মোস্তাফিজুর রহমান রানা,রাজশাহী প্রতিনিধিঃ
রাজশাহীতে চলমান জাতীয় হাম রুবেলা টিকা ক্যাম্পেইন ২০২৬-এ এবার উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জিত হয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (WHO) যৌথ পর্যবেক্ষণ প্রতিবেদনে দেখা যায়, রাজশাহী জেলায় টিকাদানের হার নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রাকে ছাড়িয়ে ১০০.৪৪ শতাংশে পৌঁছেছে। ৯টি উপজেলায় পরিচালিত এই কর্মসূচিতে নির্ধারিত সংখ্যার চেয়েও বেশি শিশুকে হাম রুবেলা টিকা প্রদান করা সম্ভব হয়েছে, যা স্থানীয় স্বাস্থ্য ব্যবস্থার জন্য একটি ইতিবাচক অগ্রগতি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
২৫ এপ্রিল থেকে শুরু হওয়া এই ক্যাম্পেইন ৭ মে পর্যন্ত চলমান ছিল। এই সময়ে জেলায় মোট ২ লাখ ৩ হাজার ৪০ জন শিশুকে হাম রুবেলা টিকা দেওয়া হয়, যেখানে লক্ষ্যমাত্রা ছিল ২ লাখ ২ হাজার ১৬০ জন শিশু। স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, মাঠপর্যায়ের স্বাস্থ্যকর্মী, স্বেচ্ছাসেবক এবং অভিভাবকদের সক্রিয় অংশগ্রহণের কারণে এই সাফল্য অর্জন সম্ভব হয়েছে। বিশেষ করে দুর্গম ও গ্রামীণ এলাকাগুলোতে বাড়ি বাড়ি গিয়ে টিকা দেওয়ার কার্যক্রম কভারেজ বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

উপজেলাভিত্তিক পরিসংখ্যানে দেখা যায়, তানোর উপজেলা সবচেয়ে বেশি অগ্রগতি অর্জন করেছে। এখানে লক্ষ্যমাত্রার ১০৬.২৯ শতাংশ শিশু হাম রুবেলা টিকা পেয়েছে। এছাড়া বাঘমারা, বাঘা, গোদাগাড়ী পৌরসভা ও মোহনপুর উপজেলাতেও ১০০ শতাংশের বেশি কভারেজ নিশ্চিত হয়েছে। পবা, চারঘাট ও দুর্গাপুর উপজেলায় সামান্য ঘাটতি থাকলেও সামগ্রিকভাবে জেলায় সফলভাবে ক্যাম্পেইন সম্পন্ন হয়েছে।
স্বাস্থ্য বিভাগ আরও জানিয়েছে, এই হাম রুবেলা টিকা ক্যাম্পেইনের পর কোনো গুরুতর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার ঘটনা ঘটেনি। শুধুমাত্র ৩ জন শিশুর ক্ষেত্রে সামান্য জ্বর বা মৃদু শারীরিক প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে, যা দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। এটি টিকার নিরাপত্তা ও কার্যকারিতার একটি ইতিবাচক দিক হিসেবে দেখা হচ্ছে। অন্যদিকে, একই সময়ে জেলায় হাম রোগ পরিস্থিতিও নিয়ন্ত্রণে রয়েছে, যেখানে এখন পর্যন্ত ২১ জন রোগী শনাক্ত হলেও কোনো মৃত্যুর ঘটনা ঘটেনি।
স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ক্যাম্পেইনের শেষ দিন ১০ মে পর্যন্ত বাদপড়া শিশুদের হাম রুবেলা টিকা দেওয়ার কার্যক্রম চলবে। বিশেষ করে ৬ মাস থেকে ৫ বছরের নিচের কোনো শিশু টিকা থেকে বাদ পড়লে নিকটস্থ টিকাদান কেন্দ্রে যোগাযোগ করার জন্য অভিভাবকদের অনুরোধ জানানো হয়েছে। এই উদ্যোগ ভবিষ্যতে হাম ও রুবেলা রোগ প্রতিরোধে দীর্ঘমেয়াদি সুরক্ষা নিশ্চিত করবে বলে আশা করা হচ্ছে।
আরোও পড়ুন – কুড়িগ্রামে হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন শুরু
