মো ইয়াকুব আলী তালুকদার, স্টাফ রিপোর্টারঃ
গাজীপুর জেলার কাপাসিয়া উপজেলার কাপাসিয়া ইউনিয়নের রাউতকা গ্রামে প্রবাসীর স্ত্রী ও সন্তানসহ একই পরিবারের পাঁচ সদস্যকে গলা কেটে হত্যার ঘটনায় পুরো এলাকায় চরম আতঙ্ক ও শোকের ছায়া নেমে এসেছে। শনিবার (০৯ মে) সকালে স্থানীয় বাসিন্দারা ঘরের ভেতরে রক্তাক্ত মরদেহ দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দেন। পরে কাপাসিয়া থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে তদন্ত শুরু করে। ভয়াবহ এই কাপাসিয়ায় পাঁচ খুন ঘটনার পর থেকেই এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, এমন নৃশংস হত্যাকাণ্ড আগে কখনো দেখেননি তারা।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রাউতকা গ্রামের মনির হোসেনের বাড়িতে ভাড়া থাকতেন এক প্রবাসীর পরিবার। নিহতদের মধ্যে নারী ও শিশুও রয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে স্থানীয়রা। ঘরের ভেতরের দৃশ্য ছিল অত্যন্ত হৃদয়বিদারক। একজনের মরদেহ খাটের ওপরে পড়ে ছিল, বাকি কয়েকজনের মরদেহ মেঝেতে পড়ে থাকতে দেখা যায়। এছাড়া একজনকে গলা কেটে জানালার গ্রিলের সঙ্গে বেঁধে রাখা হয়েছিল বলেও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন। প্রতিটি কক্ষ রক্তে ভেসে যায়। কাপাসিয়ায় পাঁচ খুন ঘটনায় স্থানীয় মানুষের মধ্যে আতঙ্কের পাশাপাশি ক্ষোভও দেখা দিয়েছে।
কাপাসিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, ঘটনাটি অত্যন্ত নৃশংস ও মর্মান্তিক। কারা এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তবে পুলিশ গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করছে এবং দ্রুত রহস্য উদঘাটনের চেষ্টা চলছে। তিনি আরও জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে রাতের কোনো এক সময় দুর্বৃত্তরা ঘরে প্রবেশ করে ধারালো অস্ত্র দিয়ে সবাইকে হত্যা করে পালিয়ে যায়। ঘটনাস্থল থেকে বিভিন্ন আলামত সংগ্রহ করা হয়েছে এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর একাধিক টিম তদন্তে কাজ করছে। কাপাসিয়ায় পাঁচ খুন রহস্য উদঘাটনে ইতোমধ্যে আশপাশের এলাকার সিসিটিভি ফুটেজও সংগ্রহের চেষ্টা চলছে।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, নিহত পরিবারটি দীর্ঘদিন ধরেই ওই এলাকায় বসবাস করছিল এবং তাদের সঙ্গে কারও প্রকাশ্য বিরোধ ছিল বলে জানা যায়নি। ফলে হঠাৎ এমন ভয়াবহ হত্যাকাণ্ডে হতবাক সবাই। অনেকে ধারণা করছেন, পরিকল্পিতভাবে গভীর রাতে এই হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হতে পারে। ঘটনার পর থেকে রাউতকা গ্রামে নারী-পুরুষ ও শিশুদের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে। সকাল থেকেই শত শত মানুষ ঘটনাস্থলের আশপাশে ভিড় জমায়। কাপাসিয়ায় পাঁচ খুন ঘটনার খবর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিভিন্ন এলাকা থেকেও মানুষ ঘটনাটি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন।
এদিকে নিহতদের পরিচয়, হত্যার কারণ এবং সম্ভাব্য জড়িতদের শনাক্ত করতে কাজ করছে পুলিশ। মরদেহগুলো ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানোর প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্টরা। স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকেও ঘটনাটিকে গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা বলছেন, তদন্ত শেষ হওয়ার আগে নিশ্চিতভাবে কিছু বলা সম্ভব নয়। তবে দ্রুত সময়ের মধ্যে ঘটনার রহস্য উদঘাটন ও জড়িতদের গ্রেফতার করা হবে বলে আশ্বাস দিয়েছেন তারা। ভয়াবহ এই কাপাসিয়ায় পাঁচ খুন ঘটনায় পুরো এলাকায় এখন শোক, আতঙ্ক ও উৎকণ্ঠা বিরাজ করছে।
আরোও পড়ুন – বগুড়ায় জিন তাড়ানোর নামে ধর্ষণ, ভণ্ড কবিরাজ গ্রেপ্তার
