টেকনাফ স্থলবন্দর উদ্বোধন করলেন প্রতিমন্ত্রী রাজীব আহসান

কাউছার উদ্দিন হৃদয়, কক্সবাজার প্রতিনিধিঃ

দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে দেশের দক্ষিণাঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক অবকাঠামো টেকনাফ স্থলবন্দর আনুষ্ঠানিকভাবে চালু করা হয়েছে।
সোমবার (৬ এপ্রিল) নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মোঃ রাজীব আহসান, এমপি এই টেকনাফ স্থলবন্দর-এর কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন। এর মাধ্যমে সীমান্ত বাণিজ্যের নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে স্থানীয় প্রশাসন, বন্দর কর্তৃপক্ষ এবং ব্যবসায়ী নেতারা উপস্থিত থেকে এই উদ্যোগকে স্বাগত জানান।

উদ্বোধনী বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী রাজীব আহসান বলেন, দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে টেকনাফ স্থলবন্দর একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তিনি জানান, এই বন্দরের মাধ্যমে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে বাংলাদেশের অবস্থান শক্তিশালী হবে। এছাড়া সীমান্তবর্তী অঞ্চলে ব্যবসায়িক কার্যক্রম বৃদ্ধি পাওয়ায় স্থানীয় জনগণের জন্য নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে, যা দেশের সার্বিক অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।

তিনি আরও বলেন, আধুনিক সুযোগ-সুবিধা সংবলিত টেকনাফ স্থলবন্দর চালুর ফলে সীমান্ত বাণিজ্য আরও সহজ ও কার্যকর হবে। এতে পণ্য পরিবহন দ্রুততর হবে এবং ব্যবসায়ীরা কম সময় ও খরচে পণ্য আমদানি-রপ্তানি করতে পারবেন। ফলে দেশের রাজস্ব আয় বৃদ্ধির পাশাপাশি বৈদেশিক বাণিজ্য খাত আরও সম্প্রসারিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, পরিকল্পিত উন্নয়ন ও আধুনিক অবকাঠামোর মাধ্যমে টেকনাফ স্থলবন্দর ভবিষ্যতে দেশের একটি প্রধান বাণিজ্যিক কেন্দ্র হিসেবে গড়ে উঠতে পারে। তারা আশা প্রকাশ করেন, এই বন্দর ঘিরে নতুন শিল্প ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠবে, যা স্থানীয় অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী করবে এবং জাতীয় উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে।

আরোও পড়ুন – ছাত্রলীগের দারা ছাত্রদল নেতাকর্মীদের উপর হামলা: সেন্টমার্টিনে উত্তেজনা

টেকনাফ স্থলবন্দর উদ্বোধন করলেন প্রতিমন্ত্রী রাজীব আহসান

এপ্রিল ৬, ২০২৬

কাউছার উদ্দিন হৃদয়, কক্সবাজার প্রতিনিধিঃ

দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে দেশের দক্ষিণাঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক অবকাঠামো টেকনাফ স্থলবন্দর আনুষ্ঠানিকভাবে চালু করা হয়েছে।
সোমবার (৬ এপ্রিল) নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মোঃ রাজীব আহসান, এমপি এই টেকনাফ স্থলবন্দর-এর কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন। এর মাধ্যমে সীমান্ত বাণিজ্যের নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে স্থানীয় প্রশাসন, বন্দর কর্তৃপক্ষ এবং ব্যবসায়ী নেতারা উপস্থিত থেকে এই উদ্যোগকে স্বাগত জানান।

উদ্বোধনী বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী রাজীব আহসান বলেন, দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে টেকনাফ স্থলবন্দর একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তিনি জানান, এই বন্দরের মাধ্যমে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে বাংলাদেশের অবস্থান শক্তিশালী হবে। এছাড়া সীমান্তবর্তী অঞ্চলে ব্যবসায়িক কার্যক্রম বৃদ্ধি পাওয়ায় স্থানীয় জনগণের জন্য নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে, যা দেশের সার্বিক অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।

তিনি আরও বলেন, আধুনিক সুযোগ-সুবিধা সংবলিত টেকনাফ স্থলবন্দর চালুর ফলে সীমান্ত বাণিজ্য আরও সহজ ও কার্যকর হবে। এতে পণ্য পরিবহন দ্রুততর হবে এবং ব্যবসায়ীরা কম সময় ও খরচে পণ্য আমদানি-রপ্তানি করতে পারবেন। ফলে দেশের রাজস্ব আয় বৃদ্ধির পাশাপাশি বৈদেশিক বাণিজ্য খাত আরও সম্প্রসারিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, পরিকল্পিত উন্নয়ন ও আধুনিক অবকাঠামোর মাধ্যমে টেকনাফ স্থলবন্দর ভবিষ্যতে দেশের একটি প্রধান বাণিজ্যিক কেন্দ্র হিসেবে গড়ে উঠতে পারে। তারা আশা প্রকাশ করেন, এই বন্দর ঘিরে নতুন শিল্প ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠবে, যা স্থানীয় অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী করবে এবং জাতীয় উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে।

আরোও পড়ুন – ছাত্রলীগের দারা ছাত্রদল নেতাকর্মীদের উপর হামলা: সেন্টমার্টিনে উত্তেজনা