হামিদুর রহমান সবুজ, নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধিঃ
নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় ঝুট নামানোকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের ঘটনায় দায়ের হওয়া একটি মামলায় নিজের নাম অন্তর্ভুক্ত হওয়ায় বিস্ময় প্রকাশ করেছেন জেলা যুবদলের সদস্য সচিব মশিউর রহমান রনি। তিনি দাবি করেন, ঘটনার সময় তিনি সম্পূর্ণভাবে ঘুমিয়ে ছিলেন এবং ঘটনাস্থলের সঙ্গে তার কোনো ধরনের সম্পৃক্ততা ছিল না। মামলায় নাম আসাকে তিনি উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে অভিহিত করেন। স্থানীয় পর্যায়ে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে এবং “ফতুল্লা মামলা” এখন রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে।
ঘটনাটি ঘটে ফতুল্লা এলাকায় ঝুট নামানোকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের মাধ্যমে। পরবর্তীতে এনায়েত নগর ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মো. হোসেন খোকার দায়ের করা মামলায় একাধিক ব্যক্তির নাম উল্লেখ করা হয়। মামলায় মোট ১০-১২ জনের নামসহ আরও ২০-২৫ জন অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছে। এ ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে এবং স্থানীয় রাজনৈতিক পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে। “ফতুল্লা মামলা”কে ঘিরে নানা প্রশ্নও উঠছে।
মামলার তালিকায় থাকা অন্যান্যদের মধ্যে রয়েছেন সারজিল আহম্মেদ অভি, আব্দুল হামিদ প্রধান, আব্দুস সালাম, আকাশ, সুমন মোল্লা রকেট, খায়রুল কবির জসিম, ইয়াসিন, আলী রতন, মুরাদ হাসান, আদনান আজিজ প্রাপ্ত ও পল্লবসহ আরও অনেকে। সংঘর্ষের ঘটনায় একজন গুলিবিদ্ধ হওয়ার অভিযোগও রয়েছে। তবে মশিউর রহমান রনি দাবি করেন, তিনি ঘটনাস্থলে ছিলেন না এবং পরে বিষয়টি জানতে পেরে পুলিশের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। তিনি মনে করেন “ফতুল্লা মামলা” রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে সাজানো হয়েছে।
নিজের রাজনৈতিক অবস্থান তুলে ধরে মশিউর রহমান রনি বলেন, তিনি দীর্ঘদিন ধরে ছাত্রদল ও যুবদলের বিভিন্ন পর্যায়ে দায়িত্ব পালন করে আসছেন এবং রাজনৈতিক জীবনে একাধিকবার হয়রানির শিকার হয়েছেন। তিনি অভিযোগ করেন, কিছু মহল তাকে রাজনৈতিকভাবে কোণঠাসা করার জন্য এই ধরনের মামলা ব্যবহার করছে। তবে তিনি আইনগতভাবে বিষয়টি মোকাবিলা করবেন বলে জানান এবং নিজেকে নির্দোষ দাবি করেন।
আরোও পড়ুন – নারায়ণগঞ্জে সাংবাদিকদের প্রাণনাশের হুমকি: আদালতে মামলা, অভিযুক্ত ৮ জনের মধ্যে কলেজ ও মাদ্রাসা শিক্ষার্থীও
ফতুল্লা মামলায় নিজের নাম দেখে বিস্ময় প্রকাশ যুবদল নেতা রনির
হামিদুর রহমান সবুজ, নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধিঃ
নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় ঝুট নামানোকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের ঘটনায় দায়ের হওয়া একটি মামলায় নিজের নাম অন্তর্ভুক্ত হওয়ায় বিস্ময় প্রকাশ করেছেন জেলা যুবদলের সদস্য সচিব মশিউর রহমান রনি। তিনি দাবি করেন, ঘটনার সময় তিনি সম্পূর্ণভাবে ঘুমিয়ে ছিলেন এবং ঘটনাস্থলের সঙ্গে তার কোনো ধরনের সম্পৃক্ততা ছিল না। মামলায় নাম আসাকে তিনি উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে অভিহিত করেন। স্থানীয় পর্যায়ে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে এবং “ফতুল্লা মামলা” এখন রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে।
ঘটনাটি ঘটে ফতুল্লা এলাকায় ঝুট নামানোকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের মাধ্যমে। পরবর্তীতে এনায়েত নগর ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মো. হোসেন খোকার দায়ের করা মামলায় একাধিক ব্যক্তির নাম উল্লেখ করা হয়। মামলায় মোট ১০-১২ জনের নামসহ আরও ২০-২৫ জন অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছে। এ ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে এবং স্থানীয় রাজনৈতিক পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে। “ফতুল্লা মামলা”কে ঘিরে নানা প্রশ্নও উঠছে।
মামলার তালিকায় থাকা অন্যান্যদের মধ্যে রয়েছেন সারজিল আহম্মেদ অভি, আব্দুল হামিদ প্রধান, আব্দুস সালাম, আকাশ, সুমন মোল্লা রকেট, খায়রুল কবির জসিম, ইয়াসিন, আলী রতন, মুরাদ হাসান, আদনান আজিজ প্রাপ্ত ও পল্লবসহ আরও অনেকে। সংঘর্ষের ঘটনায় একজন গুলিবিদ্ধ হওয়ার অভিযোগও রয়েছে। তবে মশিউর রহমান রনি দাবি করেন, তিনি ঘটনাস্থলে ছিলেন না এবং পরে বিষয়টি জানতে পেরে পুলিশের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। তিনি মনে করেন “ফতুল্লা মামলা” রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে সাজানো হয়েছে।
নিজের রাজনৈতিক অবস্থান তুলে ধরে মশিউর রহমান রনি বলেন, তিনি দীর্ঘদিন ধরে ছাত্রদল ও যুবদলের বিভিন্ন পর্যায়ে দায়িত্ব পালন করে আসছেন এবং রাজনৈতিক জীবনে একাধিকবার হয়রানির শিকার হয়েছেন। তিনি অভিযোগ করেন, কিছু মহল তাকে রাজনৈতিকভাবে কোণঠাসা করার জন্য এই ধরনের মামলা ব্যবহার করছে। তবে তিনি আইনগতভাবে বিষয়টি মোকাবিলা করবেন বলে জানান এবং নিজেকে নির্দোষ দাবি করেন।
আরোও পড়ুন – নারায়ণগঞ্জে সাংবাদিকদের প্রাণনাশের হুমকি: আদালতে মামলা, অভিযুক্ত ৮ জনের মধ্যে কলেজ ও মাদ্রাসা শিক্ষার্থীও