মাভাবিপ্রবিতে উপ-পরিচালকের অনিয়ম: ছুটি ছাড়াই দীর্ঘমেয়াদে অনুপস্থিতির অভিযোগ

মো: জিসান রহমান, মাভাবিপ্রবি প্রতিনিধিঃ

মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (মাভাবিপ্রবি) হিসাব অফিসে দায়িত্বে থাকা উপ-পরিচালক মো. নাজিরুল হককে নিয়ে নতুন করে অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক বিভিন্ন সূত্রের দাবি, তিনি ছুটি ছাড়া দীর্ঘসময় ধরে নিয়মিত অফিস না করে অনুপস্থিত থাকছেন। প্রায় ছয় থেকে সাত মাস ধরে তার এ ধরনের আচরণ হিসাব শাখার স্বাভাবিক কার্যক্রমে উল্লেখযোগ্যভাবে প্রভাব ফেলছে।

হিসাব বিভাগে দায়িত্বপ্রাপ্ত একজন শীর্ষ প্রশাসনিক কর্মকর্তার দায়িত্বহীনতা বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক কার্যক্রমে অচলাবস্থা তৈরি করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রতিদিনের নথিপত্র যাচাই করতে গিয়ে দেখা যায়, তার কক্ষে বিভিন্ন ফাইল দিনকে দিন জমে পাহাড় হয়ে উঠছে। একসময় যেসব নথি স্বল্প সময়ের মধ্যে নিষ্পত্তি হওয়ার কথা, তা দীর্ঘদিন অনিষ্পন্ন অবস্থায় পড়ে থাকায় সংশ্লিষ্ট কর্মীরা অতিরিক্ত চাপের মুখে পড়ছেন। দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তার অনুপস্থিতিতে অভ্যন্তরীণ প্রশাসনিক কার্যক্রম বিঘ্নিত হওয়ার পাশাপাশি আর্থিক কার্যক্রমও জটিলতার মুখে পড়ছে।

হিসাব শাখার পরিচালক জানিয়েছিলেন যে, উপ-পরিচালকের অনিয়ম এবং নিয়মিত অনুপস্থিতি নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে একাধিক অভিযোগ পৌঁছেছে। এসব অভিযোগ প্রশাসনের নজরেও এসেছে এবং শৃঙ্খলা ভঙ্গের বিষয়টি যাচাই-বাছাই করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে রেজিস্ট্রার কার্যালয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে চিঠিও পাঠানো হয়েছে। এর আগেও নাজিরুল হককে দায়িত্ব পালনে অনিয়মের কারণে সতর্ক করা হয়েছিল, তবে পরিস্থিতির উন্নতি হয়নি।

আরোও পড়ুন – সেশনজট নিরসনের দাবিতে আমরণ অনশনে মাভাবিপ্রবি ভেটেরিনারি শিক্ষার্থীরা

অন্যদিকে উপ-পরিচালকের উপস্থিতি নিশ্চিত করতে হিসাব অফিসে একাধিকবার তাকে খোঁজা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। এমনকি ফোনে যোগাযোগের সময় তিনি নিজের পরিচয় এড়িয়ে অন্য নামে কথা বলার চেষ্টা করেন এবং পরে ফোন বন্ধ করে দেন বলে অভিযোগ রয়েছে। দায়িত্বে থাকা একজন কর্মকর্তার এই আচরণ মাভাবিপ্রবির স্বচ্ছ ও নিয়মতান্ত্রিক প্রশাসনিক ব্যবস্থার সঙ্গে সাংঘর্ষিক বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা।

বিশ্ববিদ্যালয় সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, আর্থিক নথি, অনুমোদন, হিসাব নিরীক্ষা ও দৈনন্দিন প্রশাসনিক কাজ বাধাগ্রস্ত হওয়ায় দ্রুত এ বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় শৃঙ্খলামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা প্রয়োজন। নাজিরুল হকের অনুপস্থিতি যে শুধু বিশৃঙ্খলা তৈরি করছে তাই নয়, বরং সামগ্রিক একাডেমিক ও প্রশাসনিক পরিবেশকেও ক্ষতিগ্রস্ত করছে বলে মনে করা হচ্ছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের আর্থিক খাতের মতো গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তার ধীরগতি ও অনুপস্থিতি মাভাবিপ্রবির সামগ্রিক ভাবমূর্তিতেও নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।

