আসলাম উদ্দিন দিনাজপুর প্রতিনিধি:
বিদেশি পিস্তল আটক অভিযানে দিনাজপুরে সাইবার প্রতারক চক্রের এক সদস্যকে গ্রেফতার করেছে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) পুলিশ। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় পরিচালিত এ অভিযানে গ্রেফতার করা হয় মোঃ আরিফ হোসেন (২৭)-কে, যিনি নাটোর জেলার লালপুর উপজেলার গোপালপুর পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের বিরোপাড়া এলাকার বাসিন্দা। ডিবি পুলিশের দাবি, তিনি একটি সক্রিয় প্রতারক চক্রের সদস্য এবং দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন এলাকায় অনলাইন প্রতারণা করে আসছিলেন।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, দিনাজপুরের চিরিরবন্দর থানায় দায়ের করা একটি মামলার তদন্ত চলাকালে আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে সন্দেহভাজনদের অবস্থান শনাক্ত করা হয়। সেই তথ্যের ভিত্তিতে দিনাজপুর পুলিশ সুপার মোঃ জেদান আল মুসা (পিপিএম)-এর সার্বিক তত্ত্বাবধানে এবং ডিবি পুলিশের অফিসার ইনচার্জ মুহাম্মদ আলমগীর (পিপিএম)-এর নেতৃত্বে একটি বিশেষ টিম গঠন করা হয়। পরবর্তীতে নাটোরের লালপুর থানা পুলিশের সহায়তায় যৌথভাবে অভিযান পরিচালনা করা হয়।
সোমবার দিবাগত রাত আনুমানিক পৌনে ২টার দিকে লালপুর উপজেলার বিরোপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে আরিফ হোসেনকে আটক করা হয়। এ সময় তার কাছ থেকে ‘মেইড ইন পাকিস্তান’ লেখা একটি বিদেশি রিভলবার, ৬ রাউন্ড তাজা গুলি এবং একটি গিয়ার চাকু উদ্ধার করা হয়। পুলিশের ভাষ্যমতে, এই বিদেশি পিস্তল আটক ঘটনাটি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে, কারণ এটি অপরাধচক্রের অস্ত্র ব্যবহারের ইঙ্গিত বহন করে।
অভিযানের পর গ্রেফতারকৃতের বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে আরও গুরুত্বপূর্ণ আলামত উদ্ধার করা হয়। সেখান থেকে দুটি অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল ফোন এবং বিভিন্ন মোবাইল অপারেটরের মোট ১৫টি সিম কার্ড জব্দ করা হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, এসব সিম ব্যবহার করে চক্রটি দেশের বিভিন্ন প্রান্তে প্রতারণামূলক কর্মকাণ্ড চালাত। তদন্ত সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এই বিদেশি পিস্তল আটক অভিযানের মাধ্যমে একটি বড় চক্রের সন্ধান মিলতে পারে।
ডিবি পুলিশের কর্মকর্তারা জানান, গ্রেফতারকৃত আরিফ হোসেনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে এবং তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পলাতক অন্যান্য সদস্যদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে। ইতোমধ্যে পালিয়ে যাওয়া আরেক সদস্যকে শনাক্ত করা হয়েছে বলে জানা গেছে। পুলিশের দাবি, খুব দ্রুতই তাকে আইনের আওতায় আনা সম্ভব হবে। একইসঙ্গে এই বিদেশি পিস্তল আটক মামলার তদন্ত আরও বিস্তৃত করা হয়েছে।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কর্মকর্তারা মনে করছেন, প্রযুক্তিনির্ভর এই ধরনের অভিযান ভবিষ্যতে অপরাধ দমনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। বিশেষ করে সাইবার অপরাধ ও অবৈধ অস্ত্রের ব্যবহার ঠেকাতে গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। এদিকে এলাকাবাসীর মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে এবং তারা পুলিশের এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন।
আরোও পড়ুন – মহেশপুর সীমান্তে বিজিবির অভিযানে ১.৬ কেজি গাঁজা উদ্ধার, কেউ আটক হয়নি
