মো. আতিকুল ইসলাম, স্টাফ রিপোর্টারঃ
ভোলা সদর উপজেলায় মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযান চালিয়ে দুই কেজি গাঁজাসহ মো. খোকন (৩৫) নামের এক মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) পুলিশ। শুক্রবার (২২ মে, ২০২৬) সকাল পৌনে ৭টার দিকে সদর থানার ইলিশা ফেরিঘাট সংলগ্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়। স্থানীয়দের মাঝে অভিযানের খবর ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। পুলিশের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে ওই ব্যক্তি গোপনে মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত ছিলেন। সাম্প্রতিক সময়ে ভোলায় গাঁজা উদ্ধার নিয়ে চলমান অভিযানের অংশ হিসেবেই এই অভিযান পরিচালিত হয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ভোলা জেলা পুলিশ সুপার মো. শহিদুল্লাহ কাওছার, পিপিএম (বার)-এর নির্দেশনায় জেলা গোয়েন্দা শাখা জেলাজুড়ে মাদক নির্মূলে ধারাবাহিক অভিযান পরিচালনা করছে। এরই অংশ হিসেবে ডিবি পুলিশের একটি দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ইলিশা ফেরিঘাট এলাকার ১ নম্বর ওয়ার্ডে অবস্থান নেয়। পরে মনিরের চায়ের দোকানের সামনে পাকা রাস্তার ওপর সন্দেহজনকভাবে ঘোরাফেরা করতে দেখে খোকনকে আটক করা হয়। এ সময় তার সঙ্গে থাকা একটি ব্যাগ তল্লাশি করে দুই কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়। পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, সাম্প্রতিক সময়ে ভোলায় গাঁজা উদ্ধার অভিযানে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্যও সংগ্রহ করা হয়েছে।
গ্রেফতার হওয়া মো. খোকন ভোলা সদর থানার চর শামাইয়া ইউনিয়নের কাটা বাগান এলাকার মৃত লোকমানের ছেলে। স্থানীয় সূত্র জানিয়েছে, তিনি দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন এলাকায় গোপনে মাদক সরবরাহ করতেন বলে অভিযোগ রয়েছে। বিশেষ করে ফেরিঘাট ও নদীপথ ব্যবহার করে মাদক পরিবহনের একটি চক্র সক্রিয় রয়েছে বলে ধারণা করছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। এ ঘটনায় উদ্ধার হওয়া গাঁজার উৎস এবং এর সঙ্গে অন্য কোনো বড় সিন্ডিকেট জড়িত আছে কিনা তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পুলিশের একাধিক সূত্র বলছে, ভোলায় গাঁজা উদ্ধার অভিযানের মাধ্যমে জেলার মাদক নেটওয়ার্ক শনাক্তে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি মিলছে।
ডিবি পুলিশের দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, মাদকের বিরুদ্ধে সরকারের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির অংশ হিসেবে নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে। বিশেষ করে তরুণ সমাজকে মাদকের ভয়াবহতা থেকে রক্ষা করতে জেলা পুলিশ আরও কঠোর অবস্থানে রয়েছে। মাদক কারবারিদের কোনো ছাড় দেওয়া হবে না বলেও হুঁশিয়ারি দিয়েছে পুলিশ প্রশাসন। স্থানীয় সচেতন মহলও পুলিশের এমন অভিযানে সন্তোষ প্রকাশ করেছে। তারা বলছেন, নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হলে যুব সমাজকে ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষা করা সম্ভব হবে। একই সঙ্গে সীমান্ত ও নদীপথে নজরদারি আরও বাড়ানোর দাবিও জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
ভোলা জেলা পুলিশের মিডিয়া সেল জানিয়েছে, উদ্ধার হওয়া মাদকদ্রব্য জব্দ করে গ্রেফতারকৃত আসামির বিরুদ্ধে ভোলা সদর মডেল থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে নিয়মিত মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। তদন্তের মাধ্যমে এই চক্রের সঙ্গে জড়িত অন্যদেরও আইনের আওতায় আনা হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ। জেলা গোয়েন্দা শাখার কর্মকর্তারা মনে করছেন, চলমান অভিযানের ফলে মাদক ব্যবসায়ীরা অনেকটাই চাপে রয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দাবি, ভবিষ্যতেও ভোলায় গাঁজা উদ্ধার সহ সকল ধরনের মাদকবিরোধী অভিযান আরও জোরদার করা হবে।
আরোও পড়ুন – গোদাগাড়ীতে ৯০ গ্রাম হেরোইন উদ্ধার, র্যাবের হাতে আটক ২ মাদক কারবারি
