ছাতকে নৌ-পুলিশের অভিযানে নৌকাভর্তি ভারতীয় মদ উদ্ধার, গ্রেফতার ১

নিজস্ব প্রতিবেদক, সেলিম মাহবুবঃ

সুনামগঞ্জের ছাতকে নৌ-পুলিশের টহলদলের অভিযানে ভারতীয় বিভিন্ন ব্র্যান্ডের মোট ১২৮ বোতল মদসহ একটি ইঞ্জিনচালিত নৌকা জব্দ করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ থানার শিলাকুড়ি গ্রাম সংলগ্ন কাটাগাং নদীর দক্ষিণ তীর এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পরিচালিত এ অভিযানে নৌ-পুলিশের টহল দল নদীপথে মদের চালান পাচারের চেষ্টা ব্যর্থ করে দেয়।

ছাতক নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পুলিশ পরিদর্শক আনোয়ার হোসেনের নেতৃত্বে একটি টিম কোম্পানীগঞ্জ সীমান্তবর্তী এলাকা দিয়ে নদীপথে সন্দেহজনক ইঞ্জিনচালিত নৌকার গতিবিধি নজরদারি করছিল। টহল দল নৌকাটিকে থামানোর চেষ্টা করলে নৌকায় থাকা ব্যক্তিরা পালানোর চেষ্টা করে। এসময় ধাওয়া করে মো. শামীম মিয়া নামের ২২ বছর বয়সী এক যুবককে আটক করা হয়। তিনি কিশোরগঞ্জ জেলার ইটনা উপজেলার নুরপুর গ্রামের আবুল হোসেনের ছেলে।

পুলিশ জানায়, জব্দ করা মদের মধ্যে রয়েছে ৪৮ বোতল এসি ব্লাক, ৩৯ বোতল ম্যাকডোয়েল এবং ৪১ বোতল অফিসার’স চয়েজ। উদ্ধারকৃত মদের বাজারমূল্য লক্ষাধিক টাকা বলে ধারণা করা হচ্ছে। নৌ-পুলিশের দাবি, সীমান্তবর্তী নদীপথ ব্যবহার করে ভারতীয় মদের অবৈধ চালান ঢুকানোর চেষ্টা অনেক দিন ধরে চলছে এবং সাম্প্রতিক সময়ে এই পথে নজরদারি আরও জোরদার করা হয়েছে।

আরোও পড়ুন – দোয়ারাবাজারে পুলিশের অভিযানে ৬৩ বোতল ভারতীয় মদ উদ্ধার

অভিযানের সময় নৌকাটি জব্দ করে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। আটক শামীম মিয়াকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে তিনি মদের চালান কোথা থেকে এসেছে এবং কারা এর সঙ্গে জড়িত সে সম্পর্কে বিভিন্ন তথ্য দিতে শুরু করেন বলে পুলিশ সূত্রে জানা গেছে। নৌ-পুলিশের কর্মকর্তা আনোয়ার হোসেন জানিয়েছেন, আটক ব্যক্তি ও জব্দ হওয়া মদ নিয়ে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। পাশাপাশি পাচারচক্রের অন্যান্য সহযোগীদের খুঁজে বের করতে তদন্ত শুরু করা হবে।

স্থানীয় এলাকাবাসী নৌ-পুলিশের এ অভিযানকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, সীমান্তবর্তী এই নদীপথ দিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই বিভিন্ন ধরনের অবৈধ পণ্য আনা নেওয়া হয়। নিয়মিত নজরদারির ফলে এসব অপরাধ কার্যক্রম কমবে বলে তাদের আশা। নৌ-পুলিশও জানায়, মাদক ও চোরাচালান রোধে প্রতিদিনই নদীপথে টহল বৃদ্ধি করা হয়েছে এবং ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযানের ধারাবাহিকতা বজায় থাকবে।

ছাতকে নৌ-পুলিশের অভিযানে নৌকাভর্তি ভারতীয় মদ উদ্ধার, গ্রেফতার ১

নভেম্বর ২১, ২০২৫

নিজস্ব প্রতিবেদক, সেলিম মাহবুবঃ

সুনামগঞ্জের ছাতকে নৌ-পুলিশের টহলদলের অভিযানে ভারতীয় বিভিন্ন ব্র্যান্ডের মোট ১২৮ বোতল মদসহ একটি ইঞ্জিনচালিত নৌকা জব্দ করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ থানার শিলাকুড়ি গ্রাম সংলগ্ন কাটাগাং নদীর দক্ষিণ তীর এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পরিচালিত এ অভিযানে নৌ-পুলিশের টহল দল নদীপথে মদের চালান পাচারের চেষ্টা ব্যর্থ করে দেয়।

ছাতক নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পুলিশ পরিদর্শক আনোয়ার হোসেনের নেতৃত্বে একটি টিম কোম্পানীগঞ্জ সীমান্তবর্তী এলাকা দিয়ে নদীপথে সন্দেহজনক ইঞ্জিনচালিত নৌকার গতিবিধি নজরদারি করছিল। টহল দল নৌকাটিকে থামানোর চেষ্টা করলে নৌকায় থাকা ব্যক্তিরা পালানোর চেষ্টা করে। এসময় ধাওয়া করে মো. শামীম মিয়া নামের ২২ বছর বয়সী এক যুবককে আটক করা হয়। তিনি কিশোরগঞ্জ জেলার ইটনা উপজেলার নুরপুর গ্রামের আবুল হোসেনের ছেলে।

পুলিশ জানায়, জব্দ করা মদের মধ্যে রয়েছে ৪৮ বোতল এসি ব্লাক, ৩৯ বোতল ম্যাকডোয়েল এবং ৪১ বোতল অফিসার’স চয়েজ। উদ্ধারকৃত মদের বাজারমূল্য লক্ষাধিক টাকা বলে ধারণা করা হচ্ছে। নৌ-পুলিশের দাবি, সীমান্তবর্তী নদীপথ ব্যবহার করে ভারতীয় মদের অবৈধ চালান ঢুকানোর চেষ্টা অনেক দিন ধরে চলছে এবং সাম্প্রতিক সময়ে এই পথে নজরদারি আরও জোরদার করা হয়েছে।

আরোও পড়ুন – দোয়ারাবাজারে পুলিশের অভিযানে ৬৩ বোতল ভারতীয় মদ উদ্ধার

অভিযানের সময় নৌকাটি জব্দ করে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। আটক শামীম মিয়াকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে তিনি মদের চালান কোথা থেকে এসেছে এবং কারা এর সঙ্গে জড়িত সে সম্পর্কে বিভিন্ন তথ্য দিতে শুরু করেন বলে পুলিশ সূত্রে জানা গেছে। নৌ-পুলিশের কর্মকর্তা আনোয়ার হোসেন জানিয়েছেন, আটক ব্যক্তি ও জব্দ হওয়া মদ নিয়ে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। পাশাপাশি পাচারচক্রের অন্যান্য সহযোগীদের খুঁজে বের করতে তদন্ত শুরু করা হবে।

স্থানীয় এলাকাবাসী নৌ-পুলিশের এ অভিযানকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, সীমান্তবর্তী এই নদীপথ দিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই বিভিন্ন ধরনের অবৈধ পণ্য আনা নেওয়া হয়। নিয়মিত নজরদারির ফলে এসব অপরাধ কার্যক্রম কমবে বলে তাদের আশা। নৌ-পুলিশও জানায়, মাদক ও চোরাচালান রোধে প্রতিদিনই নদীপথে টহল বৃদ্ধি করা হয়েছে এবং ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযানের ধারাবাহিকতা বজায় থাকবে।