কুলাঘাটে শফিকুলের বিরুদ্ধে মাদকের ‘মিথ্যা নাটক’ ও হয়রানির অভিযোগ

ফয়সাল সৌরভ, লালমনিরহাটঃ

লালমনিরহাট সদর উপজেলার ৩নং কুলাঘাট ইউনিয়নের দক্ষিণ শিবেরকুটি (৩নং ওয়ার্ড) এলাকায় শফিকুল ইসলাম (৩৫) কে ঘিরে মাদক সংশ্লিষ্ট অভিযোগ নিয়ে ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়দের একাংশ দাবি করছে, তাকে ঘিরে যে পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে তা একটি পরিকল্পিত মিথ্যা মাদক নাটক। তাদের অভিযোগ, ব্যক্তিগত বিরোধ ও পারিবারিক শত্রুতার জেরে শফিকুলকে সামাজিকভাবে হেয় করার জন্য মিথ্যা মাদক নাটক সাজানো হয়েছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা ও বিভক্ত মতামত দেখা দিয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে মাদক ব্যবসার অভিযোগ এনে একটি পক্ষ মামলা ও পাল্টা অভিযোগ দায়ের করেছে। তবে তার পরিবার ও সমর্থকদের দাবি, এসব অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। তারা বলছেন, দীর্ঘদিনের সামাজিক ও পারিবারিক বিরোধের কারণে তাকে ফাঁসাতে মিথ্যা মাদক নাটক তৈরি করা হয়েছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে গ্রামে মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে এবং বিষয়টি নিয়ে বিভিন্ন ধরনের গুজব ছড়িয়ে পড়ছে।

এলাকাবাসীর একাংশের মতে, শফিকুল ইসলাম কোনো ধরনের মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত নন। বরং তাকে উদ্দেশ্য করে পরিকল্পিতভাবে মিথ্যা মাদক নাটক তৈরি করা হয়েছে যাতে তার সামাজিক অবস্থান ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তারা প্রশাসনের কাছে দাবি জানিয়েছেন, বিষয়টি নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে সত্য উদঘাটন করতে হবে। তাদের মতে, যদি এই অভিযোগ সত্য না হয় তবে যারা এই মিথ্যা মাদক নাটক তৈরি করেছে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। এতে ভবিষ্যতে কেউ আর এমন হয়রানির শিকার হবে না।

অন্যদিকে, কিছু স্থানীয় বাসিন্দা বলছেন বিষয়টি পুরোপুরি একপাক্ষিক নয় এবং তদন্ত প্রয়োজন। তবে তারাও স্বীকার করছেন যে এলাকায় মিথ্যা মাদক নাটক নিয়ে ব্যাপক গুঞ্জন ও বিভ্রান্তি ছড়িয়ে পড়েছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিষয়টি নিয়ে নানা ধরনের আলোচনা চলছে। বিশেষ করে তরুণদের মধ্যে এই মিথ্যা মাদক নাটক নিয়ে ব্যাপক আগ্রহ ও বিতর্ক তৈরি হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ প্রয়োজন বলে মনে করছেন অনেকে।

শফিকুল ইসলামের স্বজনদের দাবি, তিনি দীর্ঘদিন ধরে একজন সাধারণ জীবনযাপনকারী মানুষ হিসেবে এলাকায় পরিচিত। তাকে জড়িয়ে যে মিথ্যা মাদক নাটক তৈরি করা হয়েছে তা সম্পূর্ণ ষড়যন্ত্র। তাদের অভিযোগ, একটি প্রভাবশালী মহল ব্যক্তিগত স্বার্থ হাসিলের জন্য তাকে ফাঁসানোর চেষ্টা করছে। এই কারণে এলাকায় উত্তেজনা তৈরি হয়েছে এবং সাধারণ মানুষও বিভ্রান্ত অবস্থায় রয়েছে। তারা দ্রুত ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য উদঘাটনের দাবি জানিয়েছেন।

বর্তমানে পুরো কুলাঘাট এলাকায় পরিস্থিতি কিছুটা থমথমে অবস্থায় রয়েছে। স্থানীয়রা চান কোনো নিরপরাধ ব্যক্তি যেন এই ধরনের মিথ্যা মাদক নাটকের শিকার না হন। তারা আশা করছেন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে তদন্ত করে প্রকৃত ঘটনা বের করবে। পাশাপাশি যারা এই মিথ্যা মাদক নাটক তৈরি করেছে তাদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এতে এলাকায় শান্তি ও স্বাভাবিক পরিবেশ ফিরে আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।