মাভাবিপ্রবিতে উপ-পরিচালকের অনিয়ম: ছুটি ছাড়াই দীর্ঘমেয়াদে অনুপস্থিতির অভিযোগ

নভেম্বর ২৪, ২০২৫

মো: জিসান রহমান, মাভাবিপ্রবি প্রতিনিধিঃ

মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (মাভাবিপ্রবি) হিসাব অফিসে দায়িত্বে থাকা উপ-পরিচালক মো. নাজিরুল হককে নিয়ে নতুন করে অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক বিভিন্ন সূত্রের দাবি, তিনি ছুটি ছাড়া দীর্ঘসময় ধরে নিয়মিত অফিস না করে অনুপস্থিত থাকছেন। প্রায় ছয় থেকে সাত মাস ধরে তার এ ধরনের আচরণ হিসাব শাখার স্বাভাবিক কার্যক্রমে উল্লেখযোগ্যভাবে প্রভাব ফেলছে।

হিসাব বিভাগে দায়িত্বপ্রাপ্ত একজন শীর্ষ প্রশাসনিক কর্মকর্তার দায়িত্বহীনতা বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক কার্যক্রমে অচলাবস্থা তৈরি করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রতিদিনের নথিপত্র যাচাই করতে গিয়ে দেখা যায়, তার কক্ষে বিভিন্ন ফাইল দিনকে দিন জমে পাহাড় হয়ে উঠছে। একসময় যেসব নথি স্বল্প সময়ের মধ্যে নিষ্পত্তি হওয়ার কথা, তা দীর্ঘদিন অনিষ্পন্ন অবস্থায় পড়ে থাকায় সংশ্লিষ্ট কর্মীরা অতিরিক্ত চাপের মুখে পড়ছেন। দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তার অনুপস্থিতিতে অভ্যন্তরীণ প্রশাসনিক কার্যক্রম বিঘ্নিত হওয়ার পাশাপাশি আর্থিক কার্যক্রমও জটিলতার মুখে পড়ছে।

হিসাব শাখার পরিচালক জানিয়েছিলেন যে, উপ-পরিচালকের অনিয়ম এবং নিয়মিত অনুপস্থিতি নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে একাধিক অভিযোগ পৌঁছেছে। এসব অভিযোগ প্রশাসনের নজরেও এসেছে এবং শৃঙ্খলা ভঙ্গের বিষয়টি যাচাই-বাছাই করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে রেজিস্ট্রার কার্যালয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে চিঠিও পাঠানো হয়েছে। এর আগেও নাজিরুল হককে দায়িত্ব পালনে অনিয়মের কারণে সতর্ক করা হয়েছিল, তবে পরিস্থিতির উন্নতি হয়নি।

আরোও পড়ুন – সেশনজট নিরসনের দাবিতে আমরণ অনশনে মাভাবিপ্রবি ভেটেরিনারি শিক্ষার্থীরা

অন্যদিকে উপ-পরিচালকের উপস্থিতি নিশ্চিত করতে হিসাব অফিসে একাধিকবার তাকে খোঁজা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। এমনকি ফোনে যোগাযোগের সময় তিনি নিজের পরিচয় এড়িয়ে অন্য নামে কথা বলার চেষ্টা করেন এবং পরে ফোন বন্ধ করে দেন বলে অভিযোগ রয়েছে। দায়িত্বে থাকা একজন কর্মকর্তার এই আচরণ মাভাবিপ্রবির স্বচ্ছ ও নিয়মতান্ত্রিক প্রশাসনিক ব্যবস্থার সঙ্গে সাংঘর্ষিক বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা।

বিশ্ববিদ্যালয় সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, আর্থিক নথি, অনুমোদন, হিসাব নিরীক্ষা ও দৈনন্দিন প্রশাসনিক কাজ বাধাগ্রস্ত হওয়ায় দ্রুত এ বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় শৃঙ্খলামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা প্রয়োজন। নাজিরুল হকের অনুপস্থিতি যে শুধু বিশৃঙ্খলা তৈরি করছে তাই নয়, বরং সামগ্রিক একাডেমিক ও প্রশাসনিক পরিবেশকেও ক্ষতিগ্রস্ত করছে বলে মনে করা হচ্ছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের আর্থিক খাতের মতো গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তার ধীরগতি ও অনুপস্থিতি মাভাবিপ্রবির সামগ্রিক ভাবমূর্তিতেও নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।