মোস্তফা জামাল হায়দারের নেতৃত্বে ঐক্যবদ্ধ ১২ দলীয় জোট, ভবিষ্যৎ আন্দোলনে দৃঢ় অঙ্গীকার

সেলিম মাহবুবঃ

মোস্তফা জামাল হায়দারের নেতৃত্বে ১২ দলীয় জোট ঐক্যবদ্ধ রয়েছে এবং ভবিষ্যতেও সম্মিলিতভাবে রাজনৈতিক আন্দোলন ও কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে জোটের নেতৃবৃন্দ। রাজধানীতে অনুষ্ঠিত এক জরুরি সভায় এ বিষয়ে সর্বসম্মত মত প্রকাশ করা হয়।

মঙ্গলবার ২৩ ডিসেম্বর বিকেল ৩টায় রাজধানীর কালভার্ট রোডের জামান টাওয়ারে অবস্থিত ন্যাশনাল লেবার পার্টির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এই জরুরি সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন জমিয়তে ওলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের মহাসচিব ডক্টর গোলাম মহিউদ্দিন ইকরাম। সভা সঞ্চালনা করেন ন্যাশনাল লেবার পার্টির চেয়ারম্যান লায়ন মোহাম্মদ ফারুক রহমান।

সভায় উপস্থিত নেতৃবৃন্দ জানান, দীর্ঘদিন ধরে ১২ দলীয় জোট দেশের গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার, স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন এবং জনগণের অধিকার আদায়ের প্রশ্নে একযোগে রাজপথে সক্রিয় ছিল। অতীতের মতো ভবিষ্যতেও যেকোনো রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় তারা ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করবে।

নেতারা আরও উল্লেখ করেন, বিভিন্ন আন্দোলন-সংগ্রামের সময় জীবনের ঝুঁকি নিয়ে তারা রাজপথে অবস্থান করেছেন এবং সেই ঐক্যের শক্তিই ১২ দলীয় জোটকে একটি কার্যকর রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্মে পরিণত করেছে। এই ঐক্য অটুট রেখে জোটকে সাংগঠনিকভাবে আরও শক্তিশালী করার বিষয়ে তারা দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।

জরুরি সভায় আসন্ন রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের দেশে প্রত্যাবর্তনকে স্বাগত জানানো হয়। নেতৃবৃন্দ মনে করেন, তার আগমন দেশের রাজনীতিতে একটি নতুন গতি সৃষ্টি করতে পারে এবং গণতান্ত্রিক আন্দোলনে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।

সভায় জানানো হয়, শারীরিক অসুস্থতার কারণে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান মোস্তফা জামাল হায়দার সরাসরি উপস্থিত থাকতে পারেননি। তবে তার নেতৃত্বের প্রতি পূর্ণ আস্থা ও সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেন জোটের নেতারা। তারা বলেন, মোস্তফা জামাল হায়দারের নেতৃত্বেই ১২ দলীয় জোট রাজনৈতিক ঐক্য বজায় রেখে সামনে এগিয়ে যাবে।

সভায় বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতারা তাদের বক্তব্যে জোটের ভবিষ্যৎ করণীয়, সাংগঠনিক কাঠামো শক্তিশালীকরণ এবং সমসাময়িক রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করেন। তারা মনে করেন, বর্তমান সময়ে রাজনৈতিক ঐক্য আরও সুসংহত করা জরুরি।

জরুরি সভায় বক্তব্য রাখেন ন্যাশনাল লেবার পার্টির চেয়ারম্যান লায়ন মোহাম্মদ ফারুক রহমান, বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান শামসুদ্দিন পারভেজ, এলডিপির চেয়ারম্যান এম এ বাসার, ইসলামী ঐক্য জোটের চেয়ারম্যান মাওলানা আব্দুল করিম, বাংলাদেশ ইসলামিক পার্টির মহাসচিব অ্যাডভোকেট আবুল কাশেম, ইউনাইটেড লিবারেল পার্টির চেয়ারম্যান আমিনুল ইসলাম, প্রগতিশীল জাতীয়তাবাদী দলের চেয়ারম্যান ফিরোজ মোহাম্মদ লিটন এবং নয়া গণতান্ত্রিক পার্টির চেয়ারম্যান এম এ মান্নান।

এছাড়াও সভায় উপস্থিত ছিলেন জমিয়তে ওলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের সাংগঠনিক সম্পাদক মুফতি মাওলানা জাকির হোসেন, কল্যাণ পার্টির মহাসচিব আবু হানিফ, ন্যাশনাল লেবার পার্টির দলীয় মুখপাত্র মোহাম্মদ শরিফুল ইসলামসহ বিভিন্ন দলের কেন্দ্রীয় নেতারা।

সভা শেষে নেতৃবৃন্দ জানান, ১২ দলীয় জোট একটি বৃহত্তর রাজনৈতিক ঐক্যের প্রতীক। দেশের গণতন্ত্র, মানবাধিকার ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় এই জোট ভবিষ্যতেও সক্রিয় ভূমিকা রাখবে। তারা আশা প্রকাশ করেন, সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে ইতিবাচক পরিবর্তন আনা সম্ভব হবে।

