রাজশাহীতে স্বেচ্ছাসেবক দলের বিক্ষোভ–মানববন্ধন, হামলাকারীদের দ্রুত গ্রেফতারের দাবি

নিজস্ব প্রতিবেদক:
রাজশাহী মহানগরে স্বেচ্ছাসেবক দলের অন্যতম নেতা এ এম আতিকুর রহমান (প্রান্ত)–এর ওপর সশস্ত্র হামলার প্রতিবাদে মঙ্গলবার (৫ নভেম্বর) বিকেল ৪টায় রাজপাড়া এলাকায় বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। স্বেচ্ছাসেবক দল ও বিএনপির নেতাকর্মীরা অভিযোগ করেন, প্রান্তের ওপর হামলার ঘটনার পরও হামলাকারীরা এখনও গ্রেফতার হয়নি। দ্রুত গ্রেফতার নিশ্চিত করা না হলে আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে বলে হুঁশিয়ারি দেন তাঁরা।

বিকেলে ব্যানার–ফেস্টুন নিয়ে বিভিন্ন এলাকা প্রদক্ষিণ করে নেতাকর্মীরা রাজপাড়ায় সমবেত হন এবং হামলাকারীদের দ্রুত শাস্তি নিশ্চিতের দাবি জানান। কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন—রাজপাড়া থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক জাহিদ হাসান শিশির, যুগ্ম আহ্বায়ক আলমগীর, মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য শরিফুল ইসলাম সোহান, কমিটির সদস্য শাহীন, সজিব, হিমেল, পাপন, পিন্টু, সজল, রশিদ, হারুন, বোয়ালিয়া থানা পশ্চিম স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য মনিরুজ্জামান শান্ত, শাহ মখদুম থানা বিএনপির আহ্বায়ক সুমন সরদার, মহানগর যুবদলের সদস্য টোকেন, স্বেচ্ছাসেবক দলের মনজু রহমানসহ বহু নেতা–কর্মী।কচুয়ায় দুর্বৃত্তদের হামলায় যুবদল কর্মী নিহত

সূত্র জানায়, দীর্ঘদিন ধরে শিহাব নামের একজন ব্যক্তি প্রতিষ্ঠানের আর্থিক হিসাব দিতে গড়িমসি করছিলেন, যার ফলে কর্মচারীদের বেতন ও জরুরি ব্যয়ের ক্ষেত্রে সংকট দেখা দেয়। কয়েক দফা চাপের পরও তিনি হিসাব না দেওয়ায় পার্টনারদের মধ্যে অসন্তোষ দেখা দেয়। এর জেরে গত ৩ নভেম্বর বিকাল সাড়ে ৩টার দিকে শিহাবের নির্দেশে একদল সশস্ত্র ব্যক্তি রাজপাড়া থানাধীন লক্ষীপুর শেরশাহ রোডে অবস্থিত রাজশাহী জেনারেল হাসপাতাল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারের কার্যক্রম বন্ধ করে তালাবদ্ধ করে দেয়। এসময় হামলাকারীরা হাসপাতালের পার্টনার মো. শামীম আহম্মেদ–এর ওপর দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা চালায়। তাঁকে এলোপাতাড়ি মারধর করে গুরুতর জখম করা হয় এবং পরে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অভিযোগে বলা হয়েছে, হামলাকারীরা হাসপাতালের ক্যাশ থেকে প্রায় ২০ লাখ টাকা, কর্মচারী প্রান্তের মানিব্যাগে থাকা ১ লাখ টাকা, স্বর্ণের চেইন ও ১৫ হাজার টাকা লুট করে নিয়ে যায়। এ ঘটনায় ১৪৩/৪৪৮/৩২৩/৩৭৯/৩০৭/৫/৩০ ধারায় মামলা রুজু হয়েছে।

ঘটনার বিষয়ে জানতে চাইলে রাজপাড়া থানার অফিসার–ইন–চার্জ (ওসি) বলেন, মামলার তদন্ত চলছে এবং দোষীদের আইনের আওতায় আনতে পুলিশ কাজ করছে। তিনি জানান, ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে এবং প্রাপ্ত তথ্য–উপাত্তের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতারা বলেন, প্রান্তের ওপর হামলার ঘটনার প্রমাণ স্পষ্ট; তবুও হামলাকারীরা প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে। দ্রুত গ্রেফতার নিশ্চিত না হলে রাজশাহীতে আরও কঠোর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে।

