শহীদুল ইসলাম শরীফ, স্টাফ রিপোর্টারঃ
ঢাকার দোহার উপজেলার লটখোলা-মৈনট ঘাট সড়কের জামানচর এলাকায় খাদে পড়ে যাওয়া সিমেন্টবোঝাই ড্রাম ট্রাক উদ্ধারে অবশেষে শুরু হয়েছে তৎপরতা। দুর্ঘটনার প্রায় ২৪ ঘণ্টা পর রবিবার (১৭ মে, ২০২৬) সকাল থেকে স্থানীয় লোকজন ও শ্রমিকরা যৌথভাবে ট্রাকটি ওপরে তোলার কাজ শুরু করেন। ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখা যায়, ভারী যান উদ্ধারের জন্য প্রয়োজনীয় আধুনিক ক্রেন বা রেকার না থাকায় সম্পূর্ণ দেশীয় পদ্ধতিতে উদ্ধার কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, দুর্ঘটনার পর থেকেই এলাকাবাসীর মধ্যে ব্যাপক কৌতূহল ও উদ্বেগ তৈরি হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ‘ঢাকা মেট্রো-উ ১১-১৮১১’ নম্বরের ভারী ড্রাম ট্রাকটি সিমেন্ট বহন করে মৈনট ঘাটের দিকে যাচ্ছিল। পথিমধ্যে জামানচর এলাকায় পৌঁছালে চালক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেন। এতে ট্রাকটি রাস্তার পাশের গভীর খাদে উল্টে পড়ে যায়। দুর্ঘটনার সময় বিকট শব্দে আশপাশের লোকজন ছুটে আসেন। তবে সৌভাগ্যবশত বড় ধরনের প্রাণহানির ঘটনা ঘটেনি। আহত চালক ও হেলপারকে স্থানীয়ভাবে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। দুর্ঘটনার পর থেকেই ড্রাম ট্রাক উদ্ধার কার্যক্রম নিয়ে এলাকায় আলোচনা শুরু হয়।
রবিবার সকাল থেকে উদ্ধার কাজে অংশ নেওয়া শ্রমিকরা লোহার মোটা চেইন, কপিকল (পুলি) এবং শক্ত রশি ব্যবহার করে ট্রাকটি টেনে ওপরে তোলার চেষ্টা চালাচ্ছেন। স্থানীয় কয়েকজন জানান, আধুনিক যন্ত্রপাতি না থাকায় উদ্ধার কাজ ধীরগতিতে এগোচ্ছে। তারপরও এলাকার মানুষ স্বেচ্ছাশ্রমের মাধ্যমে সহায়তা করছেন। বিশেষ করে সড়কের দুই পাশে উৎসুক জনতার ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। অনেকেই মোবাইল ফোনে উদ্ধার কাজের ভিডিও ধারণ করতে দেখা যায়। দীর্ঘ সময় ধরে চলা এই ড্রাম ট্রাক উদ্ধার অভিযানে স্থানীয় প্রশাসনের সদস্যরাও পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছেন।
এদিকে উদ্ধার কার্যক্রমের কারণে লটখোলা-মৈনট ঘাট সড়কে যান চলাচলে কিছুটা ধীরগতি তৈরি হলেও বড় ধরনের যানজট সৃষ্টি হয়নি। স্থানীয় ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা স্বাভাবিক রাখতে পুলিশ সদস্যদেরও দায়িত্ব পালন করতে দেখা গেছে। এলাকাবাসী বলছেন, এই গুরুত্বপূর্ণ সড়কে প্রতিনিয়ত ভারী যানবাহন চলাচল করলেও নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও সড়কের কিছু ঝুঁকিপূর্ণ অংশ দীর্ঘদিন ধরে অবহেলিত রয়েছে। বিশেষ করে জামানচর অংশে রাস্তার পাশ ঘেঁষে গভীর খাদ থাকায় প্রায়ই দুর্ঘটনার আশঙ্কা তৈরি হয়। তাই স্থায়ী নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদারের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
স্থানীয় পরিবহন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানিয়েছেন, ভারী যানবাহনের জন্য আলাদা উদ্ধার ব্যবস্থা না থাকায় প্রায়ই দুর্ঘটনার পর দীর্ঘ সময় ভোগান্তি তৈরি হয়। তারা বলছেন, দ্রুত উদ্ধার সরঞ্জাম পৌঁছানোর ব্যবস্থা থাকলে সড়কে ঝুঁকি ও যানবাহনের ক্ষয়ক্ষতি অনেকটাই কমানো সম্ভব হতো। এ ঘটনায় নতুন করে দোহারের গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলোতে নিরাপত্তা ও উদ্ধার সক্ষমতা বাড়ানোর দাবি উঠেছে। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত ড্রাম ট্রাক উদ্ধার কার্যক্রম চলমান ছিল এবং ট্রাকটি সম্পূর্ণ ওপরে তুলতে আরও কয়েক ঘণ্টা সময় লাগতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
আরোও পড়ুন – মৈনট ঘাট সড়কে সিমেন্ট ট্রাক দুর্ঘটনা, আহত চালক-হেলপার