ভোলায় গাঁজাসহ খোকন গ্রেফতার, ডিবি পুলিশের বিশেষ অভিযান
মো. আতিকুল ইসলাম, স্টাফ রিপোর্টারঃ
ভোলা সদর উপজেলায় মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযান চালিয়ে দুই কেজি গাঁজাসহ মো. খোকন (৩৫) নামের এক মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) পুলিশ। শুক্রবার (২২ মে, ২০২৬) সকাল পৌনে ৭টার দিকে সদর থানার ইলিশা ফেরিঘাট সংলগ্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়। স্থানীয়দের মাঝে অভিযানের খবর ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। পুলিশের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে ওই ব্যক্তি গোপনে মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত ছিলেন। সাম্প্রতিক সময়ে ভোলায় গাঁজা উদ্ধার নিয়ে চলমান অভিযানের অংশ হিসেবেই এই অভিযান পরিচালিত হয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ভোলা জেলা পুলিশ সুপার মো. শহিদুল্লাহ কাওছার, পিপিএম (বার)-এর নির্দেশনায় জেলা গোয়েন্দা শাখা জেলাজুড়ে মাদক নির্মূলে ধারাবাহিক অভিযান পরিচালনা করছে। এরই অংশ হিসেবে ডিবি পুলিশের একটি দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ইলিশা ফেরিঘাট এলাকার ১ নম্বর ওয়ার্ডে অবস্থান নেয়। পরে মনিরের চায়ের দোকানের সামনে পাকা রাস্তার ওপর সন্দেহজনকভাবে ঘোরাফেরা করতে দেখে খোকনকে আটক করা হয়। এ সময় তার সঙ্গে থাকা একটি ব্যাগ তল্লাশি করে দুই কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়। পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, সাম্প্রতিক সময়ে ভোলায় গাঁজা উদ্ধার অভিযানে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্যও সংগ্রহ করা হয়েছে।
গ্রেফতার হওয়া মো. খোকন ভোলা সদর থানার চর শামাইয়া ইউনিয়নের কাটা বাগান এলাকার মৃত লোকমানের ছেলে। স্থানীয় সূত্র জানিয়েছে, তিনি দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন এলাকায় গোপনে মাদক সরবরাহ করতেন বলে অভিযোগ রয়েছে। বিশেষ করে ফেরিঘাট ও নদীপথ ব্যবহার করে মাদক পরিবহনের একটি চক্র সক্রিয় রয়েছে বলে ধারণা করছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। এ ঘটনায় উদ্ধার হওয়া গাঁজার উৎস এবং এর সঙ্গে অন্য কোনো বড় সিন্ডিকেট জড়িত আছে কিনা তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পুলিশের একাধিক সূত্র বলছে, ভোলায় গাঁজা উদ্ধার অভিযানের মাধ্যমে জেলার মাদক নেটওয়ার্ক শনাক্তে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি মিলছে।
ডিবি পুলিশের দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, মাদকের বিরুদ্ধে সরকারের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির অংশ হিসেবে নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে। বিশেষ করে তরুণ সমাজকে মাদকের ভয়াবহতা থেকে রক্ষা করতে জেলা পুলিশ আরও কঠোর অবস্থানে রয়েছে। মাদক কারবারিদের কোনো ছাড় দেওয়া হবে না বলেও হুঁশিয়ারি দিয়েছে পুলিশ প্রশাসন। স্থানীয় সচেতন মহলও পুলিশের এমন অভিযানে সন্তোষ প্রকাশ করেছে। তারা বলছেন, নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হলে যুব সমাজকে ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষা করা সম্ভব হবে। একই সঙ্গে সীমান্ত ও নদীপথে নজরদারি আরও বাড়ানোর দাবিও জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
ভোলা জেলা পুলিশের মিডিয়া সেল জানিয়েছে, উদ্ধার হওয়া মাদকদ্রব্য জব্দ করে গ্রেফতারকৃত আসামির বিরুদ্ধে ভোলা সদর মডেল থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে নিয়মিত মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। তদন্তের মাধ্যমে এই চক্রের সঙ্গে জড়িত অন্যদেরও আইনের আওতায় আনা হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ। জেলা গোয়েন্দা শাখার কর্মকর্তারা মনে করছেন, চলমান অভিযানের ফলে মাদক ব্যবসায়ীরা অনেকটাই চাপে রয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দাবি, ভবিষ্যতেও ভোলায় গাঁজা উদ্ধার সহ সকল ধরনের মাদকবিরোধী অভিযান আরও জোরদার করা হবে।
আরোও পড়ুন – গোদাগাড়ীতে ৯০ গ্রাম হেরোইন উদ্ধার, র্যাবের হাতে আটক ২ মাদক কারবারি