নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
ইউরোপিয়ান ফুটবলে দলবদলের নন্দিত–নিন্দিত ইতিহাসে লুইস ফিগোর নাম আজও আলোচিত। বার্সেলোনা থেকে রিয়াল মাদ্রিদে তার নাটকীয় পরিবর্তনের পর বহু বছর কেটে গেছে। সেই সময়ের মতো আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে এবার আরেকজন—ট্রেন্ট আলেকজান্ডার–আর্নল্ড। জন্মস্থান লিভারপুলেই রিয়াল মাদ্রিদের হয়ে প্রথমবার মাঠে নামলেন তিনি। কিন্তু প্রাক্তন ক্লাবের সমর্থকদের কাছ থেকে পেলেন তীব্র প্রতিক্রিয়া।
গত মৌসুমে ইনজুরিতে পড়েন রিয়ালের রাইট–ব্যাক দানি কারভাহাল। তার দীর্ঘ অনুপস্থিতিতে লস ব্লাঙ্কোসদের ডানপাশে ধারাবাহিক সংকট দেখা দেয়। বয়স ও ইনজুরি মিলিয়ে কারভাহালের বিকল্প খুঁজতে ব্যস্ত হয়ে পড়ে ক্লাবটি। এরপরই শোনা যেতে থাকে নতুন গুঞ্জন—লিভারপুল তারকা ট্রেন্ট আলেকজান্ডার–আর্নল্ডকে বিনামূল্যে দলে নিচ্ছে রিয়াল মাদ্রিদ।
ট্রেন্টের দলবদলের সংবাদ ছড়িয়ে পড়তেই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে লিভারপুল সমর্থক মহল। এমনকি তার বাড়ির কাছের বিখ্যাত মুরালও রেহাই পায়নি। ২০১৯ সালে চ্যাম্পিয়নস লিগ জয়ের স্মরণে আঁকা সেই মুরালে ক’দিন আগে কিছু উচ্ছৃঙ্খল সমর্থক স্প্রে করে লিখে দেয়—“rat” এবং “Adios el rata”। স্পষ্টতই তারা ট্রেন্টের প্রস্থানকে বিশ্বাসঘাতকতা হিসেবেই দেখছে।
ইনজুরি কাটিয়ে ফিরলেও সাম্প্রতিক ম্যাচগুলোতে শুরুর একাদশে ছিলেন না ট্রেন্ট। ধারণা ছিল, এনফিল্ডে লিভারপুল–রিয়াল মাদ্রিদ ম্যাচেও তিনি বেঞ্চেই থাকবেন। কিন্তু ওয়ার্ম–আপের সময়ই পরিস্থিতি বদলে যায়। এনফিল্ডে রিয়ালের রঙে প্রথম পা রাখতেই ট্রেন্টকে প্রবল বু দিয়ে স্বাগত জানান লিভারপুল ভক্তরা।
যে মাঠে ৬৬ নম্বর লাল জার্সিতে একসময় ছিলেন রেডদের রক্ষণভাগের ভরসা, সেই মাঠেই এবার প্রতিপক্ষের খেলোয়াড় হিসেবে বেদনার অভিজ্ঞতা নিয়ে নামতে হলো তাকে।
ম্যাচের ৮১ মিনিটে বদলি হিসেবে নামেন ট্রেন্ট। তখন রিয়াল মাদ্রিদ ১–০ গোলে পিছিয়ে। মাঠে নামার প্রতিটি স্পর্শেই বুকে বাজে বু–এর ঢেউ। ম্যাচের বাকি সময়েও পরিস্থিতির পরিবর্তন হয়নি। ম্যাক অ্যালিস্টারের হেড থেকে আসা একমাত্র গোলেই জয় তুলে নেয় স্বাগতিক লিভারপুল।
চ্যাম্পিয়নস লিগের এই জয় লিভারপুলকে গুরুত্বপূর্ণ তিন পয়েন্ট এনে দেয়। চার ম্যাচে নয় পয়েন্ট নিয়ে তারা অবস্থান করছে পয়েন্ট তালিকার আট নম্বরে। সমান ম্যাচ ও সমান পয়েন্ট থাকলেও গোল ব্যবধানে এগিয়ে রিয়াল মাদ্রিদ আছে সাত নম্বরে। তবে এনফিল্ডে ট্রেন্টের প্রথম উপস্থিতি স্মরণীয় নয়, বরং বিতর্কে ভরা এক দীর্ঘ দিনের সূচনা হয়ে থাকল।ভিনিসিয়াস জুনিয়রের আচরণ ঘিরে রিয়াল মাদ্রিদ ছাড়ার গুঞ্জন