জামানচরে ড্রাম ট্রাক উদ্ধার অভিযান শুরু, দেশীয় প্রযুক্তিতে চলছে টানার কাজ
শহীদুল ইসলাম শরীফ, স্টাফ রিপোর্টারঃ
ঢাকার দোহার উপজেলার লটখোলা-মৈনট ঘাট সড়কের জামানচর এলাকায় খাদে পড়ে যাওয়া সিমেন্টবোঝাই ড্রাম ট্রাক উদ্ধারে অবশেষে শুরু হয়েছে তৎপরতা। দুর্ঘটনার প্রায় ২৪ ঘণ্টা পর রবিবার (১৭ মে, ২০২৬) সকাল থেকে স্থানীয় লোকজন ও শ্রমিকরা যৌথভাবে ট্রাকটি ওপরে তোলার কাজ শুরু করেন। ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখা যায়, ভারী যান উদ্ধারের জন্য প্রয়োজনীয় আধুনিক ক্রেন বা রেকার না থাকায় সম্পূর্ণ দেশীয় পদ্ধতিতে উদ্ধার কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, দুর্ঘটনার পর থেকেই এলাকাবাসীর মধ্যে ব্যাপক কৌতূহল ও উদ্বেগ তৈরি হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ‘ঢাকা মেট্রো-উ ১১-১৮১১’ নম্বরের ভারী ড্রাম ট্রাকটি সিমেন্ট বহন করে মৈনট ঘাটের দিকে যাচ্ছিল। পথিমধ্যে জামানচর এলাকায় পৌঁছালে চালক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেন। এতে ট্রাকটি রাস্তার পাশের গভীর খাদে উল্টে পড়ে যায়। দুর্ঘটনার সময় বিকট শব্দে আশপাশের লোকজন ছুটে আসেন। তবে সৌভাগ্যবশত বড় ধরনের প্রাণহানির ঘটনা ঘটেনি। আহত চালক ও হেলপারকে স্থানীয়ভাবে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। দুর্ঘটনার পর থেকেই ড্রাম ট্রাক উদ্ধার কার্যক্রম নিয়ে এলাকায় আলোচনা শুরু হয়।
রবিবার সকাল থেকে উদ্ধার কাজে অংশ নেওয়া শ্রমিকরা লোহার মোটা চেইন, কপিকল (পুলি) এবং শক্ত রশি ব্যবহার করে ট্রাকটি টেনে ওপরে তোলার চেষ্টা চালাচ্ছেন। স্থানীয় কয়েকজন জানান, আধুনিক যন্ত্রপাতি না থাকায় উদ্ধার কাজ ধীরগতিতে এগোচ্ছে। তারপরও এলাকার মানুষ স্বেচ্ছাশ্রমের মাধ্যমে সহায়তা করছেন। বিশেষ করে সড়কের দুই পাশে উৎসুক জনতার ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। অনেকেই মোবাইল ফোনে উদ্ধার কাজের ভিডিও ধারণ করতে দেখা যায়। দীর্ঘ সময় ধরে চলা এই ড্রাম ট্রাক উদ্ধার অভিযানে স্থানীয় প্রশাসনের সদস্যরাও পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছেন।
এদিকে উদ্ধার কার্যক্রমের কারণে লটখোলা-মৈনট ঘাট সড়কে যান চলাচলে কিছুটা ধীরগতি তৈরি হলেও বড় ধরনের যানজট সৃষ্টি হয়নি। স্থানীয় ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা স্বাভাবিক রাখতে পুলিশ সদস্যদেরও দায়িত্ব পালন করতে দেখা গেছে। এলাকাবাসী বলছেন, এই গুরুত্বপূর্ণ সড়কে প্রতিনিয়ত ভারী যানবাহন চলাচল করলেও নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও সড়কের কিছু ঝুঁকিপূর্ণ অংশ দীর্ঘদিন ধরে অবহেলিত রয়েছে। বিশেষ করে জামানচর অংশে রাস্তার পাশ ঘেঁষে গভীর খাদ থাকায় প্রায়ই দুর্ঘটনার আশঙ্কা তৈরি হয়। তাই স্থায়ী নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদারের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
স্থানীয় পরিবহন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানিয়েছেন, ভারী যানবাহনের জন্য আলাদা উদ্ধার ব্যবস্থা না থাকায় প্রায়ই দুর্ঘটনার পর দীর্ঘ সময় ভোগান্তি তৈরি হয়। তারা বলছেন, দ্রুত উদ্ধার সরঞ্জাম পৌঁছানোর ব্যবস্থা থাকলে সড়কে ঝুঁকি ও যানবাহনের ক্ষয়ক্ষতি অনেকটাই কমানো সম্ভব হতো। এ ঘটনায় নতুন করে দোহারের গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলোতে নিরাপত্তা ও উদ্ধার সক্ষমতা বাড়ানোর দাবি উঠেছে। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত ড্রাম ট্রাক উদ্ধার কার্যক্রম চলমান ছিল এবং ট্রাকটি সম্পূর্ণ ওপরে তুলতে আরও কয়েক ঘণ্টা সময় লাগতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
আরোও পড়ুন – মৈনট ঘাট সড়কে সিমেন্ট ট্রাক দুর্ঘটনা, আহত চালক-হেলপার