মো.জিসান রহমান, মাভাবিপ্রবি সংবাদদাতা:
টাঙ্গাইলের মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ঘটে গেছে চাঞ্চল্যকর এক ঘটনা, যেখানে এক বহিরাগত মাদকাসক্তের ছুরিকাঘাতে একজন শিক্ষার্থী গুরুতর আহত হয়েছেন। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে পুরো ক্যাম্পাসে উত্তেজনা ও উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়ে। প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, ঘটনাটি হঠাৎ করেই ঘটে এবং এতে শিক্ষার্থীরা আতঙ্কিত হয়ে পড়ে। এই ধরনের ঘটনা আবারও ক্যাম্পাস নিরাপত্তা নিয়ে বড় প্রশ্ন তুলেছে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ঘটনার পরপরই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করে এবং আহত শিক্ষার্থীকে চিকিৎসা দেওয়া হয়।
প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, অভিযুক্ত কাউসার আহমেদ (২৫) নামের এক বহিরাগত ব্যক্তি মাদকাসক্ত অবস্থায় ক্যাম্পাসে প্রবেশ করে। পরে মুক্তমঞ্চের পাশে অবস্থানরত শিক্ষার্থীদের ওপর অতর্কিতভাবে হামলা চালায়। এতে বায়োকেমিস্ট্রি অ্যান্ড মলিকুলার বায়োলজি বিভাগের স্নাতকোত্তর শিক্ষার্থী মারুফ হোসেন গুরুতর আহত হন। ঘটনার সময় উপস্থিত শিক্ষার্থীরা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে মেডিক্যাল সেন্টারে নিয়ে যায়। এই ভয়াবহ পরিস্থিতির কারণে ক্যাম্পাসে সাধারণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি হয় এবং সবাই নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন তোলে। এটি স্পষ্টভাবে একটি “মাভাবিপ্রবি হামলা” হিসেবে চিহ্নিত হচ্ছে।
ঘটনার সময় অভিযুক্ত ব্যক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরের ওপরও চড়াও হয় বলে জানা যায়, যা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তোলে। পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তা কর্মী ও শিক্ষার্থীরা যৌথভাবে তাকে আটক করে প্রক্টর অফিসে নিয়ে আসে। বর্তমানে তাকে নজরবন্দি করে রাখা হয়েছে এবং পুলিশের কাছে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে। আহত শিক্ষার্থী মারুফ হোসেন জানান, তারা ক্যাম্পাসে স্বাভাবিকভাবে আড্ডা দিচ্ছিলেন, তখনই হামলাকারী হঠাৎ ছুরি নিয়ে আক্রমণ করে। এই “মাভাবিপ্রবি হামলা” ঘটনাটি শিক্ষার্থীদের মধ্যে গভীর উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রক্টর জানান, ঘটনার পরপরই আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে এবং ক্যাম্পাসের নিরাপত্তা জোরদার করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তিনি আরও বলেন, ভবিষ্যতে যেন এমন “মাভাবিপ্রবি হামলা” না ঘটে, সেজন্য বহিরাগত প্রবেশ নিয়ন্ত্রণে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হবে। প্রশাসন বিষয়টিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে দেখছে এবং তদন্ত কার্যক্রম চলছে। এদিকে শিক্ষার্থীরা দ্রুত বিচার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছে।
এই ঘটনার পর পুরো ক্যাম্পাসে উত্তেজনা বিরাজ করছে। শিক্ষার্থীরা নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও শক্ত করার দাবি জানিয়ে আন্দোলনের হুঁশিয়ারিও দিয়েছে। তাদের মতে, নিয়মিত নজরদারি না থাকায় বহিরাগতরা সহজেই ক্যাম্পাসে প্রবেশ করতে পারছে, যা বড় ধরনের ঝুঁকি তৈরি করছে। “মাভাবিপ্রবি হামলা” শুধু একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়, বরং এটি ক্যাম্পাস নিরাপত্তার বড় দুর্বলতা প্রকাশ করেছে বলে মনে করছেন অনেকে।
আরোও পড়ুন – মাভাবিপ্রবি হলে অভিযান ঘিরে ক্ষোভ, গ্যাস-ওয়াইফাই সংকটে শিক্ষার্থীরা
