মোঃ মাহফুজুর রহমান,স্টাফ রিপোর্টার, ঠাকুরগাঁওঃ
ঢাকা মহানগর উত্তর স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব আজিজুর রহমান মুসাব্বির হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় দেশব্যাপী রাজনৈতিক অঙ্গনে নিন্দা ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। এই হত্যার প্রতিবাদে এবং জড়িতদের দ্রুত দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে ঠাকুরগাঁও জেলার পীরগঞ্জ উপজেলায় বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার বিকেলে পীরগঞ্জ উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের উদ্যোগে এ কর্মসূচি পালন করা হয়। কর্মসূচিতে স্থানীয় নেতাকর্মীদের পাশাপাশি বিভিন্ন স্তরের রাজনৈতিক কর্মী ও সমর্থকরা অংশ নেন।
বিক্ষোভ মিছিলটি পীরগঞ্জ উপজেলা বিএনপির পার্টি অফিস এলাকা থেকে শুরু হয়ে পূর্ব রাস্তার মোড়সহ পৌর শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে। মিছিল চলাকালে অংশগ্রহণকারীরা হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদ জানিয়ে বিভিন্ন শ্লোগান দেন এবং দ্রুত বিচার নিশ্চিত করার দাবি তোলেন। মিছিল শেষে পৌর শহরের বিএনপি কার্যালয়ের সামনে এক প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে নেতাকর্মীদের উপস্থিতিতে পুরো এলাকা মুখরিত হয়ে ওঠে।
প্রতিবাদ সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন পীরগঞ্জ উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি আব্দুর রশিদ। সমাবেশে বক্তব্য দেন উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক হাসানুল আল বান্না, পৌর শাখার স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব রুবেল হক, জিয়া সাইবার ফোর্স পীরগঞ্জ উপজেলা শাখার আহ্বায়ক মোঃ মাহফুজুর রহমান, সদস্য সচিব মোঃ শরিফ, যুগ্ম আহ্বায়ক নুরুজ্জামান এবং পৌর শাখার স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সদস্য সচিব মোঃ ফজলু। বক্তারা ধারাবাহিকভাবে হত্যাকাণ্ডের তীব্র নিন্দা জানান।
বক্তারা বলেন, আজিজুর রহমান মুসাব্বির একজন সংগঠিত ও সক্রিয় রাজনৈতিক কর্মী ছিলেন। তাকে পরিকল্পিতভাবে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে, যা দেশের গণতান্ত্রিক পরিবেশ ও রাজনৈতিক সহাবস্থানের জন্য মারাত্মক হুমকি। এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে যারা সরাসরি ও পরোক্ষভাবে জড়িত, তাদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। অন্যথায় এর দায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকেই বহন করতে হবে বলে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করা হয়।
সমাবেশে আরও বলা হয়, রাজনৈতিক প্রতিহিংসার মাধ্যমে একের পর এক নেতাকর্মী হত্যার ঘটনা দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে। এ ধরনের সহিংসতা বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ না করা হলে আন্দোলন আরও জোরদার করা হবে। বক্তারা শান্তিপূর্ণ রাজনৈতিক পরিবেশ নিশ্চিত করতে অবিলম্বে সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার প্রক্রিয়া শুরুর দাবি জানান।
কর্মসূচি চলাকালে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন থাকলেও বিক্ষোভ ও সমাবেশ শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়। অংশগ্রহণকারীরা নিহত নেতার প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে তার আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা প্রকাশ করেন।
আজিজুর রহমান মুসাব্বির হত্যাকাণ্ড: পীরগঞ্জে স্বেচ্ছাসেবক দলের বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ সমাবেশ
মোঃ মাহফুজুর রহমান,স্টাফ রিপোর্টার, ঠাকুরগাঁওঃ
ঢাকা মহানগর উত্তর স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব আজিজুর রহমান মুসাব্বির হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় দেশব্যাপী রাজনৈতিক অঙ্গনে নিন্দা ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। এই হত্যার প্রতিবাদে এবং জড়িতদের দ্রুত দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে ঠাকুরগাঁও জেলার পীরগঞ্জ উপজেলায় বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার বিকেলে পীরগঞ্জ উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের উদ্যোগে এ কর্মসূচি পালন করা হয়। কর্মসূচিতে স্থানীয় নেতাকর্মীদের পাশাপাশি বিভিন্ন স্তরের রাজনৈতিক কর্মী ও সমর্থকরা অংশ নেন।
বিক্ষোভ মিছিলটি পীরগঞ্জ উপজেলা বিএনপির পার্টি অফিস এলাকা থেকে শুরু হয়ে পূর্ব রাস্তার মোড়সহ পৌর শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে। মিছিল চলাকালে অংশগ্রহণকারীরা হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদ জানিয়ে বিভিন্ন শ্লোগান দেন এবং দ্রুত বিচার নিশ্চিত করার দাবি তোলেন। মিছিল শেষে পৌর শহরের বিএনপি কার্যালয়ের সামনে এক প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে নেতাকর্মীদের উপস্থিতিতে পুরো এলাকা মুখরিত হয়ে ওঠে।
প্রতিবাদ সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন পীরগঞ্জ উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি আব্দুর রশিদ। সমাবেশে বক্তব্য দেন উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক হাসানুল আল বান্না, পৌর শাখার স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব রুবেল হক, জিয়া সাইবার ফোর্স পীরগঞ্জ উপজেলা শাখার আহ্বায়ক মোঃ মাহফুজুর রহমান, সদস্য সচিব মোঃ শরিফ, যুগ্ম আহ্বায়ক নুরুজ্জামান এবং পৌর শাখার স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সদস্য সচিব মোঃ ফজলু। বক্তারা ধারাবাহিকভাবে হত্যাকাণ্ডের তীব্র নিন্দা জানান।
বক্তারা বলেন, আজিজুর রহমান মুসাব্বির একজন সংগঠিত ও সক্রিয় রাজনৈতিক কর্মী ছিলেন। তাকে পরিকল্পিতভাবে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে, যা দেশের গণতান্ত্রিক পরিবেশ ও রাজনৈতিক সহাবস্থানের জন্য মারাত্মক হুমকি। এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে যারা সরাসরি ও পরোক্ষভাবে জড়িত, তাদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। অন্যথায় এর দায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকেই বহন করতে হবে বলে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করা হয়।
সমাবেশে আরও বলা হয়, রাজনৈতিক প্রতিহিংসার মাধ্যমে একের পর এক নেতাকর্মী হত্যার ঘটনা দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে। এ ধরনের সহিংসতা বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ না করা হলে আন্দোলন আরও জোরদার করা হবে। বক্তারা শান্তিপূর্ণ রাজনৈতিক পরিবেশ নিশ্চিত করতে অবিলম্বে সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার প্রক্রিয়া শুরুর দাবি জানান।
কর্মসূচি চলাকালে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন থাকলেও বিক্ষোভ ও সমাবেশ শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়। অংশগ্রহণকারীরা নিহত নেতার প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে তার আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা প্রকাশ করেন।