মো: জিসান রহমান, মাভাবিপ্রবি প্রতিনিধিঃ
মাভাবিপ্রবি নথি বিকৃতি নিয়ে তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে। গুরুতর এই মাভাবিপ্রবি নথি বিকৃতি অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন বর্তমান প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো. ইমাম হোসেন।
মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (মাভাবিপ্রবি)-এ মাভাবিপ্রবি নথি বিকৃতি নিয়ে গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা প্রক্টর অপসারণে আলটিমেটাম ঘোষণা করেছেন।
শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, আওয়ামীপন্থী হিসেবে পরিচিত কিছু শিক্ষককে পুনর্বাসনের লক্ষ্যে প্রশাসন পরিকল্পিতভাবে ‘সেইফ এক্সিট’ নিশ্চিত করেছে। আন্দোলনের বিরোধিতাকারী সাবেক সহকারী প্রক্টর সহকারী অধ্যাপক শাকিল মাহমুদ শাওনসহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও তাদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।
বরং অভিযুক্তদের দেশের বাইরে পাঠিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে, যার সঙ্গে প্রক্টরের সরাসরি সংশ্লিষ্টতা রয়েছে বলে দাবি শিক্ষার্থীদের। এই পুরো ঘটনায় মাভাবিপ্রবি নথি বিকৃতি বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় আসে।
ঘটনার প্রেক্ষাপটে গত ২৪ সেপ্টেম্বর শিক্ষার্থীদের চাপে তৎকালীন রেজিস্ট্রার ড. মোহা. তৌহিদুল ইসলামকে সাময়িক অব্যাহতি দেওয়া হয়। আইসিটি বিভাগের অধ্যাপক ড. সাজ্জাদ ওয়াহিদকে অস্থায়ীভাবে দায়িত্ব দেওয়া হয়।
তবে মাভাবিপ্রবি নথি বিকৃতি অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে থাকা প্রক্টরের ভূমিকা স্পষ্ট হয় গত ৮ মার্চ। সেদিনই তার পদত্যাগের দাবি ওঠে।
শিক্ষার্থীদের দাবি, প্রক্টর একই অভিযোগপত্রের দুটি কপি পাঠান—একটি অবিকৃত এবং অন্যটি বিকৃত। বিকৃত কপিতে অভিযুক্ত শিক্ষকের তথ্য আড়াল করা হয়।
স্ট্যাপলার দিয়ে অংশ ঢেকে ফটোকপি করার মাধ্যমে বিষয়টি গোপন রাখার চেষ্টা করা হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়। এর ফলে রিজেন্ট বোর্ডে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা হয়নি। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে মাভাবিপ্রবি নথি বিকৃতি আরও গুরুতর আকার ধারণ করে।
নথি বিকৃতির প্রমাণ উপস্থাপনের পর প্রক্টর সংশ্লিষ্টতার কথা স্বীকার করলেও দাবি করেন, একটি কপি ‘ফর্মালি’ এবং অন্যটি ‘ইনফর্মালি’ ফরওয়ার্ড করা হয়েছিল।
তবে শিক্ষার্থীরা প্রশ্ন তুলেছেন—ফর্মাল নথি উপস্থাপন না হলেও ইনফর্মাল কপি কীভাবে গৃহীত হলো। এতে আবারও মাভাবিপ্রবি নথি বিকৃতি নিয়ে সন্দেহ ঘনীভূত হয়েছে।
শিক্ষার্থীরা আগামী ৪ এপ্রিল ২০২৬-এর মধ্যে প্রক্টর অপসারণ এবং সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার আলটিমেটাম দিয়েছেন।
নির্ধারিত সময়ের মধ্যে দাবি পূরণ না হলে কঠোর কর্মসূচির হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে। মাভাবিপ্রবি নথি বিকৃতি ইস্যুতে ক্যাম্পাসে উত্তেজনা বিরাজ করছে।
অভিযোগ-সংশ্লিষ্ট নথি সংগ্রহে সহায়তার অভিযোগে ছাত্রদলের সহ-সভাপতি জামিলকে উপাচার্য জিজ্ঞাসাবাদ করেছেন এবং তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার হুমকি দেওয়া হয়েছে।
বর্তমানে মাভাবিপ্রবি নথি বিকৃতি ইস্যুতে পুরো বিশ্ববিদ্যালয়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
আরোও পড়ুন – মাভাবিপ্রবিতে উপ-পরিচালকের অনিয়ম: ছুটি ছাড়াই দীর্ঘমেয়াদে অনুপস্থিতির অভিযোগ
