নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
শিক্ষাক্ষেত্রে দীর্ঘদিনের অবদান, মানবিক মূল্যবোধের চর্চা এবং শিক্ষার্থীদের দক্ষ ও আদর্শ নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার ক্ষেত্রে অসামান্য ভূমিকার স্বীকৃতিস্বরূপ “কবি কাজী নজরুল ইসলাম স্মৃতি পুরস্কার–২০২৬” অর্জন করেছেন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ নাজমুল হক প্রদীপ। জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১২৭তম জন্মজয়ন্তী উপলক্ষে আয়োজিত এক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানে এই সম্মাননা প্রদান করা হয়। শিক্ষাজগতের বিভিন্ন স্তরে ইতিবাচক অবদান রাখার কারণে নাজমুল হক প্রদীপ এই বিশেষ স্বীকৃতি লাভ করেছেন বলে আয়োজকরা জানান।
গত ১৩ জুন ২০২৬ রাজধানীর সেগুনবাগিচাস্থ কচিকাঁচার মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের মাননীয় বিচারপতি এস. এম. মুজিবুর রহমান। তাঁর হাত থেকেই সম্মাননা গ্রহণ করেন নাজমুল হক প্রদীপ। অনুষ্ঠানে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের শিক্ষাবিদ, সাহিত্যিক, সংস্কৃতিকর্মী, গবেষক, সামাজিক সংগঠক এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার বিশিষ্ট ব্যক্তিরা অংশগ্রহণ করেন। জাতীয় কবির জীবন, সাহিত্য, সাম্য, মানবতা ও অসাম্প্রদায়িক চেতনা নিয়ে আলোচনা সভার পাশাপাশি গুণীজনদের সম্মাননা প্রদান করা হয়।
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, শিক্ষা শুধু পাঠ্যবইয়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; এটি একটি জাতির ভবিষ্যৎ নির্মাণের অন্যতম প্রধান ভিত্তি। সেই জায়গা থেকে নাজমুল হক প্রদীপ দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষার্থীদের নৈতিকতা, নেতৃত্বগুণ, সৃজনশীলতা এবং মানবিক মূল্যবোধ বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছেন। তাঁর শিক্ষাদর্শন শিক্ষার্থীদের মাঝে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে সহায়ক হয়েছে বলে বক্তারা উল্লেখ করেন। একইসঙ্গে তাঁরা বলেন, নাজমুল হক প্রদীপ-এর এই অর্জন শিক্ষা অঙ্গনের অন্যান্য শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মীদের জন্যও অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে।
সম্মাননা গ্রহণের পর নিজের অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে নাজমুল হক প্রদীপ বলেন, এই পুরস্কার তাঁর একার নয়; বরং তাঁর শিক্ষক, শিক্ষার্থী, পরিবার, সহকর্মী এবং শুভানুধ্যায়ীদের সম্মিলিত ভালোবাসা ও সহযোগিতার ফল। তিনি বলেন, একজন শিক্ষকের সবচেয়ে বড় অর্জন হলো শিক্ষার্থীদের সফলতা। তাঁদের স্বপ্ন পূরণ ও সুন্দর ভবিষ্যৎ নির্মাণে সামান্য অবদান রাখতে পারাই তাঁর জন্য সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি। তিনি এই সম্মাননা তাঁর সকল শিক্ষার্থীর প্রতি উৎসর্গ করেন এবং ভবিষ্যতেও শিক্ষা ও মানবকল্যাণে কাজ করে যাওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
অনুষ্ঠানের বিভিন্ন পর্বে বক্তারা জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের আদর্শ অনুসরণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তাঁরা বলেন, শিক্ষা, সাহিত্য ও সংস্কৃতির সমন্বিত বিকাশ ছাড়া একটি উন্নত সমাজ গঠন সম্ভব নয়। এমন একটি আয়োজনে নাজমুল হক প্রদীপ-এর মতো শিক্ষাবিদকে সম্মাননা প্রদান তরুণ প্রজন্মকে শিক্ষা ও জ্ঞানচর্চার প্রতি আরও উৎসাহিত করবে। অনুষ্ঠানে উপস্থিত অতিথিরাও তাঁর এই অর্জনের প্রশংসা করেন এবং ভবিষ্যতে আরও বৃহত্তর পরিসরে শিক্ষাক্ষেত্রে অবদান রাখার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।
অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে নাজমুল হক প্রদীপ দেশবাসীর কাছে দোয়া কামনা করেন। তিনি বলেন, শিক্ষা, মানবিকতা, নৈতিকতা ও জ্ঞানভিত্তিক সমাজ গঠনের লক্ষ্যে তিনি তাঁর কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে চান। সমাজ ও দেশের কল্যাণে আরও কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারলে এই সম্মাননার মর্যাদা রক্ষা করা সম্ভব হবে বলেও তিনি মন্তব্য করেন। তাঁর এই সম্মাননা শিক্ষা অঙ্গনের জন্য গৌরবের এবং আগামী দিনের শিক্ষকদের জন্য অনুপ্রেরণার একটি উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
আরোও পড়ুন – আইনের আওতায় টিকটক – রীলসে নিজেদের প্রদর্শন করা দোলা মল্লিক ও তার সহযোগী সদস্যরা