আরোও পড়ুন –চিতলমারীতে দখল-লুটপাট: নারী নির্যাতন ও অগ্নিসংযোগের অভিযোগ

কুলাঘাটে শফিকুলের বিরুদ্ধে মাদকের ‘মিথ্যা নাটক’ ও হয়রানির অভিযোগ

এপ্রিল ২৫, ২০২৬

ফয়সাল সৌরভ, লালমনিরহাটঃ

লালমনিরহাট সদর উপজেলার ৩নং কুলাঘাট ইউনিয়নের দক্ষিণ শিবেরকুটি (৩নং ওয়ার্ড) এলাকায় শফিকুল ইসলাম (৩৫) কে ঘিরে মাদক সংশ্লিষ্ট অভিযোগ নিয়ে ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়দের একাংশ দাবি করছে, তাকে ঘিরে যে পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে তা একটি পরিকল্পিত মিথ্যা মাদক নাটক। তাদের অভিযোগ, ব্যক্তিগত বিরোধ ও পারিবারিক শত্রুতার জেরে শফিকুলকে সামাজিকভাবে হেয় করার জন্য মিথ্যা মাদক নাটক সাজানো হয়েছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা ও বিভক্ত মতামত দেখা দিয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে মাদক ব্যবসার অভিযোগ এনে একটি পক্ষ মামলা ও পাল্টা অভিযোগ দায়ের করেছে। তবে তার পরিবার ও সমর্থকদের দাবি, এসব অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। তারা বলছেন, দীর্ঘদিনের সামাজিক ও পারিবারিক বিরোধের কারণে তাকে ফাঁসাতে মিথ্যা মাদক নাটক তৈরি করা হয়েছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে গ্রামে মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে এবং বিষয়টি নিয়ে বিভিন্ন ধরনের গুজব ছড়িয়ে পড়ছে।

এলাকাবাসীর একাংশের মতে, শফিকুল ইসলাম কোনো ধরনের মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত নন। বরং তাকে উদ্দেশ্য করে পরিকল্পিতভাবে মিথ্যা মাদক নাটক তৈরি করা হয়েছে যাতে তার সামাজিক অবস্থান ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তারা প্রশাসনের কাছে দাবি জানিয়েছেন, বিষয়টি নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে সত্য উদঘাটন করতে হবে। তাদের মতে, যদি এই অভিযোগ সত্য না হয় তবে যারা এই মিথ্যা মাদক নাটক তৈরি করেছে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। এতে ভবিষ্যতে কেউ আর এমন হয়রানির শিকার হবে না।

অন্যদিকে, কিছু স্থানীয় বাসিন্দা বলছেন বিষয়টি পুরোপুরি একপাক্ষিক নয় এবং তদন্ত প্রয়োজন। তবে তারাও স্বীকার করছেন যে এলাকায় মিথ্যা মাদক নাটক নিয়ে ব্যাপক গুঞ্জন ও বিভ্রান্তি ছড়িয়ে পড়েছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিষয়টি নিয়ে নানা ধরনের আলোচনা চলছে। বিশেষ করে তরুণদের মধ্যে এই মিথ্যা মাদক নাটক নিয়ে ব্যাপক আগ্রহ ও বিতর্ক তৈরি হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ প্রয়োজন বলে মনে করছেন অনেকে।

শফিকুল ইসলামের স্বজনদের দাবি, তিনি দীর্ঘদিন ধরে একজন সাধারণ জীবনযাপনকারী মানুষ হিসেবে এলাকায় পরিচিত। তাকে জড়িয়ে যে মিথ্যা মাদক নাটক তৈরি করা হয়েছে তা সম্পূর্ণ ষড়যন্ত্র। তাদের অভিযোগ, একটি প্রভাবশালী মহল ব্যক্তিগত স্বার্থ হাসিলের জন্য তাকে ফাঁসানোর চেষ্টা করছে। এই কারণে এলাকায় উত্তেজনা তৈরি হয়েছে এবং সাধারণ মানুষও বিভ্রান্ত অবস্থায় রয়েছে। তারা দ্রুত ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য উদঘাটনের দাবি জানিয়েছেন।

বর্তমানে পুরো কুলাঘাট এলাকায় পরিস্থিতি কিছুটা থমথমে অবস্থায় রয়েছে। স্থানীয়রা চান কোনো নিরপরাধ ব্যক্তি যেন এই ধরনের মিথ্যা মাদক নাটকের শিকার না হন। তারা আশা করছেন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে তদন্ত করে প্রকৃত ঘটনা বের করবে। পাশাপাশি যারা এই মিথ্যা মাদক নাটক তৈরি করেছে তাদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এতে এলাকায় শান্তি ও স্বাভাবিক পরিবেশ ফিরে আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।

আরোও পড়ুন –চিতলমারীতে দখল-লুটপাট: নারী নির্যাতন ও অগ্নিসংযোগের অভিযোগ