খাগড়াছড়িতে বর্ণাঢ্য মাহা সাংগ্রাই উৎসব ও পানিকেলি উদযাপন ১৪৩৩

মনির হোসেন, নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

খাগড়াছড়ির উৎসবমুখর পরিবেশে মারমা সম্প্রদায়ের ঐতিহ্যবাহী মাহা সাংগ্রাই উৎসব ও পানিকেলি উদযাপন করা হয়েছে। মনির হোসেনের প্রতিবেদনে জানা যায়, পহেলা বৈশাখ ও নববর্ষ ১৪৩৩ উপলক্ষে টাউন হল এলাকায় বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও শোভাযাত্রার মাধ্যমে পুরো শহর উৎসবমুখর হয়ে ওঠে। চাকমা, মারমা, ত্রিপুরা ও অন্যান্য জাতিগোষ্ঠীর অংশগ্রহণে এই আয়োজন এক মিলনমেলায় পরিণত হয়। বিভিন্ন বাদ্যযন্ত্র, ঐতিহ্যবাহী পোশাক এবং সাংস্কৃতিক পরিবেশনার মধ্য দিয়ে পার্বত্য চট্টগ্রামের ঐতিহ্য তুলে ধরা হয়। এই আয়োজনকে কেন্দ্র করে পুরো জেলা জুড়ে আনন্দ ও সম্প্রীতির আবহ তৈরি হয়।

শোভাযাত্রা শেষে অনুষ্ঠিত পানিকেলি উৎসবে বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন। ঐতিহ্যবাহী পোশাকে সজ্জিত মারমা জনগোষ্ঠী একে অপরকে পানি দিয়ে ভিজিয়ে আনন্দ ভাগাভাগি করেন। এই মাহা সাংগ্রাই উৎসব শুধু একটি সাংস্কৃতিক আয়োজন নয়, বরং পার্বত্য অঞ্চলের সম্প্রীতি, ভ্রাতৃত্ব ও ঐতিহ্যের প্রতীক হিসেবে বিবেচিত হয়। অনুষ্ঠানে স্থানীয় প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি এবং রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দও উপস্থিত ছিলেন, যা উৎসবকে আরও বর্ণাঢ্য করে তোলে।

এছাড়া খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলার বিভিন্ন উপজেলায় যেমন দিঘীনালা, পানছড়ি, মহালছড়ি, মাটিরাঙ্গা, মানিকছড়ি, লক্ষীছড়ি, গুইমারা ও সিন্দুকছড়িতে একইসঙ্গে মাহা সাংগ্রাই উৎসব উদযাপিত হয়। বিভিন্ন স্থানে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, র‍্যালি এবং পানিকেলি আয়োজনের মাধ্যমে নববর্ষকে বরণ করা হয়। এসব আয়োজনে স্থানীয় জনগণের ব্যাপক অংশগ্রহণ পার্বত্য অঞ্চলের সামাজিক ঐক্য ও সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যকে আরও শক্তিশালী করে তোলে।

খাগড়াছড়ির কেন্দ্রীয় টাউন হল প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত প্রধান অনুষ্ঠানে জনপ্রতিনিধি ও প্রশাসনের উপস্থিতিতে মাহা সাংগ্রাই উৎসব আরও প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে। মারমা, চাকমা ও ত্রিপুরা জনগোষ্ঠীর ঐতিহ্যবাহী সংস্কৃতি, সংগীত ও নৃত্য পরিবেশনার মাধ্যমে পুরো অনুষ্ঠানস্থল উৎসবমুখর পরিবেশে পরিণত হয়। পানিকেলি উৎসবের মাধ্যমে নতুন বছরকে স্বাগত জানিয়ে পার্বত্য অঞ্চলে সম্প্রীতির বার্তা ছড়িয়ে পড়ে।

আরোও পড়ুন – পহেলা বৈশাখে বিজু ফুল উৎসব ২০২৬: পাহাড়ে বর্ণিল আয়োজনে ঐতিহ্যের উদযাপন

