক
ঘটনার পর থেকে পুরো এলাকাজুড়ে থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত দোষীদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছেন এবং এলাকায় নিয়মিত টহল জোরদারের আহ্বান জানিয়েছেন। এদিকে আহত ছাত্রদল নেতার পরিবারের পক্ষ থেকেও দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানানো হয়েছে, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের সহিংস ঘটনা আর না ঘটে। পুলিশ জানিয়েছে, তদন্ত শেষে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। পুরো এলাকাবাসীর মধ্যে এখনো “উজিরপুর হামলা” নিয়ে আতঙ্ক ও আলোচনা বিরাজ করছে।
উজিরপুরে ছাত্রদল নেতাকে হত্যাচেষ্টা ও মারধর: বাধা দেওয়ায় মাদক ব্যবসায়ীদের হামলার অভিযোগ
বরিশাল জেলা প্রতিনিধি | সবুজ হাওলাদার
বরিশালের Uzirpur Upazila উপজেলার শোলক ইউনিয়নের পূর্ব ধামুরা গ্রামে মাদক বিক্রিতে বাধা দেওয়াকে কেন্দ্র করে এক ছাত্রদল নেতার ওপর হামলা, মারধর ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় এলাকায় চরম উত্তেজনা ও নিরাপত্তাহীনতা দেখা দিয়েছে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন। আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে এবং তিনি বর্তমানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী ছোলাইমান ইসলাম হৃদয় (২৮), যিনি ঢাকার হাতিরঝিল থানা ছাত্রদলের প্রতিষ্ঠাতা সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে পরিচিত, সম্প্রতি নিজ গ্রামের বাড়িতে আসেন। তিনি লক্ষ্য করেন, তার বাড়ির পাশেই একটি চক্র দীর্ঘদিন ধরে মাদক বিক্রি করে আসছে। এতে বাধা দেওয়ায় অভিযুক্তদের সঙ্গে তার বিরোধ সৃষ্টি হয় এবং পরে তাকে টার্গেট করে হামলা চালানো হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
ঘটনাটি ঘটে গত ৮ এপ্রিল সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে। অভিযোগ অনুযায়ী, বাড়ি থেকে খালার বাড়ির দিকে যাওয়ার পথে ধামুরা–রত্নপুর সংযোগ কালভার্টের কাছে পৌঁছালে তাকে আটক করে মারধর করা হয়। পরে তাকে একটি নির্জন স্থানে নিয়ে গিয়ে আবারও মারধর এবং ধারালো অস্ত্র দিয়ে হত্যার চেষ্টা করা হয় বলে দাবি করা হয়। এ সময় তার কাছ থেকে দুটি আইফোন ও নগদ অর্থ লুট করা হয়েছে বলেও অভিযোগ রয়েছে।
স্থানীয়দের চিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এলে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়। পরে আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে উজিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। এ ঘটনায় উজিরপুর মডেল থানায় আটজনের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
আরোও পড়ুন – আওয়ামী লীগের সাবেক এমপি সফুরা বেগম রুমি গ্রেপ্তার: একাধিক মামলায় আটক
ঘটনার পর থেকে পুরো এলাকাজুড়ে থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত দোষীদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছেন এবং এলাকায় নিয়মিত টহল জোরদারের আহ্বান জানিয়েছেন। এদিকে আহত ছাত্রদল নেতার পরিবারের পক্ষ থেকেও দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানানো হয়েছে, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের সহিংস ঘটনা আর না ঘটে। পুলিশ জানিয়েছে, তদন্ত শেষে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। পুরো এলাকাবাসীর মধ্যে এখনো “উজিরপুর হামলা” নিয়ে আতঙ্ক ও আলোচনা বিরাজ করছে।