কুড়িগ্রাম জেলা প্রতিনিধি
কুড়িগ্রাম জেলার নাগেশ্বরী উপজেলার রায়গঞ্জ ইউনিয়নে দীর্ঘদিন ধরে সন্ত্রাস, মাদক ব্যবসা ও বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে অবশেষে রনিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এই রনিকে গ্রেফতার করার ঘটনায় এলাকায় স্বস্তির পরিবেশ ফিরে এসেছে। স্থানীয়রা বলছেন, তার কারণে দীর্ঘদিন ধরে তারা আতঙ্কের মধ্যে ছিলেন এবং স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হচ্ছিল।
সোমবার (১৩ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে নাগেশ্বরী থানা পুলিশ জুলেখা পাম্প এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে সন্দেহভাজন হিসেবে তাকে আটক করা হয় এবং পরে আনুষ্ঠানিকভাবে রনিকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে নিশ্চিত করা হয়। রনিকে গ্রেফতার করার খবর দ্রুত ছড়িয়ে পড়লে এলাকাজুড়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, রনির বিরুদ্ধে নাগেশ্বরী ও ভুরুঙ্গামারী থানায় একাধিক মামলা বিচারাধীন রয়েছে। এসব মামলার মধ্যে রয়েছে মাদক ব্যবসা, চাঁদাবাজি, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড এবং নারী নির্যাতনের অভিযোগ। দীর্ঘদিন ধরে নজরদারির পর পরিকল্পিত অভিযানের মাধ্যমে রনিকে গ্রেফতার করা সম্ভব হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, তিনি একটি সংঘবদ্ধ ইয়াবা চক্র পরিচালনা করতেন এবং তরুণ সমাজকে মাদকের দিকে ঠেলে দিচ্ছিলেন। পাশাপাশি নারী ও কিশোরীদের প্রলোভন দেখিয়ে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে ফেলার অভিযোগ রয়েছে। তবে রনিকে গ্রেফতার করার পর এসব কর্মকাণ্ডে ভাটা পড়বে বলে আশা করছেন তারা।
নাগেশ্বরী থানা পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেফতারের পর তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে এবং তার সহযোগীদের শনাক্তে কাজ চলছে। তদন্তের অগ্রগতির ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পুলিশ আরও জানায়, অপরাধ দমনে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
এই রনিকে গ্রেফতার ঘটনার পর রায়গঞ্জ ইউনিয়নের সাধারণ মানুষের মধ্যে নতুন করে স্বস্তি ফিরে এসেছে। অনেকেই মনে করছেন, এর ফলে এলাকায় আইনের শাসন আরও জোরদার হবে এবং অপরাধ প্রবণতা কমে আসবে।
আরোও পড়ুন – কুড়িগ্রামের বড়ভিটা ইউনিয়নে আলোচিত সমাজকর্মী গোলাম রব্বানী সরকার
নাগেশ্বরীতে রনিকে গ্রেফতার: মাদক ও নারী পাচার চক্রে জড়িত অভিযোগ
কুড়িগ্রাম জেলা প্রতিনিধি
কুড়িগ্রাম জেলার নাগেশ্বরী উপজেলার রায়গঞ্জ ইউনিয়নে দীর্ঘদিন ধরে সন্ত্রাস, মাদক ব্যবসা ও বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে অবশেষে রনিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এই রনিকে গ্রেফতার করার ঘটনায় এলাকায় স্বস্তির পরিবেশ ফিরে এসেছে। স্থানীয়রা বলছেন, তার কারণে দীর্ঘদিন ধরে তারা আতঙ্কের মধ্যে ছিলেন এবং স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হচ্ছিল।
সোমবার (১৩ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে নাগেশ্বরী থানা পুলিশ জুলেখা পাম্প এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে সন্দেহভাজন হিসেবে তাকে আটক করা হয় এবং পরে আনুষ্ঠানিকভাবে রনিকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে নিশ্চিত করা হয়। রনিকে গ্রেফতার করার খবর দ্রুত ছড়িয়ে পড়লে এলাকাজুড়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, রনির বিরুদ্ধে নাগেশ্বরী ও ভুরুঙ্গামারী থানায় একাধিক মামলা বিচারাধীন রয়েছে। এসব মামলার মধ্যে রয়েছে মাদক ব্যবসা, চাঁদাবাজি, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড এবং নারী নির্যাতনের অভিযোগ। দীর্ঘদিন ধরে নজরদারির পর পরিকল্পিত অভিযানের মাধ্যমে রনিকে গ্রেফতার করা সম্ভব হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, তিনি একটি সংঘবদ্ধ ইয়াবা চক্র পরিচালনা করতেন এবং তরুণ সমাজকে মাদকের দিকে ঠেলে দিচ্ছিলেন। পাশাপাশি নারী ও কিশোরীদের প্রলোভন দেখিয়ে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে ফেলার অভিযোগ রয়েছে। তবে রনিকে গ্রেফতার করার পর এসব কর্মকাণ্ডে ভাটা পড়বে বলে আশা করছেন তারা।
নাগেশ্বরী থানা পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেফতারের পর তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে এবং তার সহযোগীদের শনাক্তে কাজ চলছে। তদন্তের অগ্রগতির ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পুলিশ আরও জানায়, অপরাধ দমনে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
এই রনিকে গ্রেফতার ঘটনার পর রায়গঞ্জ ইউনিয়নের সাধারণ মানুষের মধ্যে নতুন করে স্বস্তি ফিরে এসেছে। অনেকেই মনে করছেন, এর ফলে এলাকায় আইনের শাসন আরও জোরদার হবে এবং অপরাধ প্রবণতা কমে আসবে।
আরোও পড়ুন – কুড়িগ্রামের বড়ভিটা ইউনিয়নে আলোচিত সমাজকর্মী গোলাম রব্বানী সরকার