বিদেশি পিস্তলসহ যুবক আটক | দিনাজপুরে সাইবার প্রতারক চক্রের সদস্য গ্রেফতার
আসলাম উদ্দিন দিনাজপুর প্রতিনিধি:
বিদেশি পিস্তল আটক অভিযানে দিনাজপুরে সাইবার প্রতারক চক্রের এক সদস্যকে গ্রেফতার করেছে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) পুলিশ। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় পরিচালিত এ অভিযানে গ্রেফতার করা হয় মোঃ আরিফ হোসেন (২৭)-কে, যিনি নাটোর জেলার লালপুর উপজেলার গোপালপুর পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের বিরোপাড়া এলাকার বাসিন্দা। ডিবি পুলিশের দাবি, তিনি একটি সক্রিয় প্রতারক চক্রের সদস্য এবং দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন এলাকায় অনলাইন প্রতারণা করে আসছিলেন।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, দিনাজপুরের চিরিরবন্দর থানায় দায়ের করা একটি মামলার তদন্ত চলাকালে আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে সন্দেহভাজনদের অবস্থান শনাক্ত করা হয়। সেই তথ্যের ভিত্তিতে দিনাজপুর পুলিশ সুপার মোঃ জেদান আল মুসা (পিপিএম)-এর সার্বিক তত্ত্বাবধানে এবং ডিবি পুলিশের অফিসার ইনচার্জ মুহাম্মদ আলমগীর (পিপিএম)-এর নেতৃত্বে একটি বিশেষ টিম গঠন করা হয়। পরবর্তীতে নাটোরের লালপুর থানা পুলিশের সহায়তায় যৌথভাবে অভিযান পরিচালনা করা হয়।
সোমবার দিবাগত রাত আনুমানিক পৌনে ২টার দিকে লালপুর উপজেলার বিরোপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে আরিফ হোসেনকে আটক করা হয়। এ সময় তার কাছ থেকে ‘মেইড ইন পাকিস্তান’ লেখা একটি বিদেশি রিভলবার, ৬ রাউন্ড তাজা গুলি এবং একটি গিয়ার চাকু উদ্ধার করা হয়। পুলিশের ভাষ্যমতে, এই বিদেশি পিস্তল আটক ঘটনাটি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে, কারণ এটি অপরাধচক্রের অস্ত্র ব্যবহারের ইঙ্গিত বহন করে।
অভিযানের পর গ্রেফতারকৃতের বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে আরও গুরুত্বপূর্ণ আলামত উদ্ধার করা হয়। সেখান থেকে দুটি অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল ফোন এবং বিভিন্ন মোবাইল অপারেটরের মোট ১৫টি সিম কার্ড জব্দ করা হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, এসব সিম ব্যবহার করে চক্রটি দেশের বিভিন্ন প্রান্তে প্রতারণামূলক কর্মকাণ্ড চালাত। তদন্ত সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এই বিদেশি পিস্তল আটক অভিযানের মাধ্যমে একটি বড় চক্রের সন্ধান মিলতে পারে।
ডিবি পুলিশের কর্মকর্তারা জানান, গ্রেফতারকৃত আরিফ হোসেনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে এবং তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পলাতক অন্যান্য সদস্যদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে। ইতোমধ্যে পালিয়ে যাওয়া আরেক সদস্যকে শনাক্ত করা হয়েছে বলে জানা গেছে। পুলিশের দাবি, খুব দ্রুতই তাকে আইনের আওতায় আনা সম্ভব হবে। একইসঙ্গে এই বিদেশি পিস্তল আটক মামলার তদন্ত আরও বিস্তৃত করা হয়েছে।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কর্মকর্তারা মনে করছেন, প্রযুক্তিনির্ভর এই ধরনের অভিযান ভবিষ্যতে অপরাধ দমনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। বিশেষ করে সাইবার অপরাধ ও অবৈধ অস্ত্রের ব্যবহার ঠেকাতে গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। এদিকে এলাকাবাসীর মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে এবং তারা পুলিশের এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন।
আরোও পড়ুন – মহেশপুর সীমান্তে বিজিবির অভিযানে ১.৬ কেজি গাঁজা উদ্ধার, কেউ আটক হয়নি