ঘরের মাঠে প্রতিপক্ষের হয়ে নামলেন ট্রেন্ট
নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
ইউরোপিয়ান ফুটবলে দলবদলের নন্দিত–নিন্দিত ইতিহাসে লুইস ফিগোর নাম আজও আলোচিত। বার্সেলোনা থেকে রিয়াল মাদ্রিদে তার নাটকীয় পরিবর্তনের পর বহু বছর কেটে গেছে। সেই সময়ের মতো আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে এবার আরেকজন—ট্রেন্ট আলেকজান্ডার–আর্নল্ড। জন্মস্থান লিভারপুলেই রিয়াল মাদ্রিদের হয়ে প্রথমবার মাঠে নামলেন তিনি। কিন্তু প্রাক্তন ক্লাবের সমর্থকদের কাছ থেকে পেলেন তীব্র প্রতিক্রিয়া।
গত মৌসুমে ইনজুরিতে পড়েন রিয়ালের রাইট–ব্যাক দানি কারভাহাল। তার দীর্ঘ অনুপস্থিতিতে লস ব্লাঙ্কোসদের ডানপাশে ধারাবাহিক সংকট দেখা দেয়। বয়স ও ইনজুরি মিলিয়ে কারভাহালের বিকল্প খুঁজতে ব্যস্ত হয়ে পড়ে ক্লাবটি। এরপরই শোনা যেতে থাকে নতুন গুঞ্জন—লিভারপুল তারকা ট্রেন্ট আলেকজান্ডার–আর্নল্ডকে বিনামূল্যে দলে নিচ্ছে রিয়াল মাদ্রিদ।
ট্রেন্টের দলবদলের সংবাদ ছড়িয়ে পড়তেই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে লিভারপুল সমর্থক মহল। এমনকি তার বাড়ির কাছের বিখ্যাত মুরালও রেহাই পায়নি। ২০১৯ সালে চ্যাম্পিয়নস লিগ জয়ের স্মরণে আঁকা সেই মুরালে ক’দিন আগে কিছু উচ্ছৃঙ্খল সমর্থক স্প্রে করে লিখে দেয়—“rat” এবং “Adios el rata”। স্পষ্টতই তারা ট্রেন্টের প্রস্থানকে বিশ্বাসঘাতকতা হিসেবেই দেখছে।
ইনজুরি কাটিয়ে ফিরলেও সাম্প্রতিক ম্যাচগুলোতে শুরুর একাদশে ছিলেন না ট্রেন্ট। ধারণা ছিল, এনফিল্ডে লিভারপুল–রিয়াল মাদ্রিদ ম্যাচেও তিনি বেঞ্চেই থাকবেন। কিন্তু ওয়ার্ম–আপের সময়ই পরিস্থিতি বদলে যায়। এনফিল্ডে রিয়ালের রঙে প্রথম পা রাখতেই ট্রেন্টকে প্রবল বু দিয়ে স্বাগত জানান লিভারপুল ভক্তরা।
যে মাঠে ৬৬ নম্বর লাল জার্সিতে একসময় ছিলেন রেডদের রক্ষণভাগের ভরসা, সেই মাঠেই এবার প্রতিপক্ষের খেলোয়াড় হিসেবে বেদনার অভিজ্ঞতা নিয়ে নামতে হলো তাকে।
ম্যাচের ৮১ মিনিটে বদলি হিসেবে নামেন ট্রেন্ট। তখন রিয়াল মাদ্রিদ ১–০ গোলে পিছিয়ে। মাঠে নামার প্রতিটি স্পর্শেই বুকে বাজে বু–এর ঢেউ। ম্যাচের বাকি সময়েও পরিস্থিতির পরিবর্তন হয়নি। ম্যাক অ্যালিস্টারের হেড থেকে আসা একমাত্র গোলেই জয় তুলে নেয় স্বাগতিক লিভারপুল।
চ্যাম্পিয়নস লিগের এই জয় লিভারপুলকে গুরুত্বপূর্ণ তিন পয়েন্ট এনে দেয়। চার ম্যাচে নয় পয়েন্ট নিয়ে তারা অবস্থান করছে পয়েন্ট তালিকার আট নম্বরে। সমান ম্যাচ ও সমান পয়েন্ট থাকলেও গোল ব্যবধানে এগিয়ে রিয়াল মাদ্রিদ আছে সাত নম্বরে। তবে এনফিল্ডে ট্রেন্টের প্রথম উপস্থিতি স্মরণীয় নয়, বরং বিতর্কে ভরা এক দীর্ঘ দিনের সূচনা হয়ে থাকল।ভিনিসিয়াস জুনিয়রের আচরণ ঘিরে রিয়াল মাদ্রিদ ছাড়ার গুঞ্জন