মোস্তফা জামাল হায়দারের নেতৃত্বে ঐক্যবদ্ধ ১২ দলীয় জোট, ভবিষ্যৎ আন্দোলনে দৃঢ় অঙ্গীকার

ডিসেম্বর ২৪, ২০২৫

সেলিম মাহবুবঃ

মোস্তফা জামাল হায়দারের নেতৃত্বে ১২ দলীয় জোট ঐক্যবদ্ধ রয়েছে এবং ভবিষ্যতেও সম্মিলিতভাবে রাজনৈতিক আন্দোলন ও কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে জোটের নেতৃবৃন্দ। রাজধানীতে অনুষ্ঠিত এক জরুরি সভায় এ বিষয়ে সর্বসম্মত মত প্রকাশ করা হয়।

মঙ্গলবার ২৩ ডিসেম্বর বিকেল ৩টায় রাজধানীর কালভার্ট রোডের জামান টাওয়ারে অবস্থিত ন্যাশনাল লেবার পার্টির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এই জরুরি সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন জমিয়তে ওলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের মহাসচিব ডক্টর গোলাম মহিউদ্দিন ইকরাম। সভা সঞ্চালনা করেন ন্যাশনাল লেবার পার্টির চেয়ারম্যান লায়ন মোহাম্মদ ফারুক রহমান।

সভায় উপস্থিত নেতৃবৃন্দ জানান, দীর্ঘদিন ধরে ১২ দলীয় জোট দেশের গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার, স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন এবং জনগণের অধিকার আদায়ের প্রশ্নে একযোগে রাজপথে সক্রিয় ছিল। অতীতের মতো ভবিষ্যতেও যেকোনো রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় তারা ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করবে।

নেতারা আরও উল্লেখ করেন, বিভিন্ন আন্দোলন-সংগ্রামের সময় জীবনের ঝুঁকি নিয়ে তারা রাজপথে অবস্থান করেছেন এবং সেই ঐক্যের শক্তিই ১২ দলীয় জোটকে একটি কার্যকর রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্মে পরিণত করেছে। এই ঐক্য অটুট রেখে জোটকে সাংগঠনিকভাবে আরও শক্তিশালী করার বিষয়ে তারা দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।

জরুরি সভায় আসন্ন রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের দেশে প্রত্যাবর্তনকে স্বাগত জানানো হয়। নেতৃবৃন্দ মনে করেন, তার আগমন দেশের রাজনীতিতে একটি নতুন গতি সৃষ্টি করতে পারে এবং গণতান্ত্রিক আন্দোলনে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।

সভায় জানানো হয়, শারীরিক অসুস্থতার কারণে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান মোস্তফা জামাল হায়দার সরাসরি উপস্থিত থাকতে পারেননি। তবে তার নেতৃত্বের প্রতি পূর্ণ আস্থা ও সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেন জোটের নেতারা। তারা বলেন, মোস্তফা জামাল হায়দারের নেতৃত্বেই ১২ দলীয় জোট রাজনৈতিক ঐক্য বজায় রেখে সামনে এগিয়ে যাবে।

সভায় বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতারা তাদের বক্তব্যে জোটের ভবিষ্যৎ করণীয়, সাংগঠনিক কাঠামো শক্তিশালীকরণ এবং সমসাময়িক রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করেন। তারা মনে করেন, বর্তমান সময়ে রাজনৈতিক ঐক্য আরও সুসংহত করা জরুরি।

জরুরি সভায় বক্তব্য রাখেন ন্যাশনাল লেবার পার্টির চেয়ারম্যান লায়ন মোহাম্মদ ফারুক রহমান, বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান শামসুদ্দিন পারভেজ, এলডিপির চেয়ারম্যান এম এ বাসার, ইসলামী ঐক্য জোটের চেয়ারম্যান মাওলানা আব্দুল করিম, বাংলাদেশ ইসলামিক পার্টির মহাসচিব অ্যাডভোকেট আবুল কাশেম, ইউনাইটেড লিবারেল পার্টির চেয়ারম্যান আমিনুল ইসলাম, প্রগতিশীল জাতীয়তাবাদী দলের চেয়ারম্যান ফিরোজ মোহাম্মদ লিটন এবং নয়া গণতান্ত্রিক পার্টির চেয়ারম্যান এম এ মান্নান।

এছাড়াও সভায় উপস্থিত ছিলেন জমিয়তে ওলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের সাংগঠনিক সম্পাদক মুফতি মাওলানা জাকির হোসেন, কল্যাণ পার্টির মহাসচিব আবু হানিফ, ন্যাশনাল লেবার পার্টির দলীয় মুখপাত্র মোহাম্মদ শরিফুল ইসলামসহ বিভিন্ন দলের কেন্দ্রীয় নেতারা।

সভা শেষে নেতৃবৃন্দ জানান, ১২ দলীয় জোট একটি বৃহত্তর রাজনৈতিক ঐক্যের প্রতীক। দেশের গণতন্ত্র, মানবাধিকার ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় এই জোট ভবিষ্যতেও সক্রিয় ভূমিকা রাখবে। তারা আশা প্রকাশ করেন, সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে ইতিবাচক পরিবর্তন আনা সম্ভব হবে।