গাজীপুরের কাপাসিয়ায় একই পরিবারের ৫ জনকে গলা কেটে হত্যা, এলাকায় আতঙ্ক
মো ইয়াকুব আলী তালুকদার, স্টাফ রিপোর্টারঃ
গাজীপুর জেলার কাপাসিয়া উপজেলার কাপাসিয়া ইউনিয়নের রাউতকা গ্রামে প্রবাসীর স্ত্রী ও সন্তানসহ একই পরিবারের পাঁচ সদস্যকে গলা কেটে হত্যার ঘটনায় পুরো এলাকায় চরম আতঙ্ক ও শোকের ছায়া নেমে এসেছে। শনিবার (০৯ মে) সকালে স্থানীয় বাসিন্দারা ঘরের ভেতরে রক্তাক্ত মরদেহ দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দেন। পরে কাপাসিয়া থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে তদন্ত শুরু করে। ভয়াবহ এই কাপাসিয়ায় পাঁচ খুন ঘটনার পর থেকেই এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, এমন নৃশংস হত্যাকাণ্ড আগে কখনো দেখেননি তারা।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রাউতকা গ্রামের মনির হোসেনের বাড়িতে ভাড়া থাকতেন এক প্রবাসীর পরিবার। নিহতদের মধ্যে নারী ও শিশুও রয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে স্থানীয়রা। ঘরের ভেতরের দৃশ্য ছিল অত্যন্ত হৃদয়বিদারক। একজনের মরদেহ খাটের ওপরে পড়ে ছিল, বাকি কয়েকজনের মরদেহ মেঝেতে পড়ে থাকতে দেখা যায়। এছাড়া একজনকে গলা কেটে জানালার গ্রিলের সঙ্গে বেঁধে রাখা হয়েছিল বলেও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন। প্রতিটি কক্ষ রক্তে ভেসে যায়। কাপাসিয়ায় পাঁচ খুন ঘটনায় স্থানীয় মানুষের মধ্যে আতঙ্কের পাশাপাশি ক্ষোভও দেখা দিয়েছে।
কাপাসিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, ঘটনাটি অত্যন্ত নৃশংস ও মর্মান্তিক। কারা এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তবে পুলিশ গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করছে এবং দ্রুত রহস্য উদঘাটনের চেষ্টা চলছে। তিনি আরও জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে রাতের কোনো এক সময় দুর্বৃত্তরা ঘরে প্রবেশ করে ধারালো অস্ত্র দিয়ে সবাইকে হত্যা করে পালিয়ে যায়। ঘটনাস্থল থেকে বিভিন্ন আলামত সংগ্রহ করা হয়েছে এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর একাধিক টিম তদন্তে কাজ করছে। কাপাসিয়ায় পাঁচ খুন রহস্য উদঘাটনে ইতোমধ্যে আশপাশের এলাকার সিসিটিভি ফুটেজও সংগ্রহের চেষ্টা চলছে।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, নিহত পরিবারটি দীর্ঘদিন ধরেই ওই এলাকায় বসবাস করছিল এবং তাদের সঙ্গে কারও প্রকাশ্য বিরোধ ছিল বলে জানা যায়নি। ফলে হঠাৎ এমন ভয়াবহ হত্যাকাণ্ডে হতবাক সবাই। অনেকে ধারণা করছেন, পরিকল্পিতভাবে গভীর রাতে এই হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হতে পারে। ঘটনার পর থেকে রাউতকা গ্রামে নারী-পুরুষ ও শিশুদের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে। সকাল থেকেই শত শত মানুষ ঘটনাস্থলের আশপাশে ভিড় জমায়। কাপাসিয়ায় পাঁচ খুন ঘটনার খবর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিভিন্ন এলাকা থেকেও মানুষ ঘটনাটি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন।
এদিকে নিহতদের পরিচয়, হত্যার কারণ এবং সম্ভাব্য জড়িতদের শনাক্ত করতে কাজ করছে পুলিশ। মরদেহগুলো ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানোর প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্টরা। স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকেও ঘটনাটিকে গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা বলছেন, তদন্ত শেষ হওয়ার আগে নিশ্চিতভাবে কিছু বলা সম্ভব নয়। তবে দ্রুত সময়ের মধ্যে ঘটনার রহস্য উদঘাটন ও জড়িতদের গ্রেফতার করা হবে বলে আশ্বাস দিয়েছেন তারা। ভয়াবহ এই কাপাসিয়ায় পাঁচ খুন ঘটনায় পুরো এলাকায় এখন শোক, আতঙ্ক ও উৎকণ্ঠা বিরাজ করছে।
আরোও পড়ুন – বগুড়ায় জিন তাড়ানোর নামে ধর্ষণ, ভণ্ড কবিরাজ গ্রেপ্তার