বিচারপতির হাত থেকে ‘কবি কাজী নজরুল ইসলাম স্মৃতি পুরস্কার–২০২৬’ গ্রহণ করলেন নাজমুল হক প্রদীপ
নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
শিক্ষাক্ষেত্রে দীর্ঘদিনের অবদান, মানবিক মূল্যবোধের চর্চা এবং শিক্ষার্থীদের দক্ষ ও আদর্শ নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার ক্ষেত্রে অসামান্য ভূমিকার স্বীকৃতিস্বরূপ “কবি কাজী নজরুল ইসলাম স্মৃতি পুরস্কার–২০২৬” অর্জন করেছেন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ নাজমুল হক প্রদীপ। জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১২৭তম জন্মজয়ন্তী উপলক্ষে আয়োজিত এক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানে এই সম্মাননা প্রদান করা হয়। শিক্ষাজগতের বিভিন্ন স্তরে ইতিবাচক অবদান রাখার কারণে নাজমুল হক প্রদীপ এই বিশেষ স্বীকৃতি লাভ করেছেন বলে আয়োজকরা জানান।
গত ১৩ জুন ২০২৬ রাজধানীর সেগুনবাগিচাস্থ কচিকাঁচার মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের মাননীয় বিচারপতি এস. এম. মুজিবুর রহমান। তাঁর হাত থেকেই সম্মাননা গ্রহণ করেন নাজমুল হক প্রদীপ। অনুষ্ঠানে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের শিক্ষাবিদ, সাহিত্যিক, সংস্কৃতিকর্মী, গবেষক, সামাজিক সংগঠক এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার বিশিষ্ট ব্যক্তিরা অংশগ্রহণ করেন। জাতীয় কবির জীবন, সাহিত্য, সাম্য, মানবতা ও অসাম্প্রদায়িক চেতনা নিয়ে আলোচনা সভার পাশাপাশি গুণীজনদের সম্মাননা প্রদান করা হয়।
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, শিক্ষা শুধু পাঠ্যবইয়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; এটি একটি জাতির ভবিষ্যৎ নির্মাণের অন্যতম প্রধান ভিত্তি। সেই জায়গা থেকে নাজমুল হক প্রদীপ দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষার্থীদের নৈতিকতা, নেতৃত্বগুণ, সৃজনশীলতা এবং মানবিক মূল্যবোধ বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছেন। তাঁর শিক্ষাদর্শন শিক্ষার্থীদের মাঝে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে সহায়ক হয়েছে বলে বক্তারা উল্লেখ করেন। একইসঙ্গে তাঁরা বলেন, নাজমুল হক প্রদীপ-এর এই অর্জন শিক্ষা অঙ্গনের অন্যান্য শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মীদের জন্যও অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে।
সম্মাননা গ্রহণের পর নিজের অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে নাজমুল হক প্রদীপ বলেন, এই পুরস্কার তাঁর একার নয়; বরং তাঁর শিক্ষক, শিক্ষার্থী, পরিবার, সহকর্মী এবং শুভানুধ্যায়ীদের সম্মিলিত ভালোবাসা ও সহযোগিতার ফল। তিনি বলেন, একজন শিক্ষকের সবচেয়ে বড় অর্জন হলো শিক্ষার্থীদের সফলতা। তাঁদের স্বপ্ন পূরণ ও সুন্দর ভবিষ্যৎ নির্মাণে সামান্য অবদান রাখতে পারাই তাঁর জন্য সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি। তিনি এই সম্মাননা তাঁর সকল শিক্ষার্থীর প্রতি উৎসর্গ করেন এবং ভবিষ্যতেও শিক্ষা ও মানবকল্যাণে কাজ করে যাওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
অনুষ্ঠানের বিভিন্ন পর্বে বক্তারা জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের আদর্শ অনুসরণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তাঁরা বলেন, শিক্ষা, সাহিত্য ও সংস্কৃতির সমন্বিত বিকাশ ছাড়া একটি উন্নত সমাজ গঠন সম্ভব নয়। এমন একটি আয়োজনে নাজমুল হক প্রদীপ-এর মতো শিক্ষাবিদকে সম্মাননা প্রদান তরুণ প্রজন্মকে শিক্ষা ও জ্ঞানচর্চার প্রতি আরও উৎসাহিত করবে। অনুষ্ঠানে উপস্থিত অতিথিরাও তাঁর এই অর্জনের প্রশংসা করেন এবং ভবিষ্যতে আরও বৃহত্তর পরিসরে শিক্ষাক্ষেত্রে অবদান রাখার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।
অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে নাজমুল হক প্রদীপ দেশবাসীর কাছে দোয়া কামনা করেন। তিনি বলেন, শিক্ষা, মানবিকতা, নৈতিকতা ও জ্ঞানভিত্তিক সমাজ গঠনের লক্ষ্যে তিনি তাঁর কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে চান। সমাজ ও দেশের কল্যাণে আরও কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারলে এই সম্মাননার মর্যাদা রক্ষা করা সম্ভব হবে বলেও তিনি মন্তব্য করেন। তাঁর এই সম্মাননা শিক্ষা অঙ্গনের জন্য গৌরবের এবং আগামী দিনের শিক্ষকদের জন্য অনুপ্রেরণার একটি উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
আরোও পড়ুন – আইনের আওতায় টিকটক – রীলসে নিজেদের প্রদর্শন করা দোলা মল্লিক ও তার সহযোগী সদস্যরা