মাভাবিপ্রবি নথি বিকৃতি: প্রক্টর অপসারণে আলটিমেটাম
মো: জিসান রহমান, মাভাবিপ্রবি প্রতিনিধিঃ
মাভাবিপ্রবি নথি বিকৃতি নিয়ে তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে। গুরুতর এই মাভাবিপ্রবি নথি বিকৃতি অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন বর্তমান প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো. ইমাম হোসেন।
মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (মাভাবিপ্রবি)-এ মাভাবিপ্রবি নথি বিকৃতি নিয়ে গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা প্রক্টর অপসারণে আলটিমেটাম ঘোষণা করেছেন।
শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, আওয়ামীপন্থী হিসেবে পরিচিত কিছু শিক্ষককে পুনর্বাসনের লক্ষ্যে প্রশাসন পরিকল্পিতভাবে ‘সেইফ এক্সিট’ নিশ্চিত করেছে। আন্দোলনের বিরোধিতাকারী সাবেক সহকারী প্রক্টর সহকারী অধ্যাপক শাকিল মাহমুদ শাওনসহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও তাদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।
বরং অভিযুক্তদের দেশের বাইরে পাঠিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে, যার সঙ্গে প্রক্টরের সরাসরি সংশ্লিষ্টতা রয়েছে বলে দাবি শিক্ষার্থীদের। এই পুরো ঘটনায় মাভাবিপ্রবি নথি বিকৃতি বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় আসে।
ঘটনার প্রেক্ষাপটে গত ২৪ সেপ্টেম্বর শিক্ষার্থীদের চাপে তৎকালীন রেজিস্ট্রার ড. মোহা. তৌহিদুল ইসলামকে সাময়িক অব্যাহতি দেওয়া হয়। আইসিটি বিভাগের অধ্যাপক ড. সাজ্জাদ ওয়াহিদকে অস্থায়ীভাবে দায়িত্ব দেওয়া হয়।
তবে মাভাবিপ্রবি নথি বিকৃতি অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে থাকা প্রক্টরের ভূমিকা স্পষ্ট হয় গত ৮ মার্চ। সেদিনই তার পদত্যাগের দাবি ওঠে।
শিক্ষার্থীদের দাবি, প্রক্টর একই অভিযোগপত্রের দুটি কপি পাঠান—একটি অবিকৃত এবং অন্যটি বিকৃত। বিকৃত কপিতে অভিযুক্ত শিক্ষকের তথ্য আড়াল করা হয়।
স্ট্যাপলার দিয়ে অংশ ঢেকে ফটোকপি করার মাধ্যমে বিষয়টি গোপন রাখার চেষ্টা করা হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়। এর ফলে রিজেন্ট বোর্ডে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা হয়নি। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে মাভাবিপ্রবি নথি বিকৃতি আরও গুরুতর আকার ধারণ করে।
নথি বিকৃতির প্রমাণ উপস্থাপনের পর প্রক্টর সংশ্লিষ্টতার কথা স্বীকার করলেও দাবি করেন, একটি কপি ‘ফর্মালি’ এবং অন্যটি ‘ইনফর্মালি’ ফরওয়ার্ড করা হয়েছিল।
তবে শিক্ষার্থীরা প্রশ্ন তুলেছেন—ফর্মাল নথি উপস্থাপন না হলেও ইনফর্মাল কপি কীভাবে গৃহীত হলো। এতে আবারও মাভাবিপ্রবি নথি বিকৃতি নিয়ে সন্দেহ ঘনীভূত হয়েছে।
শিক্ষার্থীরা আগামী ৪ এপ্রিল ২০২৬-এর মধ্যে প্রক্টর অপসারণ এবং সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার আলটিমেটাম দিয়েছেন।
নির্ধারিত সময়ের মধ্যে দাবি পূরণ না হলে কঠোর কর্মসূচির হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে। মাভাবিপ্রবি নথি বিকৃতি ইস্যুতে ক্যাম্পাসে উত্তেজনা বিরাজ করছে।
অভিযোগ-সংশ্লিষ্ট নথি সংগ্রহে সহায়তার অভিযোগে ছাত্রদলের সহ-সভাপতি জামিলকে উপাচার্য জিজ্ঞাসাবাদ করেছেন এবং তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার হুমকি দেওয়া হয়েছে।
বর্তমানে মাভাবিপ্রবি নথি বিকৃতি ইস্যুতে পুরো বিশ্ববিদ্যালয়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
আরোও পড়ুন – মাভাবিপ্রবিতে উপ-পরিচালকের অনিয়ম: ছুটি ছাড়াই দীর্ঘমেয়াদে অনুপস্থিতির অভিযোগ