নিজস্ব প্রতিবেদক, রাঙামাটি:
রাঙামাটি শহরের মহিলা কলেজ এলাকার একটি বাসাবাড়ি সংলগ্ন এলাকায় ৭ বছর বয়সী এক কন্যা শিশুধর্ষণ অভিযোগ উঠেছে তার চাচাতো ভাইয়ের বিরুদ্ধে। বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) রাতের এ ঘটনায় এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। পরিবারের সদস্যরা শিশুটিকে অসুস্থ অবস্থায় উদ্ধার করে দ্রুত রাঙামাটি জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে চট্টগ্রামে পাঠানো হয়। শিশুধর্ষণ অভিযোগ ঘিরে স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে।
হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, শিশুটিকে হাসপাতালে আনার পর কর্তব্যরত চিকিৎসকরা জরুরি চিকিৎসা শুরু করেন। তবে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার প্রয়োজন দেখা দেয়। রাঙামাটি জেনারেল হাসপাতালের দায়িত্বশীল চিকিৎসক জানান, শিশুটিকে দ্রুত বিশেষায়িত চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করা হয়েছে। চিকিৎসকদের মতে, শিশুটির শারীরিক ও মানসিক সুরক্ষায় সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। এ ঘটনায় শিশুধর্ষণ অভিযোগ আরও গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত শুরু হয়েছে।
পরিবারের সদস্যরা জানান, ঘটনার সময় শিশুটি বাসার সামনে খেলছিল। এ সময় অভিযুক্ত তাকে কৌশলে ডেকে নিয়ে যায়। পরে শিশুটি বাসায় ফিরে অসুস্থ হয়ে পড়লে পরিবারের সদস্যদের সন্দেহ হয়। জিজ্ঞাসাবাদে শিশুটি ঘটনার কথা জানায় বলে স্বজনদের দাবি। এরপর আর দেরি না করে তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়। ঘটনাটি জানাজানি হলে স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দেখা দেয় এবং শিশুধর্ষণ অভিযোগ নিয়ে ন্যায়বিচারের দাবি ওঠে।
রাঙামাটি কোতয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জানান, বিষয়টি অত্যন্ত সংবেদনশীল হিসেবে দেখা হচ্ছে। অভিযোগ পাওয়ার পরপরই পুলিশ ঘটনাস্থল ও হাসপাতাল এলাকায় যোগাযোগ করে তথ্য সংগ্রহ শুরু করেছে। অভিযুক্ত বর্তমানে পলাতক থাকলেও তাকে গ্রেপ্তারে একাধিক টিম কাজ করছে বলে পুলিশ জানিয়েছে। মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। পুলিশের ভাষ্য, শিশুধর্ষণ অভিযোগ প্রমাণিত হলে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, অভিযুক্তের বিরুদ্ধে অতীতেও নানা অসামাজিক কর্মকাণ্ডের অভিযোগ ছিল। তবে সেগুলোর সুষ্ঠু সমাধান না হওয়ায় এবার ক্ষোভ আরও বেড়েছে। সচেতন মহল বলছে, শিশু নির্যাতনের মতো ঘটনায় দ্রুত বিচার নিশ্চিত করা জরুরি। একই সঙ্গে পরিবার, সমাজ ও প্রশাসনের সমন্বিত উদ্যোগ ছাড়া এ ধরনের অপরাধ রোধ করা কঠিন। এ ঘটনায় এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে বলে জানা গেছে।
মানবাধিকারকর্মীরা বলছেন, শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পরিবারকে আরও সতর্ক হতে হবে। সন্দেহজনক আচরণ দেখলেই আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে জানাতে হবে। একই সঙ্গে শিশুর মানসিক পুনর্বাসনেও গুরুত্ব দিতে হবে। রাঙামাটির এ শিশুধর্ষণ অভিযোগ নতুন করে শিশু সুরক্ষা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে এবং দ্রুত বিচার নিশ্চিতের দাবি জোরালো করেছে।
আরোও পড়ুন – পলাশে কিশোরী ধর্ষণ: রাস্তা থেকে তুলে নিয়ে সংঘবদ্ধ নির্যাতন, গ্রেফতার ১
