বড়লেখায় অবৈধ টিলা কাটায় প্রশাসনের কড়াকড়ি, জরিমানা এক লাখ টাকা

বড়লেখা প্রতিনিধি:

মৌলভীবাজার জেলার বড়লেখা উপজেলায় অবৈধভাবে টিলা কাটার বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছে উপজেলা প্রশাসন। পরিবেশ ও প্রাকৃতিক ভারসাম্য রক্ষায় নিয়মিত অভিযানের অংশ হিসেবে দক্ষিণ শাহবাজপুর ইউনিয়নের মোহাম্মদনগর এলাকায় ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে এক ব্যক্তিকে এক লাখ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।
উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, সম্প্রতি মোহাম্মদনগর এলাকায় টিলা কেটে মাটি বিক্রি ও স্থান পরিবর্তনের গোপন কার্যক্রমের তথ্য পাওয়া যায়। এসব কর্মকাণ্ড পরিবেশের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর হওয়ায় দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের সিদ্ধান্ত নেয় প্রশাসন। এরই ধারাবাহিকতায় বৃহস্পতিবার দুপুরে উক্ত এলাকায় অভিযান পরিচালিত হয়।
অভিযানকালে দেখা যায়, ফারুক আহমদ নামে এক ব্যক্তি দীর্ঘদিন ধরে অনুমোদন ছাড়া টিলা কেটে মাটি অপসারণ করে আসছিলেন। এতে আশপাশের পরিবেশ ঝুঁকির মুখে পড়ে এবং ভবিষ্যতে ভূমিধসসহ নানা প্রাকৃতিক দুর্যোগের সম্ভাবনা তৈরি হচ্ছিল। ঘটনাস্থলে পর্যাপ্ত প্রমাণ পাওয়ায় সংশ্লিষ্ট আইনে তাৎক্ষণিকভাবে ভ্রাম্যমাণ আদালত বসানো হয়।
বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইনের আওতায় অভিযুক্ত ব্যক্তিকে এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে এ ধরনের কার্যক্রমে জড়িত না হওয়ার জন্য কঠোরভাবে সতর্ক করা হয়। প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, অনুমতি ছাড়া টিলা, পাহাড় বা মাটি কাটা সম্পূর্ণ বেআইনি এবং এর বিরুদ্ধে নিয়মিত নজরদারি অব্যাহত থাকবে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট গালিব চৌধুরীর নেতৃত্বে পরিচালিত এই অভিযানে স্থানীয় প্রশাসনের অন্যান্য কর্মকর্তা ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। অভিযান চলাকালে অবৈধ টিলা কাটার ফলে সৃষ্ট পরিবেশগত ক্ষতির বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে পর্যালোচনা করা হয়।
এলাকাবাসীর একটি অংশ প্রশাসনের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, দীর্ঘদিন ধরে কিছু অসাধু ব্যক্তি গোপনে টিলা কেটে পরিবেশ ধ্বংস করে আসছিল। সময়মতো প্রশাসনের হস্তক্ষেপ না হলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারত।
উপজেলা প্রশাসন জানিয়েছে, বড়লেখা উপজেলায় পরিবেশ সংরক্ষণ, পাহাড় ও টিলা রক্ষা এবং প্রাকৃতিক ভারসাম্য বজায় রাখতে নিয়মিত ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান চলমান থাকবে। অবৈধ দখল, মাটি কাটা ও পরিবেশ ধ্বংসের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে ভবিষ্যতেও কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

বড়লেখায় অবৈধ টিলা কাটায় প্রশাসনের কড়াকড়ি, জরিমানা এক লাখ টাকা

ডিসেম্বর ২৫, ২০২৫

বড়লেখা প্রতিনিধি:

মৌলভীবাজার জেলার বড়লেখা উপজেলায় অবৈধভাবে টিলা কাটার বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছে উপজেলা প্রশাসন। পরিবেশ ও প্রাকৃতিক ভারসাম্য রক্ষায় নিয়মিত অভিযানের অংশ হিসেবে দক্ষিণ শাহবাজপুর ইউনিয়নের মোহাম্মদনগর এলাকায় ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে এক ব্যক্তিকে এক লাখ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।
উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, সম্প্রতি মোহাম্মদনগর এলাকায় টিলা কেটে মাটি বিক্রি ও স্থান পরিবর্তনের গোপন কার্যক্রমের তথ্য পাওয়া যায়। এসব কর্মকাণ্ড পরিবেশের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর হওয়ায় দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের সিদ্ধান্ত নেয় প্রশাসন। এরই ধারাবাহিকতায় বৃহস্পতিবার দুপুরে উক্ত এলাকায় অভিযান পরিচালিত হয়।
অভিযানকালে দেখা যায়, ফারুক আহমদ নামে এক ব্যক্তি দীর্ঘদিন ধরে অনুমোদন ছাড়া টিলা কেটে মাটি অপসারণ করে আসছিলেন। এতে আশপাশের পরিবেশ ঝুঁকির মুখে পড়ে এবং ভবিষ্যতে ভূমিধসসহ নানা প্রাকৃতিক দুর্যোগের সম্ভাবনা তৈরি হচ্ছিল। ঘটনাস্থলে পর্যাপ্ত প্রমাণ পাওয়ায় সংশ্লিষ্ট আইনে তাৎক্ষণিকভাবে ভ্রাম্যমাণ আদালত বসানো হয়।
বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইনের আওতায় অভিযুক্ত ব্যক্তিকে এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে এ ধরনের কার্যক্রমে জড়িত না হওয়ার জন্য কঠোরভাবে সতর্ক করা হয়। প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, অনুমতি ছাড়া টিলা, পাহাড় বা মাটি কাটা সম্পূর্ণ বেআইনি এবং এর বিরুদ্ধে নিয়মিত নজরদারি অব্যাহত থাকবে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট গালিব চৌধুরীর নেতৃত্বে পরিচালিত এই অভিযানে স্থানীয় প্রশাসনের অন্যান্য কর্মকর্তা ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। অভিযান চলাকালে অবৈধ টিলা কাটার ফলে সৃষ্ট পরিবেশগত ক্ষতির বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে পর্যালোচনা করা হয়।
এলাকাবাসীর একটি অংশ প্রশাসনের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, দীর্ঘদিন ধরে কিছু অসাধু ব্যক্তি গোপনে টিলা কেটে পরিবেশ ধ্বংস করে আসছিল। সময়মতো প্রশাসনের হস্তক্ষেপ না হলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারত।
উপজেলা প্রশাসন জানিয়েছে, বড়লেখা উপজেলায় পরিবেশ সংরক্ষণ, পাহাড় ও টিলা রক্ষা এবং প্রাকৃতিক ভারসাম্য বজায় রাখতে নিয়মিত ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান চলমান থাকবে। অবৈধ দখল, মাটি কাটা ও পরিবেশ ধ্বংসের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে ভবিষ্যতেও কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।