রাজশাহীতে হাম-রুবেলা টিকাদান কভারেজ ১০০.৪৪% অতিক্রম, লক্ষ্যমাত্রা ছাড়ালো ক্যাম্পেইন ২০২৬
মোস্তাফিজুর রহমান রানা,রাজশাহী প্রতিনিধিঃ
রাজশাহীতে চলমান জাতীয় হাম রুবেলা টিকা ক্যাম্পেইন ২০২৬-এ এবার উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জিত হয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (WHO) যৌথ পর্যবেক্ষণ প্রতিবেদনে দেখা যায়, রাজশাহী জেলায় টিকাদানের হার নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রাকে ছাড়িয়ে ১০০.৪৪ শতাংশে পৌঁছেছে। ৯টি উপজেলায় পরিচালিত এই কর্মসূচিতে নির্ধারিত সংখ্যার চেয়েও বেশি শিশুকে হাম রুবেলা টিকা প্রদান করা সম্ভব হয়েছে, যা স্থানীয় স্বাস্থ্য ব্যবস্থার জন্য একটি ইতিবাচক অগ্রগতি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
২৫ এপ্রিল থেকে শুরু হওয়া এই ক্যাম্পেইন ৭ মে পর্যন্ত চলমান ছিল। এই সময়ে জেলায় মোট ২ লাখ ৩ হাজার ৪০ জন শিশুকে হাম রুবেলা টিকা দেওয়া হয়, যেখানে লক্ষ্যমাত্রা ছিল ২ লাখ ২ হাজার ১৬০ জন শিশু। স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, মাঠপর্যায়ের স্বাস্থ্যকর্মী, স্বেচ্ছাসেবক এবং অভিভাবকদের সক্রিয় অংশগ্রহণের কারণে এই সাফল্য অর্জন সম্ভব হয়েছে। বিশেষ করে দুর্গম ও গ্রামীণ এলাকাগুলোতে বাড়ি বাড়ি গিয়ে টিকা দেওয়ার কার্যক্রম কভারেজ বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

উপজেলাভিত্তিক পরিসংখ্যানে দেখা যায়, তানোর উপজেলা সবচেয়ে বেশি অগ্রগতি অর্জন করেছে। এখানে লক্ষ্যমাত্রার ১০৬.২৯ শতাংশ শিশু হাম রুবেলা টিকা পেয়েছে। এছাড়া বাঘমারা, বাঘা, গোদাগাড়ী পৌরসভা ও মোহনপুর উপজেলাতেও ১০০ শতাংশের বেশি কভারেজ নিশ্চিত হয়েছে। পবা, চারঘাট ও দুর্গাপুর উপজেলায় সামান্য ঘাটতি থাকলেও সামগ্রিকভাবে জেলায় সফলভাবে ক্যাম্পেইন সম্পন্ন হয়েছে।
স্বাস্থ্য বিভাগ আরও জানিয়েছে, এই হাম রুবেলা টিকা ক্যাম্পেইনের পর কোনো গুরুতর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার ঘটনা ঘটেনি। শুধুমাত্র ৩ জন শিশুর ক্ষেত্রে সামান্য জ্বর বা মৃদু শারীরিক প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে, যা দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। এটি টিকার নিরাপত্তা ও কার্যকারিতার একটি ইতিবাচক দিক হিসেবে দেখা হচ্ছে। অন্যদিকে, একই সময়ে জেলায় হাম রোগ পরিস্থিতিও নিয়ন্ত্রণে রয়েছে, যেখানে এখন পর্যন্ত ২১ জন রোগী শনাক্ত হলেও কোনো মৃত্যুর ঘটনা ঘটেনি।
স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ক্যাম্পেইনের শেষ দিন ১০ মে পর্যন্ত বাদপড়া শিশুদের হাম রুবেলা টিকা দেওয়ার কার্যক্রম চলবে। বিশেষ করে ৬ মাস থেকে ৫ বছরের নিচের কোনো শিশু টিকা থেকে বাদ পড়লে নিকটস্থ টিকাদান কেন্দ্রে যোগাযোগ করার জন্য অভিভাবকদের অনুরোধ জানানো হয়েছে। এই উদ্যোগ ভবিষ্যতে হাম ও রুবেলা রোগ প্রতিরোধে দীর্ঘমেয়াদি সুরক্ষা নিশ্চিত করবে বলে আশা করা হচ্ছে।
আরোও পড়ুন – কুড়িগ্রামে হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন শুরু