রাজশাহীতে স্বেচ্ছাসেবক দলের বিক্ষোভ–মানববন্ধন, হামলাকারীদের দ্রুত গ্রেফতারের দাবি

নভেম্বর ৬, ২০২৫

নিজস্ব প্রতিবেদক:
রাজশাহী মহানগরে স্বেচ্ছাসেবক দলের অন্যতম নেতা এ এম আতিকুর রহমান (প্রান্ত)–এর ওপর সশস্ত্র হামলার প্রতিবাদে মঙ্গলবার (৫ নভেম্বর) বিকেল ৪টায় রাজপাড়া এলাকায় বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। স্বেচ্ছাসেবক দল ও বিএনপির নেতাকর্মীরা অভিযোগ করেন, প্রান্তের ওপর হামলার ঘটনার পরও হামলাকারীরা এখনও গ্রেফতার হয়নি। দ্রুত গ্রেফতার নিশ্চিত করা না হলে আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে বলে হুঁশিয়ারি দেন তাঁরা।

বিকেলে ব্যানার–ফেস্টুন নিয়ে বিভিন্ন এলাকা প্রদক্ষিণ করে নেতাকর্মীরা রাজপাড়ায় সমবেত হন এবং হামলাকারীদের দ্রুত শাস্তি নিশ্চিতের দাবি জানান। কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন—রাজপাড়া থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক জাহিদ হাসান শিশির, যুগ্ম আহ্বায়ক আলমগীর, মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য শরিফুল ইসলাম সোহান, কমিটির সদস্য শাহীন, সজিব, হিমেল, পাপন, পিন্টু, সজল, রশিদ, হারুন, বোয়ালিয়া থানা পশ্চিম স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য মনিরুজ্জামান শান্ত, শাহ মখদুম থানা বিএনপির আহ্বায়ক সুমন সরদার, মহানগর যুবদলের সদস্য টোকেন, স্বেচ্ছাসেবক দলের মনজু রহমানসহ বহু নেতা–কর্মী।কচুয়ায় দুর্বৃত্তদের হামলায় যুবদল কর্মী নিহত

সূত্র জানায়, দীর্ঘদিন ধরে শিহাব নামের একজন ব্যক্তি প্রতিষ্ঠানের আর্থিক হিসাব দিতে গড়িমসি করছিলেন, যার ফলে কর্মচারীদের বেতন ও জরুরি ব্যয়ের ক্ষেত্রে সংকট দেখা দেয়। কয়েক দফা চাপের পরও তিনি হিসাব না দেওয়ায় পার্টনারদের মধ্যে অসন্তোষ দেখা দেয়। এর জেরে গত ৩ নভেম্বর বিকাল সাড়ে ৩টার দিকে শিহাবের নির্দেশে একদল সশস্ত্র ব্যক্তি রাজপাড়া থানাধীন লক্ষীপুর শেরশাহ রোডে অবস্থিত রাজশাহী জেনারেল হাসপাতাল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারের কার্যক্রম বন্ধ করে তালাবদ্ধ করে দেয়। এসময় হামলাকারীরা হাসপাতালের পার্টনার মো. শামীম আহম্মেদ–এর ওপর দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা চালায়। তাঁকে এলোপাতাড়ি মারধর করে গুরুতর জখম করা হয় এবং পরে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অভিযোগে বলা হয়েছে, হামলাকারীরা হাসপাতালের ক্যাশ থেকে প্রায় ২০ লাখ টাকা, কর্মচারী প্রান্তের মানিব্যাগে থাকা ১ লাখ টাকা, স্বর্ণের চেইন ও ১৫ হাজার টাকা লুট করে নিয়ে যায়। এ ঘটনায় ১৪৩/৪৪৮/৩২৩/৩৭৯/৩০৭/৫/৩০ ধারায় মামলা রুজু হয়েছে।

ঘটনার বিষয়ে জানতে চাইলে রাজপাড়া থানার অফিসার–ইন–চার্জ (ওসি) বলেন, মামলার তদন্ত চলছে এবং দোষীদের আইনের আওতায় আনতে পুলিশ কাজ করছে। তিনি জানান, ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে এবং প্রাপ্ত তথ্য–উপাত্তের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতারা বলেন, প্রান্তের ওপর হামলার ঘটনার প্রমাণ স্পষ্ট; তবুও হামলাকারীরা প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে। দ্রুত গ্রেফতার নিশ্চিত না হলে রাজশাহীতে আরও কঠোর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে।