সামাউন সাদমান আশিক, ( ঢাকা দক্ষিন )
ঢাকার পরিবেশ উন্নয়ন ও জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় মশক নিধন কার্যক্রম জোরদার করতে একযোগে ৭৫টি ওয়ার্ডে বিশেষ পরিচ্ছন্নতা অভিযান ও জনসচেতনতা কার্যক্রম শুরু করেছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন। শনিবার (১১ এপ্রিল ২০২৬) রাজধানীর সচিব নিবাসে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এ কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, এই উদ্যোগের মাধ্যমে নগরবাসীকে সরাসরি সম্পৃক্ত করে একটি টেকসই ও কার্যকর মশা নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা গড়ে তোলা হবে, যা রাজধানীর সার্বিক জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক আব্দুস সালাম। তিনি বলেন, মশক নিধন কার্যক্রম সফল করতে হলে শুধুমাত্র সিটি কর্পোরেশনের ওপর নির্ভর করলে চলবে না, বরং নাগরিকদের সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে। তিনি এটিকে ‘ফিফটি-ফিফটি’ দায়িত্ব হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, জনগণ যদি তাদের দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করে এবং সিটি কর্পোরেশন সমন্বিত উদ্যোগ নেয়, তাহলে খুব দ্রুত একটি পরিচ্ছন্ন ও বাসযোগ্য নগরী গড়ে তোলা সম্ভব।
জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ইতোমধ্যে ঢাকার ৭৫টি ওয়ার্ডে একযোগে মাইকিং ও প্রচার কার্যক্রম শুরু হয়েছে। সংশ্লিষ্টরা জানান, প্রতিটি নাগরিককে এই মশক নিধন কার্যক্রম-এর অংশীদার করা এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য। পূর্বের সীমাবদ্ধতাগুলো কাটিয়ে এখন থেকে নির্দিষ্ট সময়সূচি অনুযায়ী কীটনাশক প্রয়োগ, নিয়মিত তদারকি এবং আধুনিক পদ্ধতির ব্যবহার নিশ্চিত করা হবে, যাতে কার্যক্রমটি দীর্ঘমেয়াদে কার্যকর থাকে।
সম্প্রতি রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা, বিশেষ করে শ্যামপুর পরিদর্শনের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে বক্তারা বলেন, খাল ও জলাশয় দখলমুক্ত এবং পরিষ্কার না রাখা হলে কোনোভাবেই মশক নিধন কার্যক্রম টেকসই করা সম্ভব নয়। তারা আরও জানান, পরিচ্ছন্নতার কাজ সম্পন্ন হওয়ার পর পুনরায় বর্জ্য ফেলা থেকে বিরত থাকার জন্য নাগরিকদের সচেতন হতে হবে। সিটি কর্পোরেশন ইতোমধ্যে বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতা কাটিয়ে পূর্ণ সক্ষমতায় কাজ শুরু করেছে।
বক্তারা আরও বলেন, যানজট, অব্যবস্থাপনা এবং পরিবেশ দূষণ রোধে সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণ করা হচ্ছে। জনগণের সক্রিয় সহযোগিতা থাকলে আগামী দুই থেকে তিন বছরের মধ্যে ঢাকায় দৃশ্যমান পরিবর্তন আনা সম্ভব বলে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন। একই সঙ্গে রাজধানীকে আন্তর্জাতিক মানের পরিচ্ছন্ন শহর হিসেবে গড়ে তুলতে বৃক্ষরোপণসহ বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলে জানানো হয়।
অনুষ্ঠানে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, সহকারী কমিশনার (এসি), স্বাস্থ্য কর্মকর্তা, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের কর্মকর্তাসহ বিভিন্ন পর্যায়ের সরকারি প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। শেষে মশক নিধন কার্যক্রম ও জনসচেতনতা উদ্যোগের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।
আরোও পড়ুন – আদর্শের চেয়ে ক্ষমতা বড়: দোহার রাজনীতিতে ডিগবাজি ও হাইব্রিড নেতার উত্থান