খাগড়াছড়িতে বর্ণাঢ্য মাহা সাংগ্রাই উৎসব ও পানিকেলি উদযাপন ১৪৩৩

এপ্রিল ১৪, ২০২৬

মনির হোসেন, নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

খাগড়াছড়ির উৎসবমুখর পরিবেশে মারমা সম্প্রদায়ের ঐতিহ্যবাহী মাহা সাংগ্রাই উৎসব ও পানিকেলি উদযাপন করা হয়েছে। মনির হোসেনের প্রতিবেদনে জানা যায়, পহেলা বৈশাখ ও নববর্ষ ১৪৩৩ উপলক্ষে টাউন হল এলাকায় বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও শোভাযাত্রার মাধ্যমে পুরো শহর উৎসবমুখর হয়ে ওঠে। চাকমা, মারমা, ত্রিপুরা ও অন্যান্য জাতিগোষ্ঠীর অংশগ্রহণে এই আয়োজন এক মিলনমেলায় পরিণত হয়। বিভিন্ন বাদ্যযন্ত্র, ঐতিহ্যবাহী পোশাক এবং সাংস্কৃতিক পরিবেশনার মধ্য দিয়ে পার্বত্য চট্টগ্রামের ঐতিহ্য তুলে ধরা হয়। এই আয়োজনকে কেন্দ্র করে পুরো জেলা জুড়ে আনন্দ ও সম্প্রীতির আবহ তৈরি হয়।

শোভাযাত্রা শেষে অনুষ্ঠিত পানিকেলি উৎসবে বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন। ঐতিহ্যবাহী পোশাকে সজ্জিত মারমা জনগোষ্ঠী একে অপরকে পানি দিয়ে ভিজিয়ে আনন্দ ভাগাভাগি করেন। এই মাহা সাংগ্রাই উৎসব শুধু একটি সাংস্কৃতিক আয়োজন নয়, বরং পার্বত্য অঞ্চলের সম্প্রীতি, ভ্রাতৃত্ব ও ঐতিহ্যের প্রতীক হিসেবে বিবেচিত হয়। অনুষ্ঠানে স্থানীয় প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি এবং রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দও উপস্থিত ছিলেন, যা উৎসবকে আরও বর্ণাঢ্য করে তোলে।

এছাড়া খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলার বিভিন্ন উপজেলায় যেমন দিঘীনালা, পানছড়ি, মহালছড়ি, মাটিরাঙ্গা, মানিকছড়ি, লক্ষীছড়ি, গুইমারা ও সিন্দুকছড়িতে একইসঙ্গে মাহা সাংগ্রাই উৎসব উদযাপিত হয়। বিভিন্ন স্থানে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, র‍্যালি এবং পানিকেলি আয়োজনের মাধ্যমে নববর্ষকে বরণ করা হয়। এসব আয়োজনে স্থানীয় জনগণের ব্যাপক অংশগ্রহণ পার্বত্য অঞ্চলের সামাজিক ঐক্য ও সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যকে আরও শক্তিশালী করে তোলে।

খাগড়াছড়ির কেন্দ্রীয় টাউন হল প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত প্রধান অনুষ্ঠানে জনপ্রতিনিধি ও প্রশাসনের উপস্থিতিতে মাহা সাংগ্রাই উৎসব আরও প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে। মারমা, চাকমা ও ত্রিপুরা জনগোষ্ঠীর ঐতিহ্যবাহী সংস্কৃতি, সংগীত ও নৃত্য পরিবেশনার মাধ্যমে পুরো অনুষ্ঠানস্থল উৎসবমুখর পরিবেশে পরিণত হয়। পানিকেলি উৎসবের মাধ্যমে নতুন বছরকে স্বাগত জানিয়ে পার্বত্য অঞ্চলে সম্প্রীতির বার্তা ছড়িয়ে পড়ে।

আরোও পড়ুন – পহেলা বৈশাখে বিজু ফুল উৎসব ২০২৬: পাহাড়ে বর্ণিল আয়োজনে ঐতিহ্যের উদযাপন