রাঙামাটিতে শিশুধর্ষণ অভিযোগ: চাচাতো ভাইয়ের বিরুদ্ধে মামলা প্রক্রিয়া শুরু
নিজস্ব প্রতিবেদক, রাঙামাটি:
রাঙামাটি শহরের মহিলা কলেজ এলাকার একটি বাসাবাড়ি সংলগ্ন এলাকায় ৭ বছর বয়সী এক কন্যা শিশুধর্ষণ অভিযোগ উঠেছে তার চাচাতো ভাইয়ের বিরুদ্ধে। বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) রাতের এ ঘটনায় এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। পরিবারের সদস্যরা শিশুটিকে অসুস্থ অবস্থায় উদ্ধার করে দ্রুত রাঙামাটি জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে চট্টগ্রামে পাঠানো হয়। শিশুধর্ষণ অভিযোগ ঘিরে স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে।
হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, শিশুটিকে হাসপাতালে আনার পর কর্তব্যরত চিকিৎসকরা জরুরি চিকিৎসা শুরু করেন। তবে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার প্রয়োজন দেখা দেয়। রাঙামাটি জেনারেল হাসপাতালের দায়িত্বশীল চিকিৎসক জানান, শিশুটিকে দ্রুত বিশেষায়িত চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করা হয়েছে। চিকিৎসকদের মতে, শিশুটির শারীরিক ও মানসিক সুরক্ষায় সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। এ ঘটনায় শিশুধর্ষণ অভিযোগ আরও গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত শুরু হয়েছে।
পরিবারের সদস্যরা জানান, ঘটনার সময় শিশুটি বাসার সামনে খেলছিল। এ সময় অভিযুক্ত তাকে কৌশলে ডেকে নিয়ে যায়। পরে শিশুটি বাসায় ফিরে অসুস্থ হয়ে পড়লে পরিবারের সদস্যদের সন্দেহ হয়। জিজ্ঞাসাবাদে শিশুটি ঘটনার কথা জানায় বলে স্বজনদের দাবি। এরপর আর দেরি না করে তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়। ঘটনাটি জানাজানি হলে স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দেখা দেয় এবং শিশুধর্ষণ অভিযোগ নিয়ে ন্যায়বিচারের দাবি ওঠে।
রাঙামাটি কোতয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জানান, বিষয়টি অত্যন্ত সংবেদনশীল হিসেবে দেখা হচ্ছে। অভিযোগ পাওয়ার পরপরই পুলিশ ঘটনাস্থল ও হাসপাতাল এলাকায় যোগাযোগ করে তথ্য সংগ্রহ শুরু করেছে। অভিযুক্ত বর্তমানে পলাতক থাকলেও তাকে গ্রেপ্তারে একাধিক টিম কাজ করছে বলে পুলিশ জানিয়েছে। মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। পুলিশের ভাষ্য, শিশুধর্ষণ অভিযোগ প্রমাণিত হলে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, অভিযুক্তের বিরুদ্ধে অতীতেও নানা অসামাজিক কর্মকাণ্ডের অভিযোগ ছিল। তবে সেগুলোর সুষ্ঠু সমাধান না হওয়ায় এবার ক্ষোভ আরও বেড়েছে। সচেতন মহল বলছে, শিশু নির্যাতনের মতো ঘটনায় দ্রুত বিচার নিশ্চিত করা জরুরি। একই সঙ্গে পরিবার, সমাজ ও প্রশাসনের সমন্বিত উদ্যোগ ছাড়া এ ধরনের অপরাধ রোধ করা কঠিন। এ ঘটনায় এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে বলে জানা গেছে।
মানবাধিকারকর্মীরা বলছেন, শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পরিবারকে আরও সতর্ক হতে হবে। সন্দেহজনক আচরণ দেখলেই আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে জানাতে হবে। একই সঙ্গে শিশুর মানসিক পুনর্বাসনেও গুরুত্ব দিতে হবে। রাঙামাটির এ শিশুধর্ষণ অভিযোগ নতুন করে শিশু সুরক্ষা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে এবং দ্রুত বিচার নিশ্চিতের দাবি জোরালো করেছে।
আরোও পড়ুন – পলাশে কিশোরী ধর্ষণ: রাস্তা থেকে তুলে নিয়ে সংঘবদ্ধ নির্যাতন, গ্রেফতার ১