মাভাবিপ্রবিতে বহিরাগত মাদকাসক্তের ছুরিকাঘাতে শিক্ষার্থী আহত, আটক ১
মো.জিসান রহমান, মাভাবিপ্রবি সংবাদদাতা:
টাঙ্গাইলের মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ঘটে গেছে চাঞ্চল্যকর এক ঘটনা, যেখানে এক বহিরাগত মাদকাসক্তের ছুরিকাঘাতে একজন শিক্ষার্থী গুরুতর আহত হয়েছেন। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে পুরো ক্যাম্পাসে উত্তেজনা ও উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়ে। প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, ঘটনাটি হঠাৎ করেই ঘটে এবং এতে শিক্ষার্থীরা আতঙ্কিত হয়ে পড়ে। এই ধরনের ঘটনা আবারও ক্যাম্পাস নিরাপত্তা নিয়ে বড় প্রশ্ন তুলেছে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ঘটনার পরপরই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করে এবং আহত শিক্ষার্থীকে চিকিৎসা দেওয়া হয়।
প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, অভিযুক্ত কাউসার আহমেদ (২৫) নামের এক বহিরাগত ব্যক্তি মাদকাসক্ত অবস্থায় ক্যাম্পাসে প্রবেশ করে। পরে মুক্তমঞ্চের পাশে অবস্থানরত শিক্ষার্থীদের ওপর অতর্কিতভাবে হামলা চালায়। এতে বায়োকেমিস্ট্রি অ্যান্ড মলিকুলার বায়োলজি বিভাগের স্নাতকোত্তর শিক্ষার্থী মারুফ হোসেন গুরুতর আহত হন। ঘটনার সময় উপস্থিত শিক্ষার্থীরা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে মেডিক্যাল সেন্টারে নিয়ে যায়। এই ভয়াবহ পরিস্থিতির কারণে ক্যাম্পাসে সাধারণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি হয় এবং সবাই নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন তোলে। এটি স্পষ্টভাবে একটি “মাভাবিপ্রবি হামলা” হিসেবে চিহ্নিত হচ্ছে।
ঘটনার সময় অভিযুক্ত ব্যক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরের ওপরও চড়াও হয় বলে জানা যায়, যা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তোলে। পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তা কর্মী ও শিক্ষার্থীরা যৌথভাবে তাকে আটক করে প্রক্টর অফিসে নিয়ে আসে। বর্তমানে তাকে নজরবন্দি করে রাখা হয়েছে এবং পুলিশের কাছে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে। আহত শিক্ষার্থী মারুফ হোসেন জানান, তারা ক্যাম্পাসে স্বাভাবিকভাবে আড্ডা দিচ্ছিলেন, তখনই হামলাকারী হঠাৎ ছুরি নিয়ে আক্রমণ করে। এই “মাভাবিপ্রবি হামলা” ঘটনাটি শিক্ষার্থীদের মধ্যে গভীর উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রক্টর জানান, ঘটনার পরপরই আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে এবং ক্যাম্পাসের নিরাপত্তা জোরদার করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তিনি আরও বলেন, ভবিষ্যতে যেন এমন “মাভাবিপ্রবি হামলা” না ঘটে, সেজন্য বহিরাগত প্রবেশ নিয়ন্ত্রণে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হবে। প্রশাসন বিষয়টিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে দেখছে এবং তদন্ত কার্যক্রম চলছে। এদিকে শিক্ষার্থীরা দ্রুত বিচার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছে।
এই ঘটনার পর পুরো ক্যাম্পাসে উত্তেজনা বিরাজ করছে। শিক্ষার্থীরা নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও শক্ত করার দাবি জানিয়ে আন্দোলনের হুঁশিয়ারিও দিয়েছে। তাদের মতে, নিয়মিত নজরদারি না থাকায় বহিরাগতরা সহজেই ক্যাম্পাসে প্রবেশ করতে পারছে, যা বড় ধরনের ঝুঁকি তৈরি করছে। “মাভাবিপ্রবি হামলা” শুধু একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়, বরং এটি ক্যাম্পাস নিরাপত্তার বড় দুর্বলতা প্রকাশ করেছে বলে মনে করছেন অনেকে।
আরোও পড়ুন – মাভাবিপ্রবি হলে অভিযান ঘিরে ক্ষোভ, গ্যাস-ওয়াইফাই সংকটে শিক্ষার্থীরা