মশক নিধন কার্যক্রমে নতুন মিশন: পরিচ্ছন্নতায় জোর দিল ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন
সামাউন সাদমান আশিক, ( ঢাকা দক্ষিন )
ঢাকার পরিবেশ উন্নয়ন ও জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় মশক নিধন কার্যক্রম জোরদার করতে একযোগে ৭৫টি ওয়ার্ডে বিশেষ পরিচ্ছন্নতা অভিযান ও জনসচেতনতা কার্যক্রম শুরু করেছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন। শনিবার (১১ এপ্রিল ২০২৬) রাজধানীর সচিব নিবাসে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এ কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, এই উদ্যোগের মাধ্যমে নগরবাসীকে সরাসরি সম্পৃক্ত করে একটি টেকসই ও কার্যকর মশা নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা গড়ে তোলা হবে, যা রাজধানীর সার্বিক জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক আব্দুস সালাম। তিনি বলেন, মশক নিধন কার্যক্রম সফল করতে হলে শুধুমাত্র সিটি কর্পোরেশনের ওপর নির্ভর করলে চলবে না, বরং নাগরিকদের সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে। তিনি এটিকে ‘ফিফটি-ফিফটি’ দায়িত্ব হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, জনগণ যদি তাদের দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করে এবং সিটি কর্পোরেশন সমন্বিত উদ্যোগ নেয়, তাহলে খুব দ্রুত একটি পরিচ্ছন্ন ও বাসযোগ্য নগরী গড়ে তোলা সম্ভব।
জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ইতোমধ্যে ঢাকার ৭৫টি ওয়ার্ডে একযোগে মাইকিং ও প্রচার কার্যক্রম শুরু হয়েছে। সংশ্লিষ্টরা জানান, প্রতিটি নাগরিককে এই মশক নিধন কার্যক্রম-এর অংশীদার করা এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য। পূর্বের সীমাবদ্ধতাগুলো কাটিয়ে এখন থেকে নির্দিষ্ট সময়সূচি অনুযায়ী কীটনাশক প্রয়োগ, নিয়মিত তদারকি এবং আধুনিক পদ্ধতির ব্যবহার নিশ্চিত করা হবে, যাতে কার্যক্রমটি দীর্ঘমেয়াদে কার্যকর থাকে।
সম্প্রতি রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা, বিশেষ করে শ্যামপুর পরিদর্শনের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে বক্তারা বলেন, খাল ও জলাশয় দখলমুক্ত এবং পরিষ্কার না রাখা হলে কোনোভাবেই মশক নিধন কার্যক্রম টেকসই করা সম্ভব নয়। তারা আরও জানান, পরিচ্ছন্নতার কাজ সম্পন্ন হওয়ার পর পুনরায় বর্জ্য ফেলা থেকে বিরত থাকার জন্য নাগরিকদের সচেতন হতে হবে। সিটি কর্পোরেশন ইতোমধ্যে বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতা কাটিয়ে পূর্ণ সক্ষমতায় কাজ শুরু করেছে।
বক্তারা আরও বলেন, যানজট, অব্যবস্থাপনা এবং পরিবেশ দূষণ রোধে সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণ করা হচ্ছে। জনগণের সক্রিয় সহযোগিতা থাকলে আগামী দুই থেকে তিন বছরের মধ্যে ঢাকায় দৃশ্যমান পরিবর্তন আনা সম্ভব বলে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন। একই সঙ্গে রাজধানীকে আন্তর্জাতিক মানের পরিচ্ছন্ন শহর হিসেবে গড়ে তুলতে বৃক্ষরোপণসহ বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলে জানানো হয়।
অনুষ্ঠানে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, সহকারী কমিশনার (এসি), স্বাস্থ্য কর্মকর্তা, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের কর্মকর্তাসহ বিভিন্ন পর্যায়ের সরকারি প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। শেষে মশক নিধন কার্যক্রম ও জনসচেতনতা উদ্যোগের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।
আরোও পড়ুন – আদর্শের চেয়ে ক্ষমতা বড়: দোহার রাজনীতিতে ডিগবাজি ও হাইব্রিড নেতার উত্থান